ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১১ কার্তিক ১৪২৭, ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

পদ্মায় দুর্ধর্ষ নৌ-ডাকাতি বিশ লক্ষাধিক টাকা লুট

| প্রকাশের সময় : ৮ জানুয়ারি, ২০১৭, ১২:০০ এএম

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) উপজেলা সংবাদদাতা : মাঝ পদ্মা নদীতে গরু ও ছাগল ব্যবসায়ীদের ট্রলারে হানা দিয়ে সশস্ত্র এক দল ডাকাত বিশ লক্ষাধিক টাকা লুটে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় ডাকাতদের হামলায় অন্তত ৮ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সন্ধ্যায়। আহতরা হলেন, গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের চর বরাট গ্রামের ব্যাবসায়ী ভোলাই খানের ছেলে আব্দুর রহমান খান, আলাই মোল্লার ছেলে নুরু মোল্লা, অকেল শেখের ছেলে সোনাই শেখ, মোহন বেপারী, নওয়াব আলী, বিষ্ণপুর গ্রামের জালাল শেখ, দেবগ্রাম ইউনিয়নের তেনাপচা গ্রামের হাকিম আলী মন্ডলের ছেলে খলিল মন্ডল, গোয়ালন্দ পৌর এলাকার বাবর আলী। প্রত্যক্ষদর্শী ও ডাকাতদের হামলায় আহত ছাগল ব্যাবসায়ী নুরু মোল্লা (৩০) জানান, তিনিসহ আরো ১৫/১৬ জন গরু ও ছাগল ব্যাবসায়ী শুক্রবার মানিকগঞ্জের শিবালয় হাটে তাদের গরু-ছাগল বিক্রি করতে যান। বিকেলের মধ্যে তাদের গরু-ছাগল বিক্রি করা শেষ হয়ে গেলে তারা একটি ট্রলার নিয়ে শিবালয় থেকে অন্তার মোড়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তাদের ট্রলারটি মাঝ পদ্মায় পৌছালে একটি স্পীডবোড ট্রলারটি থামতে বলে। প্রথমে তারা নৌ পুলিশের স্পীডবোট ভেবে তাদেরকে ট্রলারে ওঠার সুযোগ দেয়। ট্রলারে উঠেই ১০/১২ জনের ডাকাত দল আগ্নেয় ও দেশীয় অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে ফেলে। এরপর এলোপাথারী মারপিট শুরু করে ব্যাবসায়ীদের কাছে থাকা ২০ লক্ষাধিক নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে ডাকাত দল রাজবাড়ীর উড়াকান্দা এলাকার আরেকটি ট্রলারে ডাকাতি করে পুনরায় স্পীডবোটে ভাটির দিকে চলে যায়।তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সামান্য পুজি দিয়ে ব্যবসা করে পরিবার পরিজন নিয়ে খেয়ে-নাখেয়ে জীবন কাটাচ্ছিলাম। জীবনের ভয়ে তাও ডাকাতদের হাতে তুলে দিয়েছি। এখন আমাদের না খেয়ে মড়তে হবে।’দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই ইছাক আলী ঘটনাটি শিবালয় থানা এলাকায় দাবি করে বলেন, ডাকাতির ঘটনায় কোন অভিযোগ না পেলেও খবর পাওয়ার সাথে সাথে পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া নৌপুলিশ যৌথভাবে নদীতে ব্যাপক অভিযান চালানো হয়েছে। তবে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। অপরাধীদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন