সোমবার, ২০ মার্চ ২০২৩, ০৬ চৈত্র ১৪২৯, ২৭ শাবান ১৪৪৪ হিজিরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

পেশোয়ার মসজিদে বোমা হামলাকারী পুলিশের পোশাকে ঢুকেছিল

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ১২:০০ এএম

খাইবার পাখতুনখোয়া পুলিশ প্রধান মোয়াজ্জাম জাহ আনসারি গতকাল বলেছেন যে, পেশোয়ার পুলিশ লাইনস এলাকায় একটি মসজিদে আত্মঘাতী হামলার পিছনে সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ককে ‘চিহ্নিত’ করছে পুলিশ। তারা নিশ্চিত করেছে যে, বোমা হামলাকারী ‘পুলিশের ইউনিফর্ম পরিহিত’ ছিল।

গত ৩০ জানুয়ারী, পেশোয়ারের রেড জোন এলাকার একটি মসজিদের মধ্যে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে যেখানে ৩০০ থেকে ৪০০ জন লোক - বেশিরভাগ পুলিশ অফিসার - নামাজের জন্য জড়ো হয়েছিল। আত্মঘাতী বিস্ফোরণ মসজিদের প্রাচীর এবং একটি অভ্যন্তরীণ ছাদ উড়িয়ে দেয় এবং এতে ১০১ জন নিহত হয়। হামলাকারী পুলিশের পোশাক পরে ভেতরে প্রবেশ করেছিলেন। এসময় তিনি পুলিশের ইউনিফর্ম এবং হেলমেট পরে ছিলেন। এ কারণে তাকে কোনো ধরণের তল্লাশি ছাড়াই ভেতরে ঢুকতে দেয়া হয়।
এদিকে হামলাকারীর মাথা উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে সিসিটিভি ফুটেজের সাথে ঘটনাস্থলে পাওয়া মাথার মিল পাওয়ার পর এ বিষয়ে নিশ্চিত হন তদন্তকারীরা। আনসারির দাবি, হামলাকারীর পিছনে একটি পুরো নেটওয়ার্ক রয়েছে। হামলাকারী একা এত বড় হামলার পরিকল্পনা করেনি। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো সংগঠন হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে পাকিস্তান তালেবানকে সন্দেহ করছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে জঙ্গি হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব হামলার পেছনে পাকিস্তানি তালেবানের হাত ছিল। হামলাগুলোর টার্গেট ছিল পুলিশ সদস্যরা।
এবার যে মসজিদে হামলা হয়েছে তা পুলিশ সদর দফতরের মধ্যেকার একটি মসজিদ। শত শত পুলিশ তখন দুপুরের নামাজ পড়ছিলেন। বিস্ফোরণটি এত ভয়াবহ ছিল যে মসজিদের একাংশ উড়ে গেছে। এই মসজিদটি শহরের সবচেয়ে নিয়ন্ত্রিত এলাকা। এর আশেপাশেই রয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদর দপ্তর। আঞ্চলিক সচিবালয়ও ওই এলাকায়ই অবস্থিত। ফলে এত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কীভাবে হামলা হলো তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। এটি গত কয়েক বছরের মধ্যে পাকিস্তানের সবচেয়ে মারাত্মক হামলা। ২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তান দখলে নেয়ার পর থেকেই পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই মাত্রার হামলা এর আগে হয়নি। সূত্র : ডন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন