ঢাকা, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ০৬ ভাদ্র ১৪২৬, ১৯ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

আন্তর্জাতিক সংবাদ

মিয়ানমারের সেনাপ্রধানসহ কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৮ জুলাই, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারে পূর্ব-পরিকল্পিত রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ শুরু হওয়ার প্রায় দুই বছর পর বর্মি সেনাবহিনীর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল রাখাইনে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিয়েছে ওয়াশিংটন। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এক বিবৃতিতে তার দেশের এমন সিদ্ধান্তের কথা জানান। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের স্থাপনায় অগ্নিসংযোগমাইক পম্পেও বলেন, বার্মার যেসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে; রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধনযজ্ঞ চলাকালে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডে তাদের ভূমিকা ছিল। এমন ভূমিকার জন্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাদের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে তারা হচ্ছেন মিয়ানমারের কমান্ডার ইন চিফ বা সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং, ডেপুটি কমান্ডার ইন চিফ সো উইন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থান ও, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অং আং এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পাবে না। এর মধ্য দিয়ে বর্মী সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য ব্যবস্থা নিলো যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৯ সালের মে মাসে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে সব ধরনের আর্থিক সম্পর্ক ছিন্নের আহ্বান জানায় দেশটিতে নিযুক্ত জাতিসংঘ মিশন। জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে মিয়ানমার কোনও ভূমিকাই পালন করেনি। জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের প্রধান মারজুকি দারুসম্যান জানায়, ‘পরিস্থিতি আগের মতোই আছে।’ জাতিসংঘ মিশনের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে সামরিক বাহিনী সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোর ওপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। আর মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায় চাপিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর। রয়টার্স।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন