সোমবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২৩, ১৬ মাঘ ১৪২৯, ০৭ রজব ১৪৪৪ হিজিরী

খেলাধুলা

ফুটবলাররা কেন এত অফসাইডের ফাঁদে, আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচেই ১০ বার

অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৩ নভেম্বর, ২০২২, ১২:৩৬ পিএম

কাতার বিশ্বকাপে মাত্র ১৩ মিনিটের ব্যবধানে তিন বার সৌদি আরবের গোলপোস্টে বল পাঠিয়েছিল লিওনেল মেসিরা। কিন্তু তিন বারই বাতিল হয়ে গিয়েছে সেই গোল। কারণ অফসাইডের ফাঁদে পা দিয়েছেন স্ট্রাইকাররা। একই ছবি ডেনমার্ক বনাম তিউনিশিয়া ম্যাচে। দু’দলেরই একটি করে গোল বাতিল হয়েছে অফসাইডে।

কেন বার বার অফসাইডের ফাঁদে জড়িয়ে পড়ছেন ফুটবলাররা? তাদের ভুল? না কি প্রযুক্তি আরও উন্নত হয়েছে?

এ বারের বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচেই ১০টি অফসাইড করেছে আর্জেন্টিনা। চার বছর আগে রাশিয়া বিশ্বকাপে গোটা প্রতিযোগিতায় ৬ বার অফসাইডের জালে জড়িয়েছিলেন মেসিরা। অর্থাৎ শুধু গোলের ক্ষেত্রে নয়, ম্যাচে সাধারণ অফসাইডও বেশি চোখে পড়ছে। তার একটা বড় কারণ প্রযুক্তির উন্নতি।

ফিফা জানিয়েছে, কাতার বিশ্বকাপে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ কম দিতে চান তারা। তার জন্য সব রকম প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। ফুটবলে বসানো থাকছে চিপ। সেখান থেকে প্রতি মুহূর্তে তথ্য চলে যাচ্ছে দায়িত্ব থাকা কর্মীর কাছে। বিশ্বকাপের আগে লাইন্সম্যানদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে যাতে অফসাইডের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্ক থাকতে পারেন তারা।

এ বারের বিশ্বকাপে কোনো ফুটবলার অফসাইডে থাকলে সঙ্গে সঙ্গে পতাকা তুলছেন না লাইন্সম্যান। তিনি বল নিয়ে কী করছেন সেটা দেখার পরে নিজের সিদ্ধান্ত জানাচ্ছেন। অর্থাৎ, অফসাইডে থাকার পরে কোনও স্ট্রাইকার গোলের দিকে এগিয়ে গেলেও লাইন্সম্যান পতাকা তুলছেন না। সেখান থেকে গোল হচ্ছে কি না দেখছেন। তার পরে সিদ্ধান্ত জানাচ্ছেন। আগে লাইন্সম্যান পতাকা তোলার পরে অনেক গোলমুখী আক্রমণ থমকে যেত। কিন্তু এ বার গোল করার আগে পর্যন্ত স্ট্রাইকার বুঝতে পারছেন না যে তিনি অফসাইডে ছিলেন কি না।

এছাড়া রয়েছে ভার (ভিডিয়ো অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি)। সারাক্ষণ বিভিন্ন ক্যামেরা থেকে তারা নজর রাখছেন খেলায়। অফসাইড হলেই রেফারির কাছে খবর চলে যাচ্ছে। লাইন্সম্যান ভুল করলেও সমস্যা নেই। আর্জেন্টিনার একটি গোল ভার প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে বাতিল করেছেন রেফারি। এই প্রযুক্তির ফাঁদে আটকে যাচ্ছেন ফুটবলাররা। তাই হয়তো এত অফসাইড দেখা যাচ্ছে এ বারের বিশ্বকাপে।

গতকাল ২২ মিনিটের মাথায় সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। জালে বল জড়ান মেসি। কিন্তু লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তোলেন। পাঁচ মিনিট পরে আরও এক বার গোলে বল জড়ায় আর্জেন্টিনা। এ বার গোল করেন লাউতারো মার্টিনেজ। প্রথমে গোল দিয়ে দেন রেফারি। কিন্তু পরে ভার প্রযুক্তির সাহায্যে দেখা যায় অফসাইডে ছিলেন মাটিনেজ। তাই গোল বাতিল হয়। ৩৪ মিনিটের মাথায় মেসির পাস থেকে আবার গোল করেন মার্টিনেজ। কিন্তু সেটিও অফসাইডের কারণে বাতিল করেন রেফারি।

পরের ম্যাচে ২৪ মিনিটের মাথায় ডেনমার্কের জালে বল জড়ান তিউনিশিয়ার জাবেলি। কিন্তু তার গোল অফসাইডে বাতিল হয়। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৬ মিনিটের মাথায় ডেনমার্কের হয়ে গোল করেন ওলসেন। কিন্তু সেটিও বাতিল হয় অফসাইডে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন