সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৩ মাঘ ১৪২৯, ১৪ রজব ১৪৪৪ হিজিরী

ইসলামী বিশ্ব

আফগানিস্তানে হতাহতের সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়েছে : যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশের সময় : ১১ জুলাই, ২০১৬, ১২:০০ এএম

ইনকিলাব ডেস্ক : তালিবানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নিয়োজিত আফগান নিরাপত্তা বাহিনীতে চলতি বছর হতাহতের সংখ্যা আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে আফগান যুদ্ধের মার্কিন কমান্ডার জানিয়েছে। তিনি বলেন, আগের বছরও, অর্থাৎ ২০১৫ সালেও দেশটিতে মাঠপর্যায়ে যুদ্ধ কিংবা হামলায় অসংখ্য পুলিশ ও সৈনিক প্রাণ হারায়। অপর এক খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আফগানিস্তানে চলমান সংঘর্ষে সামরিক-বেসামরিক মানুষের হতাহতের সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়েছে। দেশটিতে নিযুক্ত মার্কিন সেনা কমান্ডার জেনারেল জন নিকলসন জানিয়েছেন এ বছরটিতে হতাহতের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। যদিও তিনি এই সংখ্যাটি উল্লেখ করেননি। তবে অপর এটি সংস্থার এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই সংখ্যা এই সংখ্যা ১১ হাজার পেরিয়ে গেছে, যা আগের বছরের তুলনায় চার শতাংশ বেশি। ওদিকে, আফগানিস্তানে জাতিসংঘের সহকারী মিশন (উনামা) তাদের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১৫ সালে আফগানিস্তানে চলমান সংঘর্ষে বেসামরিক মানুষের হতাহতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজারে। এর মধ্যে নিহতের সংখ্যা তিন হাজার পাঁচশ ৪৫ ও আহতের সংখ্যা সাত হাজার চারশ ৫৭। এই সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় চার শতাংশ বেশি। আর হতাহতের ঘটনার প্রতি চারটির একটিতেই শিকার হয়েছে শিশু। উনামা আরও বলছে, আগের বছরের তুলনায় নিহতের সংখ্যা ১৫৬ জন কম। তবে এ সময়ে মারাত্মকভাবে আহতের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। তাছাড়া নারীদের হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে ৩৭ শতাংশ এবং শিশুদের হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে ১৪ শতাংশ। ২০০৯ সাল থেকে জাতিসংঘ আফগানিস্তান সংঘর্ষে হতাহতের রেকর্ড রাখতে শুরু করেছে। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত গত বছরেই হতাহতের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি। জনবহুল এলাকায় ও এর আশপাশে স্থলযুদ্ধ, আত্মঘাতী বোমা হামলা ও অন্যান্য আক্রমণকে এসব ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়েছে জাতিসংঘের এ প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের সরকারবিরোধী গোষ্ঠীগুলো মূলত বেসামরিক ব্যক্তিদের লক্ষ্য করেই হামলাগুলো চালাচ্ছে। তাছাড়া ন্যাটোসহ সরকার সমর্থিত বাহিনীর কারণে হতাহতের সংখ্যাও ২০১৪ সালের তুলনায় ৪২ শতাংশ বেড়েছে বলে জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে। সরকার সমর্থিত সশস্ত্রবাহিনী কর্তৃক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর রেকর্ডও তারা রাখছে। এসব ঘটনার মধ্যে ইচ্ছাকৃত হত্যা, নির্যাতন থেকে শুরু করে চাঁদাবাজি, হুমকি ও চুরিও রয়েছে। এদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান এসব আক্রমণকে পাশবিক ও নীতিহীন বলে অভিহিত করেছেন এবং এগুলোকে আন্তর্জাতিক আইনে নিষিদ্ধ বলেও জানিয়েছেন। বিবিসি, রয়টার্স।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন