ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১০ কার্তিক ১৪২৭, ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

খোলা যাবে পাব ও রেস্তোরাঁ

মহামারী শেষ হওয়ার পথে : অক্সফোর্ড বিজ্ঞানী

দ্য ইভনিং স্ট্যান্ডার্ড | প্রকাশের সময় : ২৩ মে, ২০২০, ১২:০৭ এএম


অক্সফোর্ডের এক বিজ্ঞানী মন্তব্য করেছেন যে, এই মুহূর্তে নিরাপদে পাব এবং রেস্তোরাঁগুলি আবার খুলে দেয়ার একটি প্রবল সুযোগ রয়েছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তাত্তি¡ক মহামারীবিদ্যার অধ্যাপক সুনেত্রা গুপ্ত করোনাভাইরাস লকডাউন থেকে ‘দ্রæত প্রস্থান’ করার আহŸান জানিয়ে বলেছেন যে, এর প্রাদুর্ভাব ইতিমধ্যে ‘চলে যাওয়ার পথে’।
আনহার্ড নামক এক ওয়েবসাইটকে তিনি জানিয়েছেন যে, আতিথেয়তা পরিষেবা শিল্পটি ভাইরাসের ২য় ধাক্কার ঝুঁকি না নিয়ে আবারো চালু করতে পারার জোরালো সুযোগ রয়েছে। করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের পর প্রথমবারের মতো আতিথেয়তা পরিষেবা শিল্প পুনরায় চালু হলে কীভাবে পাব এবং রেস্তরাঁগুলি পরিচালনা করা হতে পারে, সে বিষয়ে ওয়েবসাইটটিতে মতামত দেন তিনি।

সুনেত্রা বলেন, ‘অ্যান্টিবডি স্টাডিগুলি দরকারি হলেও এটি সংক্রমণের প্রকৃত স্তর বা প্রতিরোধের মাত্রা নির্দেশ করে না।’ তিনি বলেন, ‘প্রায় প্রতিটি প্রেক্ষাপটেই আমরা মহামারীকে বাড়তে, মুখ ফিরিয়ে নিতে এবং মারা যেতে দেখেছি; প্রায় ঘড়ির কাজের মতো।’

সুনেত্রা আরো বলেন, ‘নতুন রোগজীবাণুগুলির বিরুদ্ধে সুরক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকে লকডাউনের ভেতর থাকাটা সম্পূর্ণ জনগোষ্ঠীর অত্যন্ত বিপজ্জনক। আমরা ১শ’ বছর আগে কার্যত লকডাউনের কাছাকাছি অবস্থায় বসবাস করতাম এবং এবং এর ফলেই স্প্যানিশ ফ্লু বিস্তারের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল এবং ৫ কোটি মানুষ মারা গিয়েছিল।’
চলতি মাসের শুরুতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন জানিয়েছিলেন যে, কিছু আতিথেয়তা পরিষেবা সংস্থা সরকারের ৩য় পর্যায়ে লকডাউনের প্রথম দিকে, ৪ জুলাই থেকে আবার খুলতে সক্ষম হতে পারে। করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে গত মার্চ মাস থেকে পাব, রেস্তোরাঁ এবং হোটেলগুলি বন্ধ রয়েছে, যাদের বিপুল সংখ্যক কর্মী সরকারের বেতনসহ ছুটি বা ফার্লু স্কিম’র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বিজ্ঞানী মন্তব্য করেন যে, লকডাউন একটি বিলাসিতা যা মধ্যবিত্তরা উপভোগ করছেন। তিনি বলেন, ‘সত্য কথাটি হ›ল, লকডাউন একটি বিলাসীতা এবং এমন একটি বিলাসবোধ যা মধ্যবিত্তরা উপভোগ করছেন এবং উচ্চ আয়ের দেশগুলি দরিদ্র, দুর্বল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলির বলি চড়িয়ে উপভোগ করছে।’
সুনেত্রা মন্তব্য করেছেন যে, আর-রেট বা সংক্রমণের হার লকডাউনের বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পক্ষে কার্যকর অস্ত্র নয়। কারণ এহারটি মূলত কত লোকের প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে, তার উপর নির্ভরশীল।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন