ঢাকা মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ০৮ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

দক্ষিণ চীন সাগরে বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৫ জুলাই, ২০২০, ১২:০২ এএম

শিগগিরই দক্ষিণ চীন সাগরে দুইটি বিমানবাহী জাহাজ ও বেশ কয়েকটি যুদ্ধ জাহাজ পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন নৌবাহিনীকে উদ্ধৃত করে স¤প্রচারমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, সামরিক মহড়ায় অংশ নিতে জাহাজগুলোকে ওই এলাকায় পাঠানো হবে। প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ এলাকায় চীনের সামরিক মহড়া নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই ঘোষণা দিলো মার্কিন নৌবাহিনী। অবশ্য তারা দাবি করছে, এই সামরিক সমাবেশের পেছনে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। দক্ষিণ চীন সাগরের প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ এলাকায় গত ১ জুলাই শুরু হওয়া চীনের সামরিক মহড়া আগামী ৫ জুলাই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন ইতোমধ্যেই এ ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে। চীন সাগরে দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের মধ্যে সামরিক মহড়া পরিচালনার পরিকল্পনা করে আসছে মার্কিন নৌবাহিনী। তবে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে তারা জানিয়েছে, শিগগিরই ওই মহড়া শুরু হতে যাচ্ছে। ফিলিপাইন সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরে ইউএসএ নিমিৎজ ও ইউএসএস রোনাল্ড রিগ্যান ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ যৌথভাবে মহড়া চালাবে। সেভেনথ ফ্লিটের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জোয়ে জেইলি বলেন, ‘ফিলিপাইন সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরে দুইটি ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপের মহড়ার মধ্য দিয়ে আমাদের বাহিনীগুলো অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ লাভের সুযোগ পেয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কিংবা বিশ্বের ঘটনাবরীকে কেন্দ্র করে এ জাহাজগুলো পাঠানো হচ্ছে না। বরং ইন্দো-প্যাসিফিক এলাকায় নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, ও সমৃদ্ধি রক্ষায় মার্কিন নৌবাহিনী যেসব অত্যাধুনিক সক্ষমতা ব্যবহার করে এটি তারই একটি।’ মৎস্য সম্পদসহ খনিজ আহরণের গুরুত্বপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগর দিয়ে বছরে প্রায় ৫ লাখ কোটি ডলারের পণ্য পরিবহন হয়ে থাকে। পুরো সমুদ্রপথকে নিজেদের অঞ্চল বলে দাবি করে চীন। তবে আরও কয়েকটি দেশও ওই অঞ্চলের ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করে। দেশগুলো হচ্ছে মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, তাইওয়ান, ফিলিপাইন ও ভিয়েতনাম। যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ওই অঞ্চলের দাবি না করলেও আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথ হিসেবে ওই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি ধরে রাখতে চায় তারা। এর অংশ হিসেবেই এ সাগরে চীনের চলমান মহড়ায় ফিলিপাইন ও ভিয়েতনামের আপত্তির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ওয়াশিংটন। সিএনএন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন