ঢাকা, শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২০, ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৬ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা - আসলাম চৌধুরীর ৭ দিন রিমান্ড

প্রকাশের সময় : ১ জুন, ২০১৬, ১২:০০ এএম

কোর্ট রিপোর্টার : রাজধানীর গুলশান থানায় করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীকে সাত দিন রিমান্ডে নেওয়ার অনুমাতি দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম গোলাম নবী আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। এসময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু, তাপস কুমার পাল রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশকে জঙ্গি রাষ্ট্র বানানোর প্রচেষ্টায় নানা ধরনের নাশকতামূলক কার্যক্রম, ষড়যন্ত্রমূলক হত্যা ও বোমাবাজির সঙ্গে আসামি আসলাম চৌধুরীর যোগসূত্র রয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
অন্যদিকে রিমান্ডের বিরোধিতা করে আসলাম চৌধুরীর আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া, ইকবাল হোসেন ও তাহেরুল ইসরাম তৌহিদ আদালতকে বলেন, কেবল পত্রিকায় প্রকাশিত একটি ছবির ওপর ভিত্তি করে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা আইনের অপব্যাবহার। ব্যবসায়ী আসলাম চৌধুরীর দাওয়াত পেয়ে ভারতের এক অনুষ্ঠানে গেলে সেখানে ইসরায়েলের লিকুদ পার্টির ওই নেতার সঙ্গে তার দেখা হয়। তাদের মধ্যে রাষ্ট্রদ্রোহমূলক কী কথা হয়েছিল তা তো রাষ্ট্রপক্ষ এখানে বলতে পারছে না।
এদিকে মতিঝিল ও লালবাগ থানার নাশকতার দুই মামলায় দশ দিন করে মোট ২০ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানীর জন্য আগামী ৬ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
এরআগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হচ্ছিল, সম্প্রতি ইসরায়েলের ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির নেতা মেন্দি এন সাফাদির সঙ্গে নয়াদিল্লিতে একাধিক বৈঠক করেন আসলাম চৌধুরী। ষড়যন্ত্র করে বাংলাদেশের সরকার উৎখাত করাই ছিল এসব বৈঠকের উদ্দেশ্য। গলায় ফুলের মালা পরা অবস্থায় সাফাদি ও আসলাম চৌধুরীর একত্রে ছবি প্রকাশিত হয়েছে গণমাধ্যমে।
গণমাধ্যমে এসব বৈঠকের ছবি ও খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও সরকারি দলের নেতারা এটাকে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিএনপির সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র বলে আখ্যা দেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন