ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০, ১৬ আশ্বিন ১৪২৭, ১৩ সফর ১৪৪২ হিজরী

আইসিটি এন্ড ক্যারিয়ার

ফেসবুকের মাধ্যমে ইকমার্স ব্যবসার পূর্ণাংগ গাইড

মো. ইকরাম | প্রকাশের সময় : ২১ মার্চ, ২০১৯, ৫:০২ পিএম

ফেসবুকে সারাদিন বিনাকারনে আমরা প্রচুর সময় নষ্ট করি। কিন্তু ফেসবুকে ব্যয় করা এ সময়টুকু ব্যয় করে ঘরে বসেই অনেক বড় ব্যবসা গড়ে তোলা সম্ভব। ঘরে বসেই সম্ভব প্রচুর আয় করা। পুরো লেখাটি পড়ুন। আপনাকে অর্থনৈতিক স্বচ্ছল করে সাবলম্বী করতে পুরো লেখাটি একটি গাইডলাইন হিসেবে কাজ করবে।

ই- কমার্সঃ

অনলাইনে কেনাকাটার সাথে বর্তমানের সবাই কমবেশি পরিচিত। এ প্রক্রিয়াটিকে ই-কমার্স বলে। ফেসবুকের পেজ খুলে ইকমার্স বিজনেস করলে সেটিকে, এফ কমার্স বলে। টাকা খরচ করে ওয়েবসাইট তৈরির প্রয়োজন নেই এক্ষেত্রে। শুধুমাত্র ফেসবুকে একটি পেজ খুলেই ব্যবসা শুরু করা যাবে। ইতিমধ্যে দেশে অনেকেই করছেন এরকম কিছু। বাংলাদেশে এখন পযন্ত যে কয়টি ব্যক্তিগত উদ্যোগ ভাল করছে, সেগুলোর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি যদি শেয়ার করি, তাহলে কয়েকটি নাম অবশ্যই বলতে হবে। রাজশাহীর খাটি আম, সুন্দরবনের খাটি মধু, জামদানী ভিলে, কক্সবাজার ই-শপ ইত্যাদি। দেশীয় মহিলা থেকে শুরু করে স্টডেন্টরা পযন্ত সাবলম্বী হচ্ছে এফ কমার্স এর মাধ্যমে।

ই- কমার্স বিজনেস করতে যা যা প্রস্তুতি নিতে হবেঃ

১) ফেসবুক মার্কেটিং দক্ষতা

যা যা জানতে হবে:

  • কনটেন্ট ডেভেলপ
  • পেইজের জন্য লিড সংগ্রহ
  • পেইজের লিড নার্সিং
  • পোস্টে অ্যাংগেজমেন্ট
  • ফেসবুক পেইড বুস্টিং (রিমার্কেটিং টেকনিকসহ)

২) প্রোডাক্ট রিসার্চ

যা যা জানতে হবে:

  • চাহিদাসম্পন্ন পণ্য নির্ধারণ
  • সময়ের চাহিদাসম্পন্ন পণ্য খুজে বের করা
  • কম্পিটিটরদেরকে অ্যানালাইস করা।
  • পণ্যটির উপযুক্ত সোর্সিং খুজে বের করা।

৩) ডেলিভারি প্রসেসিং

যা যা জানতে হবে:

  • সঠিক কুরিয়ার সার্ভিস খুজে বের করা।
  • সম্ভব হলে সীমিত পরিসরে নিজস্ব ডেলিভারি সিস্টেম তৈরি
  • ডেলিভারি সার্ভিস মনিটরিং

৪) কাস্টমার সাপোর্ট

যা যা জানতে হবে:

  • কাস্টমার সাপোর্ট ম্যানেজমেন্ট
  • কাস্টমার সাপোর্ট ট্র্যাকিং
  • কাস্টমার রিলেশন ডেভেলপ।

ইকমার্স বিজনেস এর সহযোগীতার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইক্যাব)। এ সম্পর্কিত বাংলাতে অনেকগুলো বইও প্রকাশ পেয়েছে। সবচাইতে কাযকরী বই : ইনকাম@ফেসবুক । এ বইটি যে কাউকে ইকমার্স বিজনেসের জন্য পরিপূর্ণ গাইডলাইন হিসেবে কাজ করবে।

এ লেখাটিতে একটি সংক্ষিপ্ত গাইডলাইন দিয়ে দিচ্ছি।

১ম ধাপ (ব্যবসা সম্পর্কিত সঠিক নাম বাছাই করে ফেসবুক পেজ তৈরি):

ফেসবুকে ব্যবসা সম্পর্কিত একটি পেজ তৈরি করতে হবে। পেজের নামটি হবে ব্যবসার নাম। লং টাইম ব্যবসা করার টার্গেট করেই নামটা ঠিক করতে হবে।

২য় ধাপ (প্রফেশনাল লোগো তৈরি):

ব্যবসা সম্পর্কিত একটি সুন্দর লোগো ডিজাইন করে নিতে হবে। প্রফেশনাল কাউকে দিয়ে লোগোটা ডিজাইন করাবেন। কারণ লোগোটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবশ্যই।

৩য় ধাপ (পেজের জন্য ব্যবসা সম্পর্কিত কভার ছবি তৈরি):

সুন্দর এবং অবশ্যই প্রফেশনাল একটি ফেসবুক কভার ডিজাইন করিয়ে নিন।

৪র্থ ধাপ (পেজে About সেকশনে ব্যবসা সম্পর্কিত তথ্য যুক্ত করা):

ফেসবুক পেজটির About পেজটিতে ব্যবসা সম্পর্কিত তথ্যগুলো ভালভাবে পূরণ করুন।

উদাহরণঃ https://www.facebook.com/boibazar/ এ পেজের About পেজটি দেখতে পারেন। সেখান হতে আইডিয়া নিয়ে ভাল কিছু লিখতে পারেন।

৫ম ধাপ (পেজে প্রাথমিকভাবে মেম্বার যুক্ত করা):

পেজটি প্রস্তুত। উপরের ৪টি ধাপের প্রস্তুতির জন্য সময় ২দিনের বেশি ব্যয় করা মোটেই উচিত হবেনা। তাহলে শুরুতেই আপনার পদক্ষেপ ভুল হবে। ৫ম ধাপটিতে, পেজের মেম্বার বাড়ানো শুরু করতে হবে। সবার প্রথমে নিজের ফ্রেন্ড লিস্টের সবাইকে, নিজের কাছের কোন বন্ধুকে অনুরোধ করে, তার ফ্রেন্ডলিস্টের সবাইকে এ পেজে যুক্ত করে নেওয়ার জন্য ইনভাইট করুন। এ পদ্ধতিতেই চেষ্টা করুন পেজে ১০০০ টা লাইক যুক্ত করার।

৬ষ্ঠ ধাপ (পেজে অ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধি):

এ ধাপটিতে এসেই অ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধি শুরু করতে হবে। অ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধি শুরু করলে, পেজ মেম্বারও নিয়মিত বৃদ্ধি পাবে।

কেন অ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধি করতে হবে?

 মার্কেটপ্লেসের বাইরে গিয়ে অনলাইনে এসব ব্যবসার ক্ষেত্রে, যে ক্রেতা, তার কাছে আপনি (ব্যবসার মালিক) একদম অপরিচিত এবং অবিশ্বস্ত। সুতরাং ক্রেতা কখনও প্রোডাক্ট হাতে পাওয়ার আগে আপনাকে পেমেন্ট করতে সাহস পাবেনা। আবার আপনি নিজেও পেমেন্ট পাওয়ার আগে অপরিচিত একজনকে প্রোডাক্ট দিতে রিস্ক নিবেননা। যদি ক্রেতা আপনার পরিচিত হত, তাহলে ক্রেতা আপনাকে বিশ্বাস করত ,সেক্ষেত্রে প্রোডাক্ট হাতে পাওয়ার আগেই পেমেন্ট দিতে তার আপত্তি থাকতনা। তেমনি আপনি নিজেও পেমেন্ট বাকি রেখে তাকে প্রোডাক্ট দিতে হয়ত আপত্তি করবেননা। তাহলে দেখা গেল , পরিচিত হওয়াটাই আসল। অনলাইনের মাধ্যমেই এখন মানুষের বন্ধুত্ব তৈরি হয়। আর এ বন্ধুত্ব তৈরির জন্যই অ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধির চেষ্টা করতে হবে। আর অ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধি হলেই বিশ্বাস এবং আস্থা তৈরি হবে। তখনই ক্রেতা প্রোডাক্ট হাতে পাওয়ার আগেই পেমেন্ট দিতে আপত্তি করবেনা।

 কিভাবে অ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধি করবেন?

  • প্রতিদিন ফেসবুক পেজটিতে ৩টি করে পোস্ট দিবেন। কি পোস্ট করবেন, সেগুলো নিয়ে আগে কিছুটা ব্রেন স্ট্রোমিং করে নিন। ব্রেন স্ট্রোমিং করার ব্যপারে কিছু পরামর্শ দিতে পারি। ধরি, আপনার ব্যবসাটি হবে দেশীয় ভেজাল মুক্ত খাবার, যেমনঃ ফরমালিন মুক্ত আম। তাহলে ফরমালিনের আপনার কন্টেন্ট গুলো হবে, ফরমালিনের ক্ষতিকারক দিক সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়, আম নিয়ে বিভিন্ন টপিকসও এখানে যুক্ত হতে পারে।এবার তাহলে এ সম্পর্কিত অনলাইনে কি কি পোস্ট আছে সেগুলো খুজে বের করে আগে সব লিস্ট করে রাখুন।
  • লিস্ট করে রাখা সব পোস্টগুলো থেকে এবার কন্টেন্ট তৈরি করুন। ফেসবুকের কন্টেন্ট সাইজ বেশি বড় না হওয়াটাই ভাল। ব্লগের কনটেন্ট হতে হয় বড়। অনলাইন থেকে খুজে বের করা আর্টিকেলগুলো থেকে নিজের মত করে কন্টেন্ট তৈরি করুন। কপি কন্টেন্ট না করে নিজের মত করে কন্টেন্ট উপস্থাপন করুন। কপি কন্টেন্ট ব্যবহার করলে ব্রান্ডিংয়ে কম সফল হবেন। এমন কন্টেন্ট তৈরি করুন, যা মানুষের জন্য উপকারী হবে। মানুষের উপকারী তথ্য দিয়ে কোন পোস্ট করলেই, পেজের মেম্বাররা আপনাকে বন্ধু মনে করা শুরু করবে, আপনার উপর আস্থা শুধুমাত্র তখনই তৈরি হবে।(শুরুতে কখনই বিজ্ঞাপন টাইপ কোন পোস্ট করবেননা, তাতে বন্ধুত্ব তৈরি হবেনা, দূরত্ব তৈরি হবে।)
  • প্রতিদিনের ৩টি পোস্টের মধ্যে একটি পোস্ট কুইজ টাইপ হতে পারে। কুইজ টাইপ পোস্টে কমেন্ট এবং লাইক প্রচুর পাওয়া যায়।
  • সপ্তাহের একদিন ইনফোগ্রাফিকস ধরনের পোস্ট করতে পারেন। ছবি সম্পর্কিত পোস্টগুলো প্রচুর শেয়ার হয় এবং অ্যানগেজিংও প্রচুর বৃদ্ধি পায়।
  • শুরুর দিকে খুব সতর্কভাবে প্রতি ৩দিন পর পর কোন একটি পোস্টে আপনার ব্যবসার কথা বলতে পারেন, তবে এত তাড়াতাড়ি সরাসরি প্রোডাক্ট বিক্রির কথা বললে, সেটি ব্রান্ডিংয়ের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

    সেরকম একটি পোস্টের উদাহরণ দিচ্ছি এখানেঃ

গত সপ্তাহে রাজশাহীতে আমার নিজের পরিচিত একটি বাগান থেকে ইকরাম ভাইয়ের কাছে ১মণ আম বিক্রি করেছিলাম। উনার পরিকল্পনা ছিল, আমগুলো ১মাস ধরে খাবে। কিন্তু ২ দিন পর দেখেছে, বেশির ভাগ আম পচে কাল হয়ে গেছে। হুমম, এটিই হচ্ছে, ফরমালিন মুক্ত আমের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

  •  মানুষের জন্য উপকারী এবং আপনার ব্যবসা সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে মাঝে মাঝে চেষ্টা করুন, ব্লগে পোস্ট করেন। ব্লগপোস্টটির নিচে শুধু পেজে লাইক দেওয়ার অনুরোধ করে পেজের লিংক দিয়ে আসলেই হবে। ব্লগপোস্টে আর অন্য কোন বিজ্ঞাপন চালানোর লোভ সংবরণ করুন। এরকম ব্লগের জন্য পোস্ট মাসে ২টি হলেই চলবে। আরও বেশি করতে পারলেতো কথাই নাই। ভালই হবে।
  • কাছের মানুষদের কাছ থেকে পেজের রিভিউ অংশে ভাল রিভিউ লিখে নিন। অনুরোধের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে আদায় করে নিতে হতে পারে শুরুর দিকে। যারা একটু অনলাইনে বেশি পরিচিত তাদের কাছ হতে রিভিউ নিতে পারলে বেশি ভাল হবে। এ রিভিউ দেখে মানুষের মনে আপনার কাছ হতে প্রোডাক্ট কিনার ব্যাপারে আস্থা তৈরি হবে। কাছের মানুষের কাছে প্রোডাক্ট বিক্রি করেই রিভিউ নিন, মিথ্যা রিভিউ নেওয়ার দরকার নেই।
  • ১মাস পর থেকে প্রতিদিনের ৩টি পোস্টের মধ্যে একটি পোস্ট অবশ্যই একটি বিজ্ঞাপনধর্মী পোস্ট হবে। দুটিও হতে পারে। চেষ্টা করুন, সেই ব্যবসা সম্পর্কিত নিজের যেকোন কাযক্রমগুলোই সেখানে পোস্ট করার জন্য্। তাহলে অ্যানগেজিংটা অনেক বাড়বে। তবে সবসময়ই বিজ্ঞাপনের বাইরেও সবার জন্য উপকারী কনটেন্ট অবশ্যই করার দিকে সচেতন থাকতে হবে।
  • যেসব পোস্টগুলো সবার জন্য কাজে লাগবে, সেই পোস্টগুলো অন্যগ্রপেও শেয়ার করুন। তাহলে এ ফেসবুক পেজটির লাইক বাড়তে থাকবে।
  • ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন। ভিডিও শেয়ার হয় প্রচুর। সেখান থেকেও অনেক লাইক বৃদ্ধি পাবে। মাসে একটি ভিডিও আপলোড করার পরিকল্পনা রাখলেই ভালই হবে।
  • মাসে একটি করে বিশেষ অফার দিতে পারেন। তবে সবসময় ব্যতিক্রম কিছু উদ্যোগ নিলে সেটি মানুষের নজরে খুব সহজে আসবে। এরকম ক্যাম্পেইন কমপক্ষে ৩মাসে একবার হলেও অবশ্যই করতে হবে । এটি আপনার ব্রান্ডিং কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিবে।
  • যদি লোকাল ব্যবসা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে অফলাইন বিভিন্ন উদ্যোগও অবশ্যই নিতে হবে। না হলে ব্রান্ডিং করা যাবেনা। গরীব কিংবা এতিমদের বিনামুল্যে ফ্রি ফল খাওয়ানোর উদ্যোগ, এরকম কিছু অফলাইন ক্যাম্পেইন ব্রান্ডিংয়ের কাজকে অনেক সহজ করে দিবে। নিজের মাথা থেকে ব্যতিক্রম কিছু এরকম উদ্যোগ নিতে পারেন।

অ্যানগেজমেন্ট এবং পেজের লাইক বৃদ্ধির আরও অনেক ধরনের উপায় বের করা যেতে পারে। এগুলো এখানে আর আলোচনা করলাম না।

৭ম ধাপঃ প্রোডাক্ট বিক্রির জন্য পেমেন্ট সিস্টেম): সবগুলো পেমেন্ট সিস্টেমের ব্যবস্থা করা না গেলেও চেষ্টা করতে পারেন জনপ্রিয় সকল পেমেন্ট সিস্টেমগুলোতে ক্লায়েন্টের পেমেন্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করা। বাংলাদেশের জন্য বিকাশ, ব্রাক ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক এই জনপ্রিয় পেমেন্ট গেটওয়েগুলোর মাধ্যমে পেমেন্টের ব্যবস্থা অবশ্যই রাখতে হবে।
সব লেনদেন যতটুকু সম্ভব স্বচ্ছ রাখার চেষ্টা করবেন। তাহলেই সবার মধ্যে ব্যবসা সম্পর্কে আস্থা তৈরি হবে। এবং ব্যবসা অনেক বড় হবে, এবং সেই সাথে টিকবেও অনেকদিন।

আশা করি, এখানে যেটুকু গাইডলাইন দিয়েছি, তা যে কারও জন্য ইকমার্স ব্যবসায়ী হতে সহায়তা করবে। ঘরে বসেই বিজনেস করে নিজের দারিদ্রতা দূর করতে পারবেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (16)
মোঃ কমর উদ্দিন ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৩:৪৪ পিএম says : 0
গাইড লাইনটি পড়ে ভালো লাগলো। আরো ভালো ভালো উপদেশ এবং সহযোগিতা করার জন্য আপনাদের প্রতি অনুরোধ রইলো। যাতে আমরা নবাগত আগ্রহীগণ সহজে আপনাদের মাধ্যমে এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করে কর্ম সংস্থান করতে পারি। ধন্যবাদ।
Total Reply(0)
shahin ২ এপ্রিল, ২০২০, ৬:২১ এএম says : 0
কাপড়ের ব্যবসা
Total Reply(0)
Saiful Islam Saif ১৯ এপ্রিল, ২০২০, ৮:২৩ পিএম says : 0
অসাধারণ পোস্ট ভায়া
Total Reply(0)
Saiful Islam Saif ১৯ এপ্রিল, ২০২০, ৮:২৩ পিএম says : 0
অসাধারণ পোস্ট ভায়া
Total Reply(0)
মোঃ শহীদুল ইসলাম ২ মে, ২০২০, ১১:৫৬ পিএম says : 0
অসাধারন লিখার জন্য ধন্যবাদ।
Total Reply(0)
Mahmud ১৮ জুন, ২০২০, ৪:৫৬ পিএম says : 0
সত্যি এটা সিখনিয়
Total Reply(0)
Sifatullah ৩ জুলাই, ২০২০, ৯:৪৩ এএম says : 0
খুবই ভাল। আরো বিস্তারিত জানতে চাই।
Total Reply(0)
Jesmin rose ৯ জুলাই, ২০২০, ৩:১৪ পিএম says : 0
অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ
Total Reply(0)
shahin Hossin ২ আগস্ট, ২০২০, ১:৩৯ পিএম says : 0
ফানিচারের ব্যাবসা
Total Reply(0)
shahin Hossin ২ আগস্ট, ২০২০, ১:৪০ পিএম says : 0
shahin
Total Reply(0)
shahin Hossin ২ আগস্ট, ২০২০, ১:৪০ পিএম says : 0
ভালো ব্যবসা
Total Reply(0)
Yeasin ২১ আগস্ট, ২০২০, ৯:০৯ এএম says : 0
অসাধারণ লেখেছেন, ধন্যবাদ। আরো কিছু জানতে চাই
Total Reply(0)
ইয়াছিন ২১ আগস্ট, ২০২০, ৯:০৮ এএম says : 0
অসাধারণ লেখেছেন, ধন্যবাদ। আরো কিছু জানতে চাই
Total Reply(0)
আহসান হাবিব হৃদয় ২৯ আগস্ট, ২০২০, ৯:২১ পিএম says : 0
খুবই উপকারী পোস্ট নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য। ব্যবসার জন্য পণ্য সিলেকশানের ব্যাপারে কিছু বললে হয়তো আরো ভালো হতো। অসংখ্য ধন্যবাদ মনের গভীরতা থেকে।
Total Reply(0)
আহসান হাবিব হৃদয় ২৯ আগস্ট, ২০২০, ৯:২১ পিএম says : 0
খুবই উপকারী পোস্ট নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য। ব্যবসার জন্য পণ্য সিলেকশানের ব্যাপারে কিছু বললে হয়তো আরো ভালো হতো। অসংখ্য ধন্যবাদ মনের গভীরতা থেকে।
Total Reply(0)
শান্তা ইসলাম ৩০ আগস্ট, ২০২০, ১০:৩৪ পিএম says : 0
ভাইয়া আপনার লেখা আমার মত নতুন উদ্যোগক্তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা পোস্ট।ধন‍্যবাদ আপনাকে।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন