ঢাকা, রোববার ২১ জুলাই ২০১৯, ০৬ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৭ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

জাতীয় সংবাদ

গভীর সাগরে সাড়ে ৭ লাখ ইয়াবা উদ্ধার : গ্রেফতার ৭

প্রকাশের সময় : ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬, ১২:০০ এএম

চট্টগ্রাম ব্যুরো : র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের একটি অভিযান দল গভীর সমুদ্রে অভিযান চালিয়ে একটি ট্রলার থেকে ৭ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে। এ সময় গ্রেফতার করা হয়েছে ৭ জনকে।
র‌্যাব কর্মকর্তা এএসপি আমিরুল্লাহ জানান, কতিপয় সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী চক্র দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় বড় চালান মাছ ধরার ট্রলার যোগে কক্সাবাজার এবং চট্টগ্রাম নিয়ে আসে। গোয়েন্দা অনুসন্ধানে জানা যায়, ‘এফভি মায়ের দোয়া’ নামক একটি মাছ ধরার ট্রলারযোগে বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালান মিয়ানমার থেকে কক্সবাজারের দিকে আসছে।
উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টায় র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লে. কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে একটি চৌকস আভিযানিক দল কক্সবাজার এলাকার গভীর সমুদ্রে অভিযান শুরু করে। এ সময় ট্রলারটি আটক করা হয়। সেখান থেকে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যমতে পরে আরও ২ জনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। গ্রেফতারকৃতরা হল- মিয়ানমারের নাগরিক মোঃ জোবায়ের (৪২), কক্সবাজার-উখিয়া থানার উত্তর সোনারপাড়া গ্রামের মোঃ আব্দুর রহিম (১৮), একই গ্রামের মোঃ আশেক উল্লাহ (১৯), একই থানার পশ্চিম সোনাইছড়ি গ্রামের সামসুল আলম (২৫), একই গ্রামের মোঃ হাসান (২০) ও মোঃ ইউনুছ (৫৫)।
এ ৬ জনের দেয়া তথ্যমতে ট্রলারটির কোল্ড স্টোরে রাখা ৭ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। সাগরেই অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ইয়াবার মালিক কক্সবাজার শহরের কলাতলীর বাসিন্দা মোঃ রশিদকে (২৮) তার বড় ভাই মোঃ মফিজের (৩০) বাসা থেকে আরও ৩০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত এসব ইয়াবার মূল্য ২৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছরের প্রথম দিন থেকে গতকাল পর্যন্ত ৪৫ লাখ ৭১ হাজার ৯৯৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব।
১০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক
নগরীর আগ্রাবাদ এলাকার সাউথল্যান্ড সেন্টার থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আলী হোসেন নামের এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তারা। গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করে ডবলমুরিং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯১, ১৯ (১) এর ৯ এর (ক) ধারায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলার বাদি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তা ইদ্রিস আলী বলেন, ‘আলী হোসেন একজন পাইকারি ইয়াবা ব্যবসায়ী। ইয়াবা বিক্রি করতে সাউথল্যান্ড সেন্টারে আসলে আমরা তাকে ধরে ফেলি। আলী হোসেন আনোয়ারা উপজেলার দুধকুমড়া এলাকার শফর মুলুকের পুত্র।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন