ঢাকা, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২০, ২০ আষাঢ় ১৪২৭, ১২ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

তিব্বতকে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি দিতে মার্কিন কংগ্রেসে বিল

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৮ মে, ২০২০, ৫:০২ পিএম

বাণিজ‌্য যুদ্ধ দিয়ে শুরু হয়ে করোনা আবহে তা তীব্র হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-চীন টানাপোড়েন। এরপর তাইওয়ান, হংকং নিয়ে সম্পর্কের আরও অবনতি হয়েছে। এবার বিতর্কিত তিব্বতকে স্বাধীন দেশ হিসাবে স্বীকৃতি দিতে মার্কিন কংগ্রেসে বিল উপস্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে সম্ভবত চীনের সাথে বিরোধকে চরম সীমায় নিয়ে গেল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।

মার্কিন কংগ্রেসে এই বিল উপস্থাপন করেছেন সদস‌্য স্কট পেরি। যা পাশ হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চিনের অধীনে থাকা স্বায়ত্তশাসিত তিব্বতকে ‘স্বাধীন দেশ’ হিসাবে স্বীকৃতি দেয়ার ক্ষমতা হাতে পাবেন। উল্লেখ‌্য, চীন কোনওদিনই তিব্বতের আলাদা অস্তিত্ব স্বীকার করে না। কখনও চীন সরাসরি, কখনও ব্রিটিশরা তিব্বতের উপর পরোক্ষে প্রভুত্ব করেছে। কিন্তু সেটা ঔপনিবেশিক যুগে। ১৯১২ সালে ত্রয়োদশ দলাই লামা শেষবার তিব্বতকে স্বাধীন রাজ‌্য হিসাবে ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ১৯৫৯ সালের ২১ মার্চ চীন তিব্বত অধিকার। যদিও তার বিরোধিতা করে দলাই লামা ভারতে বসে নির্বাচিত তিব্বতি সরকার পরিচালনা করে চলেছেন। তা নিয়ে ভারত-চীনের মধ্যে দ্বন্দ্বও নতুন নয়। সেই আবহেই আমেরিকার এই পদক্ষেপ চীনকে যথেষ্ট চাপে ফেলে দিল।

পেনসিলভানিয়ার রিপাবলিকান মার্কিন কংগ্রেস সদস‌্য স্কট পেরি সাবেক সামরিক কর্মী। কয়েকদিন আগে হংকং-কে স্বাধীন দেশ হিসাবে স্বীকৃতি দিতে একই ধরনের বিল পেশ করেছিলেন। ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বন্দ্বের মধ্যেই দু’টি বিল হাউসের বৈদেশিক বিশয় সংক্রান্ত কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র‌্যাট, দু’টি প্রধান রাজনৈতিক দলই পরস্পরের বিরুদ্ধে বেইজিংয়ের প্রতি নরম মনোভাব দেখানোর অভিযোগ তুলেছে। তাই সেই অভিযোগ খণ্ডন করতে চীনের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে চাপ বাড়ছে ট্রাম্প প্রশাসনের উপর। প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের আগে বিল দু’টি মার্কিন হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং সিনেটে পাশ করাতে হবে। যদিও তা হলে যে বড় কোন পরিবর্তন হবে, তা নয়। কিন্তু আমেরিকার এই পদক্ষেপ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে আরও তিক্ততা তৈরি করবে। সূত্র: বিজনেস টুডে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
Max ৩১ মে, ২০২০, ১:১১ এএম says : 0
Tibet should be free from China.
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন