রোববার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩, ১৫ মাঘ ১৪২৯, ০৬ রজব ১৪৪৪ হিজিরী

ব্যবসা বাণিজ্য

মালিক-শ্রমিক বন্ধনে ২৫ বছর পূর্তি রাইজিং গ্রুপের

কেক কেটে রজত জয়ন্তী উদযাপন, কর্মী-মালিক সম্পর্ককে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয় এমডির

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৬ ডিসেম্বর, ২০২২, ৬:২৬ পিএম

রাইজিং গ্রুপ-বাংলাদেশের একটি বৃহৎ সমন্বিত টেক্সটাইল এবং পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান তার ২৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করেছে, সেখানে এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। ১৯৯৭ সালের ৫ ডিসেম্বর রাজধানীর মিরপুর এলাকায় একটি ছোট ভাড়া করা ভবনে মাত্র ১২০টি সেলাই মেশিন নিয়ে যাত্রা শুরু করে হাটি হাটি পা পা করে বেড়ে ওঠে রাইজিং গ্রুপ। বর্তমানে মিরপুর, আশুলিয়া, ধামরাই, গাজীপুর এবং মানিকগঞ্জে মোট ১৩টি সহ প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব কমপ্লেক্সে প্রায় ১৪ হাজার কর্মীর পরিবার এই রাইজিং গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানের প্রতি কর্মীদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি, দূরদর্শী চিন্তা, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং এর মালিক জনাব মাহামুদ হাসান খান (বাবু) এর সঠিক নির্দেশনাই কোম্পানির সাফল্যের মূল মন্ত্র।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) ঢাকায় প্রধান কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কেটে ২৫ বছর পূর্তী উদযাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিজিএমইএÕর পরিচালক মাহমুদ হাসান খান (বাবু)। এসময় প্রতিষ্ঠানটির সকল স্তরের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে রাইজিং গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমরা কর্মী-মালিক সম্পর্ককে পরবর্তী স্তরে নিতে চাই। আমাদের কর্মীরা প্রতিষ্ঠানকে ভালোবাসেন বলেই করোনা মহামারিতেও আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছি। অস্থিরতায় একদিনও বন্ধ হয়নি আমাদের শিল্পের চাকা। সম্পূর্নভাবে রাইজিং গ্রুপের তত্বাবধানে প্রতিটি কর্মীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আমরা করোনা টিকা, হেপাটাইটিস বি ভ্যাক্সিনেশন নিশ্চিত করেছি। এছাড়া সকল কর্মীই একটি সুন্দর কর্মীবান্ধব পরিবেশে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দূরদর্শি ও সময়োপযোগী সব সিদ্ধান্ত রাইজিং গ্রুপকে নিয়ে গিয়েছে অনন্য এক চূড়ায়। ১৯৯৭ সালে ঢাকার মিরপুরে একটি ছোট ভাড়া করা ভবন থেকে মাত্র ১২০টি সেলাই মেশিন দিয়ে রাইজিং গ্রুপের যাত্রা শুরু হয়, যা আজ প্রায় ১৪ হাজার দক্ষ কর্মীর নির্ভরতার নামে পরিণত হয়েছে।

রাইজিং গ্রুপ মূলত একটি তৈরি পোশাক শিল্প হিসাবে যাত্রা শুরু করেছিল, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে অন্যান্য শিল্পেও রাইজিং গ্রুপের বিস্তৃত বিচরণ ঘটেছে। বর্তমানে রাইজিং গ্রুপ স্পিনিং, নিটিং, ডাইং, ফিনিশিং, এমব্রয়ডারি এবং প্রিন্টিং থেকে শুরু করে পোশাক, আনুষাঙ্গিক এবং পোশাক খাতে প্যাকেজিং পর্যন্ত ওয়ান-স্টপ সমাধান অফার করছে। এছাড়াও, রাইজিং গ্রুপের লিজিং এবং ইকোনমিক জোন খাতে অধিভুক্ত ব্যবসা রয়েছে।

রাইজিং গ্রুপের রজত জয়ন্তী উপলক্ষে মাহমুদ হাসান খান (বাবু) কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে রাইজিং গ্রুপ এখন অনেক মানুষের আস্থার নাম। আমি যখন প্রথম এই প্রতিষ্ঠান শুরু করি তখনই আমার ইচ্ছে ছিল দেশ, দেশের মানুষ এবং সমাজে নিজের সাধ্যমত ইতিবাচক অবদান রাখবো। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই আমি কাজ করে গিয়েছি। আজ রাইজিং গ্রুপের এই সফলতার দিনে বলতে চাই এই সাফল্য শুধু আমার না, আমার সাথে কাজ করা হাজারও কর্মীর। তাদের নিরলস পরিশ্রম এবং অবদানেই আমরা এই সাফল্যের চূড়ায় আসতে পেরেছি। ভবিষ্যতেও আমরা চাই আমাদের সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকুক। গার্মেন্টস ব্যবসায় প্রবৃদ্ধি এবং সাফল্য অর্জন করা যতটা কঠিন কাজ ততটাই এটি টিকিয়ে রাখা। এজন্য প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষা এই দুটি বিষয়ে আমরা জোর দিয়েছি। এছাড়া উৎপাদনশীলতা বাড়াতে আমরা পৃথিবীর সর্বশেষ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে ধারণ করার চেষ্টা করছি। আশা করছি, আগামীতে রাইজিং গ্রুপ আরো কর্মীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।

তিনি আরও বলেন,আমরা এখন কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের জন্য আরও সুবিধার ব্যবস্থা করার জন্য এগিয়ে যাচ্ছি। সম্পদশালী প্রতিষ্ঠান না হয়ে বাংলাদেশে সম্মানিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে টিকে থাকাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন