ঢাকা, বুধবার, ২৭ মে ২০২০, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৩ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

নবাব সিরাজউদ্দৌলার আজ ২৬২তম মৃত্যুবার্ষিকী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৩ জুলাই, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব মীর্জা মুহম্মদ সিরাজউদ্দৌলার ২৬২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বুধবার। পলাশির যুদ্ধে পরাজয় অতঃপর গ্রেফতারের পর ১৭৫৭ সালের ৩ জুলাই মীর জাফরের পুত্র মীর সাদিক আলী খান মীরনের নির্দেশে মোহাম্মদী বেগ কারাগারেই সিরাজউদ্দৌলাকে নির্মমভাবে হত্যা করেন। অস্তমিত হয় বাংলার সূর্য। হত্যার পর নবাবের রক্তাক্ত লাশ হাতির পিঠে করে মুর্শিদাবাদ শহর প্রদক্ষিণ করা হয়। ১৭৩৩ সালে বিহারে জন্ম নেয়া সিরাজউদ্দৌলার খুনি মুহাম্মদী বেগকে লালনপালন করেন আলীবর্দী খানের স্ত্রী শরফুন্নেসা। তিনিই নবাবকে খুন করেন।

এর আগে মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় ২৩ জুন সিরাজউদ্দৌলা লুটেরা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পলাশির প্রান্তরে যুদ্ধে পরাজিত হন। পশ্চিমবঙ্গের পলাশী প্রান্তরে আম্রকাননে নবাবের সেনাপতি মীর জাফর আলী খান, রাজবল্লভ, শওকত জঙদের মুনাফিকির কারণে নবাবের বাহিনীর পরাজয় ঘটে। এই পরাজয়ে মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয়। বাংলাসহ ভারত উপমহাদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর নামে বর্বর লুটেরা ইংরেজ শক্তির অভ্যূদয় ঘটে।

পলাশির পরাজয়ের পর নবাব সিরাজউদ্দৌলা নৌকায় করে পরিবার (স্ত্রী-কন্যা) নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ৩০ জুন ধরা পড়েন। তাকে মুর্শিদাবাদে এনে কারাগারে রাখা হয়। তাকে হত্যা করে দেহ খন্ড-বিখন্ড করে মুর্শিদাবাদের রাজপথে প্রদর্শন করা হয়। নবাব পরিবারের মহিলাদের বন্দি করে ঢাকার জিঞ্জিরায় পাঠিয়ে দেয়া হয়। ঢাকার কেরানীগঞ্জেই নবাব পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘদিন কারারুদ্ধ করে রাখা হয়।

ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, সিরাজের পিতা জঈন উদ্দীন ছিলেন বিহারের শাসনকর্তা। মা আমেনা বেগম। ১৭৫৭ সালের এপ্রিল মাসে তিনি নানা (মাতামহ) আলবর্দী খানের স্থলাভিষিক্ত হন। ১৭৫২ সালের মে মাসে আলীবর্দী খান সিরাজউদ্দৌলাকে তার উত্তরাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেন। আলীবর্দী খান ১৭৫৬ সালের ১০ এপ্রিল ৮০ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। নানার ইন্তিকালের পরই বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার শাসনভার গ্রহণ করেন তরুণ নবাব সিরাজউদ্দৌলা।

খালা ঘষেটি বেগমের কূটচালে তরুণ নবাবের বিরুদ্ধে চক্রান্তের জাল বিছানো ছিল চারদিকে। ১৪ মাস ১৪ দিনের নবাবীকালে সিরাজউদ্দৌলা নিশ্চিন্তে বিশ্রাম নেয়ার সময় পর্যন্ত পাননি। চক্রান্তে হাবুডুবু খেলেও তরুণ নবাব সিরাজ পুর্নিয়া জেলা থেকে কলিকাতা হয়ে মুর্শিদাবাদ পর্যন্ত হাজার হাজার কিলোমিটার পথ ঘোড়া ছুটিয়েছেন। মসনদ ঠিক রাখতে ৫টি যুদ্ধে অংশ নিয়ে হয়েছে।

পলাশীর প্রান্তরে বাংলার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল ১৭৫৭ সালে। অতঃপর ১৯০ বছর ইংরেজদের দখলে ছিল ভারতবর্ষ। পলাশির যুদ্ধে এক পর্যায়ে বিশ্বাসঘাতক মীর জাফরের ইন্ধনে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর কর্তা রবার্ট ক্লাইভ য্দ্ধুরত তিন হাজার ইংরেজ ও দেশীয়, মাদ্রাজি সৈন্য নিয়ে আম্রকাননে শিবির স্থাপন করেন। এ সময় তাদের কাছে ছিল মাত্র ৯টি কামান। অন্যদিকে বিশ্বাসঘাতক প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের পরামর্শে সিরাজ নিজের দেহরক্ষী সেনা নিয়ে পলাশী থেকে প্রাসাদে আসেন। এই সুযোগে মীর জাফর নবাবের পক্ষে যুদ্ধরত সেনাদের যুদ্ধ স্থগিত রেখে শিবিরে প্রত্যাবর্তন করার আদেশ দেন। শিবিরে ফেরার পথে ইংরেজদের কামানের গোলায় অনেক নবাব সেনা হতাহত হয়। মূলত সিরাজউদ্দৌলা ইংরেজদের কলকাতাস্থ ‘কাশিমবাজার কুঠির ষড়যন্ত্র’ ব্যাপারে মনোযোগী হন। ষড়যন্ত্র হাতেনাতে ধরতে ১৭৫৬ সালের ২৯ মে কাশিমবাজার কুঠি অবরোধ করেন। ফলে ইংরেজরা নবাবের হাতে যুদ্ধাস্ত্র তুলে দিয়ে মুচলেকার মাধ্যমে এ যাত্রায় মুক্তি পায়। এ ঘটনার পর ইংরেজরা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মীরজাফরকে মসনদে বসানোর চূড়ান্ত পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনায় আরো যোগ দেন ঘষেটি বেগম, মীরজাফরের পুত্র মীরন, জামাতা মীর কাশিম, রাজা রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ, রাজা রাজবল্লভ, মীর খোদা ইয়ার খান লতিফ প্রমুখ। এ নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে ১৭৫৭ সালের ৫ জুন মীর জাফরের একটি গোপন চুক্তি সম্পাদিত হয়। ওই চুক্তির ফসল ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধ। চুক্তি সম্পাদনের পরই রবার্ট ক্লাইভ পলাশীর প্রান্তরে সৈন্য সমাবেশ ঘটান। সিরাজউদ্দৌলাও তার সেনাবাহিনী নিয়ে অগ্রসর হন। কিন্তু এ সময় মীর মদনের পরামর্শ উপেক্ষা করে কোরআন শরিফে হাত রেখে শপথের বিনিময়ে মীরজাফরকে পূর্বপদে বহাল করেন। ইংরেজদের সঙ্গে গোপন চুক্তির বিষয়ে সিরাজউদ্দৌলা অবগত হলেও মীরজাফরের অনুগত সেনাদের সংখ্যা ও যুদ্ধাস্ত্রের পরিমাণ বিবেচনা করে তার বিরুদ্ধে তিনি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। এর ফলে সবচেয়ে মূল্যবান মুহূর্তে সিরাজউদ্দৌলা সাহসিকতার পরিচয় দিতে ব্যর্থ হন। মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হন। প্রথম দিকে কামানের গোলার আঘাতে সেনা নায়ক মীর মদন শহীদ হন। ইংরেজের অতর্কিত আক্রমণের পাল্টা জবাব দেয়ার নির্দেশ দেয়নি চক্রান্তকারী মীর জাফর। এই যুদ্ধে ইংরেজের ২২ জন নিহত ও ৫০ জন আহত হয়। আর নবাবের পক্ষে যুদ্ধরত ৫শ’ সেনা প্রাণ হারান। এই চক্রান্তের যুদ্ধে জয়ের পর ক্লাইভ কলিকাতার দক্ষিণে বার্ষিক ৩০ হাজার পাউন্ড আয়ের একটি জমিদারি ও জায়গীর লাভ করেন। তবে পলাশীর যুদ্ধে যারা নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে ইংরেজদের জিতিয়ে দেন পরবর্তীতে তাদের সকলের মৃত্যু হয়েছে অস্বাভাবিক এবং করুণভাবে। নবাব সিরাজের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতির সংগঠন কর্মসূচি পালন করবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (29)
Moyen Uddin ৩ জুলাই, ২০১৯, ৩:২০ এএম says : 0
Inna llillahe wa inna elaihe rajeoun, Amen yeah Allah perdon him from the past Sinn and grand him in the Jannah tul Ferdaus In Shaa Allah
Total Reply(0)
Shah Alom ৩ জুলাই, ২০১৯, ৩:২০ এএম says : 0
আল্লাহ তাকে জান্নাত বাসি করুক। আমিন
Total Reply(0)
Mahabubur Rahman ৩ জুলাই, ২০১৯, ৩:২১ এএম says : 0
আল্লাহ,, তোমি নবাবকে জান্নাত দান কর,,, আর, আমাদের কে,, চক্রান্তকারির চক্রান্ত হতে হেফাজত কর,, হারিয়ে যাওয়া সেই দিন গোলি ফিরিয়ে দাও,,,। আল্লাহু আমিন,,,,।
Total Reply(0)
Mir Irfan Hossain ৩ জুলাই, ২০১৯, ৩:২১ এএম says : 0
আধিপত্য আমাদের ছাড়ছে না। ইংরেজ, পাকিস্তান, ভারত।
Total Reply(0)
Mamun ৩ জুলাই, ২০১৯, ৩:২৪ এএম says : 0
অতীত থেকে আমাদেরকে অনেক শিক্ষা নিতে হবে।
Total Reply(0)
Md Jamal Sikdar Md. Jamal Sikdar ৩ জুলাই, ২০১৯, ২:০৭ পিএম says : 0
বাংলার নবাব সিরাজউদৌল্লহ সাধিন রাষ্ট করার জন্য পরাদিন থেকে ভারতবষ ব্রিটিশ থেকে যুদ্দ করা কিন্তু মীরজাফর মীরকাশেম রা পরাজিতো মুখে ঠেলে দিয়েছে আমরা রাঙ্গালী রা গৃভত বীর যদ্দা সিরাজউদৌল্লহ মতো সহসী পুরুশ পেয়েছি
Total Reply(0)
shohag mozumder ৩ জুলাই, ২০১৯, ৫:৩৬ পিএম says : 0
He is elegible for the post of samrat not Nabab. He was immatured and prey family harrasement.
Total Reply(0)
তানভীরআহমেদ ৩ জুলাই, ২০১৯, ৫:৪৯ পিএম says : 0
নতুন প্রজন্ম কালের বিবর্তনে এক সময় নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে ভুলে যাবেন নিশ্চিত, কারন তাকে কেন্দ্র করে নতুন পাঠ্যবইতে তেমন কোনো আলোচনা নেই, নাই কোনো সভা, সেমিনার সিম্পোজিয়াম, পাঠ্যপুস্তকে স্হান পেয়েছে অপ্রয়োজনীয় গল্প, যা পড়লে আমাদের দেশের সামাজিক রাজনৈতিক পেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের মনে কোন প্রভাব বিস্তার বিস্তার করেনা ,
Total Reply(0)
Jafariqbal rafiqulislam ৫ জুলাই, ২০১৯, ৮:৩৭ পিএম says : 0
Thank you
Total Reply(0)
Mohammed Kowaj Ali khan ৭ জুলাই, ২০১৯, ৫:৪৩ এএম says : 0
যুদ্ধের ময়দান বড় ভয়াবহ হয়, আমরা মুক্তি যুদ্বারা পালাইয়া যাই নাই করি নাই আত্বসমরপণ। সিরাজ উদ দৌলার বড় ভূল এবং অন্যায় নিজে যুদ্বের ময়দানে না থাকা।
Total Reply(0)
AbdurRahman ৮ জুলাই, ২০১৯, ১২:৫২ পিএম says : 0
আজ বাংলার শেষনবাব সিরাজুলদোললা বিনম্র শ্রদধা, সারসত সালাম।
Total Reply(0)
রাশেদ আহমেদ বুল বুল ১১ জুলাই, ২০১৯, ১২:৩২ পিএম says : 0
নবাব কে আল্লাহ বেহেস্ত নচিব করবেন এ দোয়া করি অন্যদিকে বিশ্বাসঘাতককেরা দুনিয়া ও পর কালে লাঞ্ছিত হৌক...
Total Reply(0)
SHA EMRAN MONJU ১৩ জুলাই, ২০১৯, ২:৫৯ পিএম says : 0
আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুক
Total Reply(0)
ইব্রাহিম হোসেন ১৫ জুলাই, ২০১৯, ৮:৫৭ এএম says : 0
আল্লাহ! তুমি তাকে মানে নবাব সিরাজ উদ্দৌলা কে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন।। আমিন।
Total Reply(0)
b,a ruhul amin ২১ জুলাই, ২০১৯, ১২:২১ এএম says : 0
ritgh
Total Reply(0)
b,a ruhul amin ২১ জুলাই, ২০১৯, ১২:২১ এএম says : 0
ritgh
Total Reply(0)
Reba Nargis ২৮ জুলাই, ২০১৯, ২:১৫ পিএম says : 0
আমরা ১৯৭৫এর ১৫ইআগস্ট মিরজাফরদের দেখেছি আমাদের এই স্বাধীন দেশে এখনো মির জাফরা আছে !! তাই সাবধান হতে হবে অনেক বেশি।
Total Reply(0)
Belayet Hossain ৯ আগস্ট, ২০১৯, ১২:১৩ এএম says : 0
বাংলা, বিহার ও উঠিষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব মীর্জা মুহাম্মাদ সিরাজুদ্দৌলার ২৬২তম মৃত্যু বার্ষিকী। ১৬ কোটি বাংলাদেশীর কয় হাজার মানুষ মনে রেখেছেন এই বীর যোদ্ধাকে। কতজন চাইছেন পশ্চিম বঙ্গ সহ বিহার ও উড়িষ্যা আমাদেরই। কিন্তু মোদি ও অমিত শাহারা ঠিকই একটি স্বাধীন দেশকে ধীরে ধীরে তাদের করে নিলো। ইতিহাস পড়ে যতটুকু মনে আছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীই বাংলা বিহার ও উড়িষ্যাকে এক করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। বিনম্র শ্রদ্ধা ও আত্বার মাগফেরাত কামনা করছি স্বাধীনতার শেষ সূর্য মরহুম নবাব মির্জা মুহাম্মাদ সিরাজউদ্দৌলার রুহের। মহান আল্লাহ উনাকে জান্নাতে শহীদের পাশে স্থান দান করুন। আমীন।
Total Reply(0)
Belayet Hossain ৯ আগস্ট, ২০১৯, ১২:১৩ এএম says : 0
বাংলা, বিহার ও উঠিষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব মীর্জা মুহাম্মাদ সিরাজুদ্দৌলার ২৬২তম মৃত্যু বার্ষিকী। ১৬ কোটি বাংলাদেশীর কয় হাজার মানুষ মনে রেখেছেন এই বীর যোদ্ধাকে। কতজন চাইছেন পশ্চিম বঙ্গ সহ বিহার ও উড়িষ্যা আমাদেরই। কিন্তু মোদি ও অমিত শাহারা ঠিকই একটি স্বাধীন দেশকে ধীরে ধীরে তাদের করে নিলো। ইতিহাস পড়ে যতটুকু মনে আছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীই বাংলা বিহার ও উড়িষ্যাকে এক করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। বিনম্র শ্রদ্ধা ও আত্বার মাগফেরাত কামনা করছি স্বাধীনতার শেষ সূর্য মরহুম নবাব মির্জা মুহাম্মাদ সিরাজউদ্দৌলার রুহের। মহান আল্লাহ উনাকে জান্নাতে শহীদের পাশে স্থান দান করুন। আমীন।
Total Reply(0)
Abdul Alim ১০ আগস্ট, ২০১৯, ৭:১৩ পিএম says : 0
যুগে যুগে নবাবরা মার খেয়েছে,এখনো খাচ্ছে। কিন্তুু মীর জাফররা আজো বহাল তব্যিয়তে আছে। তবে বাঙ্গালীকে কখনই বেশীদিন দাবিয়ে রাখা যায়নি, যাবে না। মহান আল্লাহ নবাবকে শহীদের মর্যদা দান করুন-(আমিন)।
Total Reply(0)
Md Sayem ১৪ আগস্ট, ২০১৯, ৭:৪৫ পিএম says : 0
আল্লাহ সোবহান আল্লাহ তায়ালা,এই মহান নেতা কে বেহেস্ত নসীব করুন। আমাদের স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়। তার মৃত্যুর মাধ্যমে। হে আল্লাহ এই বাংলার স্বাধীনতা কেয়ামত পর্যন্ত টিকিয়ে রাখুন। এবং ষড়যন্ত্র কারীদের সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিন। আমিন।
Total Reply(0)
Md Sayem ১৪ আগস্ট, ২০১৯, ৭:৪৫ পিএম says : 0
আল্লাহ সোবহান আল্লাহ তায়ালা,এই মহান নেতা কে বেহেস্ত নসীব করুন। আমাদের স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়। তার মৃত্যুর মাধ্যমে। হে আল্লাহ এই বাংলার স্বাধীনতা কেয়ামত পর্যন্ত টিকিয়ে রাখুন। এবং ষড়যন্ত্র কারীদের সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিন। আমিন।
Total Reply(0)
abdur rob ১৮ আগস্ট, ২০১৯, ৯:০৬ এএম says : 0
আল্লাহ সোবহান আল্লাহ তায়ালা,এই মহান নেতা কে বেহেস্ত নসীব করুন। ষড়যন্ত্র কারীদের সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিন। আমিন।
Total Reply(0)
Mijanur Rahman ১৯ আগস্ট, ২০১৯, ৮:১১ পিএম says : 0
বিস্বাস ঘাতকতার জন্য বাংলা আজ নিযাতিত।
Total Reply(0)
Mijanur Rahman ১৯ আগস্ট, ২০১৯, ৮:১৩ পিএম says : 0
বিস্বাস ঘাতকতার জন্য বাংলা আজ নিযাতিত।
Total Reply(0)
আজিজুল হক বাহার ২০ আগস্ট, ২০১৯, ২:৪৬ পিএম says : 0
ইতিহাস বলছে বাংলা,বিহার,উড়িষ্যা বাঙ্গালীদের ছিল। মিরজাফর আলীর ষড়যন্ত্রে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজদ্দৌলার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২০০ বছরের জন্য পরাধীন হয়ে যায়। ১৯৭১এ আবার সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলার এক অংশ(পূর্ব বাংলা) উদ্ধার হলেও বাকি অংশ(পশ্চিমবঙ্গ,বিহার,উড়িষ্যা)এখনও পরাধীনতামুক্ত হয়নি। বভিয্যত প্রজন্ম অবশ্যই বাকি অংশ উদ্ধার করে অখণ্ড বাংলাদেশ গঠন করবে। কোন ষড়যন্ত্রই বীরবাঙ্গালীকে দাবায়ে রাখতে পারবেনা ইনশাল্লাহ।
Total Reply(0)
আজিজুল হক বাহার ২০ আগস্ট, ২০১৯, ২:৪৬ পিএম says : 0
ইতিহাস বলছে বাংলা,বিহার,উড়িষ্যা বাঙ্গালীদের ছিল। মিরজাফর আলীর ষড়যন্ত্রে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজদ্দৌলার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২০০ বছরের জন্য পরাধীন হয়ে যায়। ১৯৭১এ আবার সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলার এক অংশ(পূর্ব বাংলা) উদ্ধার হলেও বাকি অংশ(পশ্চিমবঙ্গ,বিহার,উড়িষ্যা)এখনও পরাধীনতামুক্ত হয়নি। বভিয্যত প্রজন্ম অবশ্যই বাকি অংশ উদ্ধার করে অখণ্ড বাংলাদেশ গঠন করবে। কোন ষড়যন্ত্রই বীরবাঙ্গালীকে দাবায়ে রাখতে পারবেনা ইনশাল্লাহ।
Total Reply(0)
Md.Raju ahmed ২৩ আগস্ট, ২০১৯, ৩:২৫ পিএম says : 0
আল্লাহ তাকে মাফ করুন, আমিন।
Total Reply(0)
দ্বীন ইসলাম ২৮ আগস্ট, ২০১৯, ১০:৩৬ পিএম says : 0
এখনও মীর জাফর ও মুনাফেকের অভাব নাই তাই চতুরতার সাথে চলতে হবে
Total Reply(0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন