ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ১০ আষাঢ় ১৪২৮, ১২ যিলক্বদ ১৪৪২ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

সউদীতে নারী কর্মী পাঠানো বন্ধ করবে না সরকার -সাংবাদিকদের পররাষ্ট্র মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১ নভেম্বর, ২০১৯, ২:২২ এএম


 গতকাল বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সউদী ফেরত আসা নারী কর্মী ও দেশটি মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য নয় জানিয়ে বলছেন, সউদী আরবে নারী কর্মী পাঠানো বন্ধ করার পরিকল্পনা নেই।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, নারীদের আমরা পেছনে ফেলে রাখতে চাই না। আমরা বৈষম্য করতে চাই না। নারীরা সউদী আরব যেতে চাইলে আমরা বাধা দিতে চাই না। কারণ, আমাদের দেশে নারী পুরুষ সমান। প্রধানমন্ত্রী নারীদের যেভাবে উৎসাহ দিয়েছেন, তাদের আমরা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে রাখতে চাই না।

সউদীতে কাজ করতে গিয়ে নারীরা ধর্ষিত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, অন্দরমহলে কাজ করেন তারা সেখানে যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে তখন তারা অভিযোগ করলে আমরা সউদী সরকারকে জানাই। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। কিন্তু অনেক সময় অভিযোগটা সেখানে তারা বলে না।
ড. মোমেন বলেন, সউদী আরবে আমাদের অনেক লোক গেছে। কিছু কিছু লোক নির্যাতিত হচ্ছে। তাদের জন্য আমরা হাউজিংয়ের (সেইফ হাউস) ব্যবস্থা করেছি। কিছু কিছু ফেরতও এনেছি।

নারী নির্যাতন বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব যদি হয় আমরা সউদী সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করবো, তারা আইনগত ব্যবস্থা নেবে। অনেক সময় এসব তথ্য সেদেশে থাকতে পাওয়া যায় না। কর্মীরা দেশে ফিরে অভিযোগ করেন।
অভিযোগ করার মতো সুযোগ সেখানে থাকে না সাংবাদিকদের এমন কথার প্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, এ তথ্য সত্য নয়। সেখানে আমাদের সেইফ হোম আছে, দূতাবাসের কর্মকর্তারা আছেন।

কিছু নারী ভিক্টিমাইজ হচ্ছে শিকার করে ড. মোমেন বলেন, সেসব অভিযোগ পাওয়ার প্রেক্ষিতে আমরা সউদী সরকারকে জানাচ্ছি। তারা ব্যবস্থা নিচ্ছে। এজন্যই তো নারীরা চুক্তি শেষ হওয়ার আগে দেশে ফিরতে পারছে। অন্যথায় চুক্তি শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেশে ফিরতে পারতো না।
তিনি বলেন, তারাও (সউদী) স্বীকার করেছে, কিছু কিছু ভিক্টিমাইজ হচ্ছে। ব্যক্তি বিশেষের কারণে হচ্ছে। সরকার তো তাদের ভিকটিম বানাচ্ছে না।

সউদীতে মারা যাওয়া কর্মীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে চ্যালেঞ্জ করা হয় কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, কীভাবে আপনারা জানেন চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। যেকোনো কর্মী মারা গেলে সাথে সাথে আমরা সউদী সরকারকে জানাই। আমাদের কী পাবলিককে এসে বলতে হবে যে, আমরা চ্যালেঞ্জ করেছি? না, আমরা এভাবে বলি না!

তিনি বলেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের প্রায় ১ কোটি ২২ লাখ প্রবাসী আছে। এদের অনেকের মৃত্যু হয়। দেশে থাকলেও তো মৃত্যু হয়। ১ কোটি ২২ লাখের ১ শতাংশ মারা গেলেও ১১ হাজার হয়। স্বাভাবিকভাবেও অনেকে মারা যান।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (2)
Yourchoice51 ১ নভেম্বর, ২০১৯, ৩:৪৬ এএম says : 0
অনেক বছর আগে আমার এক বিদেশী মহিলা প্রফেসর কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন যে, সকালে আর সন্ধ্যায় তিনি নিয়মিত বাইরে হাঁটতে যান। তিনি যে এলাকায় থাকতেন, সেখানে কখনো-কখনো মহিলারা দুষ্কৃতিদের পাল্লায় পড়তেন। আমি তাকে বললাম, নিয়মিত? তিনি বললেন," হাঁ, নিয়মিতই। আমি কাউকে ভয় করি না; এমনকি আমাকে কেউ ধর্ষণ করলেও আমি ঘরে বসে থাকবো না।" আশা করি আমার উক্ত প্রফেসরের মতো মানসিকতাসম্পন্ন মহিলারা নির্ভয়ে আরবদেশগুলোতে গৃহপরিচারিকা হিসেবে যেতে পারেন।
Total Reply(0)
Md amran Hossain ১ নভেম্বর, ২০১৯, ১০:৪৪ পিএম says : 0
ড.সাহেব আপনি আপনার বোনকে পাঠান স্ত্রী কে পাঠান দেখাযাবে তখন কেমন লাগবে কারণ আপনি যেনেও তাদের কে পাঠাচ্ছেন যে সেখানে কিহয় আর না হয় কাপড ধোয়ার নামে ধর্ষন আর নির্যাতন হয় এপর্যন্তকি আপনি কারও বিচার করেছেন??? লজ্জাথাকা উচিৎ
Total Reply(0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন