ঢাকা রোববার, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১০ মাঘ ১৪২৭, ১০ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

অসংখ্য মসজিদকে সিনাগগ, বার, জাদুঘর-রেস্তোরাঁ বানিয়েছে ইসরাইল

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৩০ জুলাই, ২০২০, ৪:৩০ পিএম

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতির আশপাশে অবস্থিত মসজিদগুলোকে বার, সিনাগগ এবং অন্য কোনো সামাজিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। মিডেল ইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জানা যায়, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ অন্তত ১৫টি মসজিদকে সিনাগগে রূপান্তরিত করেন। এছাড়া ৪০টি মসজিদ হয় ধ্বংস করা হয়েছে, নতুবা বন্ধ কিংবা পরিত্যক্ত করে রাখা হয়েছে। আর ১৭টি মসজিদকে গোলাবাড়ি, বার, রেস্তোরাঁ ও জাদুঘরে পরিণত করা হয়েছে।

সাফেদ শহরের উত্তরে অবস্থিত আল-আহমার মসজিদকে বেশ কয়েক বছর আগে একটি কনসার্ট হলে রূপান্তর করা হয়। সেখানে এখন গান-বাজনা ও অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠান হয়। সাইসারিয়া শহরে অবস্থিত আল-জাদিদ মসজিদকে একটি বারে রূপান্তর করেছে ইসরেলি কর্তৃপক্ষ।

এ প্রসঙ্গে ইসরায়েলভিত্তিক আরব নাগরিকদের কমিটির সদস্য কামাল খতিব বলেন, নাকবার (১৯৪৮ সালে সংঘটিত যুদ্ধের সময় ফিলিস্তিনি আরবদের দেশত্যাগ) আগে এসব মসজিদে ব্যাপক মুসল্লির সমাগম হতো। কিন্তু নাকবার পর অধিকাংশ মসজিদ ধ্বংস করা হয়। বিশেষ করে, গ্রামের দিকে থাকা মসজিদগুলো সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া বেশ কিছু মসজিদকে সিনাগগ, ক্যাফে কিংবা রেস্টুরেন্টে পরিণত করা হয়।

তিনি বলেন, এগুলো সম্ভব হয়েছে কারণ ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে মুসলিমদের অনুভূতির কোনো মূল্য নেই। তারা এখনো মুসলিমদের বিভিন্ন স্থাপত্য ও ধর্মীয় উপাসনালয়কে রূপান্তর করে নিজেদের কাজে লাগাচ্ছে। সম্প্রতি তারা জাফফা শহরে অবস্থিত কয়েক শতাব্দীর পুরনো আল-ইসাফ কবরস্থান ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্থানীয়রা এর প্রতিবাদ করলেও কোনো পাত্তা দেয়নি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

হাইফা অঞ্চলে আইন হাউদ মসজিদ, জাফ্ফায় আল-সিকসিক মজজিদকেও একই ভাগ্য বরণ করতে হয়। খতিব বলেন, নাকবার পরে ৫৩৯টি ফিলিস্তিনি গ্রাম ধ্বংস করা হয়েছে। মসজিদসহ সব ধরনের ফিলিস্তিনি অবকাঠামো ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের ধ্বংসযজ্ঞের সহজ শিকার ছিল।

মুসলমানদের অনুভূতিতে সামান্যতম সম্মানও দেখায়নি ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ। আল জাফফা এলাকায় মুসলমানদের একটি গোরস্তান মাটিতে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে। যদিও স্থানীয় লোকজন এই কাজের ব্যাপক বিরোধিতা করেছেন।
কামাল খতিব বলেন, ইসরাইলের ইতিহাসে কোনো মসজিদ বানানোর মতো ঘটনা ঘটেনি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
a aman ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৬:৪৬ পিএম says : 0
might is right
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন