মঙ্গলবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ১১ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিজরী

সারা বাংলার খবর

জালিম সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাব না : সিলেট জেলা বিএনিপ সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরী

পুলিশী বাাঁধা উপেক্ষা করে বালাগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

সিলেট ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৮:০৪ পিএম

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, বিএনপির চলমান আন্দোলন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়। বিএনপির আন্দোলন দেশের গণতন্ত্র, বাক স্বাধীনতা, ভোটাধিকার ও জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। এ আন্দোলন দেশ বাঁচাতে, এ আন্দোলন মানুষ বাঁচাতে, এ আন্দোলন লুটপাটের বিরুদ্ধে। বিএনপির সভা-সমাবেশে জনগণের জনস্রোত দেখে আওয়ামী লীগের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। যার কারণে গণতান্ত্রিক সভা-সমাবেশে হামলা করছে, বিএনপির জাতীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালাচ্ছে। আজও আমরা মিছিল শুরু করার পর পুলিশ নগ্নভাবে বাঁধা দিয়েছে। পুশিশ তো আওয়ামীলীগের চাকুরী করে না। পুলিশের বেতন দেয়া হয় জনগনের ট্যাক্সের টাকায়, পুলিশ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। কিন্তু আজ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের দিয়ে বিএনপির আন্দোলনে বাঁধা দেয়া হয়, হামলা করা হয়, মামলা দেয়া হয়। হামলা, মামলা করে জনগণের এই আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না। দেশের মানুষ বিএনপির সাথে সহমত পোষন করে যেভাবে রাস্তায় নেমে এসেছে, এবার আর লুটেরা সরকারের রেহাই নেই। আওয়ামীলীগ সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘরে ফিরে যাবে না।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মিছিলটি উপজেলা সদরের মধ্যবাজার থেকে শুরু হয়ে বাস স্ট্যান্ডের দিকে যাওয়ার সময় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মিছিলে বাঁধা দেয়। পরে পুলিশী বাঁধা উপেক্ষা করে জিরো পয়েন্টে গিয়ে সমাবেশ করে।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামীলীগ নির্বাচন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন নিয়ে কল্পকাহিনী শুনাচ্ছে। সরকারের জনমত বিভ্রান্ত করার মিথ্যাচার দেশ-বিদেশে কেউ এখন আর বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে আতীতে কখনও নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ হয় নাই, কষ্মিন কালেও হবে না। একথা দিবালোকের মতো প্রমাণিত সত্য, দেশ-বিদেশে স্বীকৃত। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন ও ১৪ বছরে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন তার বড় প্রমাণ। তাই আওয়ামীলীগের অধীনে আর কোন প্রহসেনর নির্বাচন এদেশে হবে না।

বালাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদব এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ, জেলা বিএনপি নেতা মামুনুর রশিদ মামুন, এডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন, মাহবুবুল হক চৌধুরী, হাজী মো. শাহাব উদ্দিন, কোহিনুর আহমদ, ইকবাল আহমদ তাপাদার, তাজরুল ইসলাম তাজুল, হাজী আব্দুন নুর চেয়ারম্যান।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে সিলেট জেলা বিএনপিসাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ নিরপেক্ষ নির্বাচনের কথা বলে। অতচ মোমবাতি জ্বালানো অনুষ্ঠান তারা সহ্য করতে পারে না। এত নিরীহ কর্মসূচি বাংলাদেশে বোধ হয় আর নাই। সেই মোমবাতিটাও তারা নিভিয়ে দিতে চায়। ইতিহাস বলে কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামের রক্ত বৃথা যায় না, কোনো শহীদের রক্ত কখনো বৃথা যায় না। আগামী দিনে এই রক্তের হিসাব বর্তমান সরকারের কাছ থেকে এ দেশের জনগণ আদায় করে নিবে। ১৯৭১ সালে যেমন স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য এক সাগর রক্ত দিয়েছে এ দেশের মানুষ। এখনো দেশকে রক্ষা করতে, দেশের স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে, দেশে জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে দেশের মানুষ আবারো রক্ত দেব তবুও ফ্যাসিবাদকে এ দেশের জনগণ মেনে নেবে না।

এসময় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি নেতা এডভোকেট আবু তাহের, এডভোকেট সাইদ আহমদ, রফিকুল ইসলাম শাহপরান, আজিজুল হোসেন আজিজ,আহাদ চৌধুরী শামীম, শাহ আলম স্বপন, মনিরুল ইসলাম তোরন, আক্তার হোসেন রাজু, মাহবুব আলম, জালাল উদ্দীন খান, এডভোকেট ওবায়দুল রহমান ফাহমী, অর্জুন ঘোষ, হাজী আসাদ, শামসুর রহমান শামীম, আবুল কাশেম, বক্তিয়ার আহমদ ইমরান, রায়হান আহমদ, এডভোকেট মোবারক হোসেন, সামসুর রহমান সুজা, আব্দুস সালাম টিপু, তোফায়েল আহমদ। বালাগঞ্জ উপজেলার নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বালাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি নেতা নাজমুল আলম নজম চেয়ারম্যান, আব্দুল মুনিম চেয়ারম্যান, লুৎফুর রহমান চেয়ারম্যান, মকবুল আলী মেম্বার, হাজী রফিক আহমদ, নজরুল ইসলাম জিতু, আলাউদ্দিন রিপন, সাইফুল ইসলাম সেফুল, তোফায়েল আহমদ সোহেল, শেখ জামাল আহমদ খলকু, সাইদুল হক সোহেল, আব্দুল বাসিত বখত্, আব্দুর রব সিদ্দিকী, আব্দুল বারী, তজম্মুল হোসেন জনি, মাওলানা মনির হোসেন, সাইফুল আহমদ সেফুল, ফয়ছল আহমদ, ইউনুস আলী, আজমান আলী জুয়েল, শাহীনুল হাসান, ফখরুল ইসলাম, আব্দুল মুকিত শরীফ, হুমায়ূন কবীর, শাহীন আলম জয়, শামীম আহমদ, আব্দুল আলম পিন্টু, আবুল ফতেহ ফাত্তাহ, ডা. আইন উদ্দিন, আব্দুল করিম পরাণ, আফজাল হোসেন মেম্বার, চেরাগ আলী, ফারুক আহমদ, কাওছার আহমদ, মনসুর আহমদ, নজরুল ইসলাম মকদ্দস, সালেহ আহমদ, সুজেল মিয়া, এমদাদুর রহমান জাকির, রিজভী আহমদ এলাইছ, মির্জা অয়েছ, আব্দুল আহাদ, ইজলাল আহমদ, কারী আব্দুছ ছত্তার, মোহাম্মদ মনসুর আলী, কাপ্তান মেম্বার, নজরুল শিকদার, মোহাম্মদ রশীদ মিয়া, জসীম উদ্দীন, সাইদুল ইসলাম সুমন, সালমান আহমদ, মফুর মিয়া, জাহেদ আহমদ মেম্বার, রানা মিয়া ও জুয়েল মিয়া, উপজেলা যুবদল নেতা ফয়জুল হক মেম্বার, পুলক দাস, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাবুল আহমদ, দেলোয়ার হোসেন মুকিদ, উপজেলা কৃষকদল নেতা হাজী ছইল মিয়া, আব্দুস শহীদ পাখি, উপজেলা ছাত্রদল নেতা আবুল হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা শ্রমিক দল নেতা মজনু মিয়া, হেলাল মিয়া, যুবদল নেতা মাসুক মিয়া, আজমুল হোসেন, মিজানুর রহমান, নাজমুল হোসেন সেবুল, শামীম আহমদ, সোহেল তালুকদার, আলী আহমদ ছাত্রদল নেতা ইকবাল হাসান, ইকবাল হোসেন নোমান লস্কর, ফুজায়েল খান সাজু, মুমিনুল হক প্রমূখ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন