ঢাকা, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৮ আশ্বিন ১৪২৬, ২৩ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

ইসলামী বিশ্ব

কোয়েটায় বোমা হামলার দায় স্বীকার তালিবান-আইএসের

প্রকাশের সময় : ১০ আগস্ট, ২০১৬, ১২:০০ এএম

ইনকিলাব ডেস্ক : পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কোয়েটার হাসপাতালে বোমা বিস্ফোরণে ৭০ জন নিহত হওয়ার পর হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানি তালিবানের একটি অংশ জামাত-উল-আহরার এবং বর্তমান বিশ্বের অন্যতম আন্তর্জাতিক জিহাদি সংগঠন আইএস। ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠী এবং পাকিস্তান তালেবানের একটি অংশ উভয় দাবি করেছে যে, তারাই এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের কোয়েটার হাসপাতালে বোমা হামলার জন্য ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্স অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইংকে (‘র’) দায়ী করেছেন প্রদেশটির মুখ্যমন্ত্রী সানাউল্লাহ জেহরি। গত সোমবার সকালে হামলার পর দেশটির টিভি চ্যানেল জিও নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ অভিযোগ করেন। সন্ত্রাসীদের টার্গেট দুর্বল জায়গা মন্তব্য করে জিও নিউজকে সানাউল্লাহ জেহরি বলেছেন, তাদের কাছে আমরা কোনোভাবেই মাথানত করব না। প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের কোয়েটায় একটি বেসামরিক হাসপাতালে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ৭০ জন নিহত হয়। এ ঘটনায় আহত হন সাংবাদিক-আইনজীবীসহ আরও অন্তত ৩০ জন। বিস্ফোরণের আগে সোমবার ভোরে অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের গুলিতে বেলুচিস্তান বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিলাল আনওয়ার কাসি নিহত হন। হাসপাতালে বিলালের মৃতদেহ দেখতে আইনজীবীরা উপস্থিত হওয়ার পরই এই বোমা হামলার ঘটনা ঘটে বলে প্রচার করছে পাকিস্তানি মিডিয়া।
হাসপাতালে বোমা হামলায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ বলেছেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি নিরাপত্তা বাহিনীকে সন্ত্রাসীদের ধ্বংস করার আহ্বান জানান। কোয়েটাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে এক বৈঠকে নওয়াজ শরিফ সন্ত্রাসীদের ধ্বংস করার জন্য নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান। ঘটনার পর সেনাবাহিনীর প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ সেখানে যান। বালুচিস্তান সরকারের একজন মুখপাত্র আনওয়ার উল হক কাকার বিবিসিকে বলেছেন, যারা পাকিস্তান কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করে তাদের বুঝতে হবে কি বিশাল পরিস্থিতি তাদেরকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রই আক্রমণের শিকার হয়েছে। যখন থেকে আমরা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছি তখন থেকে আমরা প্রায় ৭০ হাজার প্রাণ হারিয়েছি। গণমাধ্যম কর্মী, আইনজীবী, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, সেনাসদস্য, সংসদ সদস্য রয়েছেন এই তালিকায়। পাকিস্তানের সমাজের প্রত্যেকে এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আত্মত্যাগ করেছে। পাকিস্তান তালিবানের একটা অংশ জামাত উল আহরার দাবি করছে, তারা এই হামলা চালিয়েছে। আবার ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীও এই হামলার দাবি করছে।
গত সোমবার বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটার একটি হাসপাতালে এই ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলায় যারা নিহত হয়েছেন তাদের বেশিরভাগই আইনজীবী। যেখানে বোমাটি বিস্ফোরিত হয়েছে, সেখানে আইনজীবীরা সমবেত হয়েছিলেন নিহত হওয়া আরেকজন সিনিয়র আইনজীবীর প্রতি শোক প্রকাশ করতে।
নিহত সেই আইনজীবী বিশাল কাজী একজন শীর্ষস্থানীয় আইনজীবী এবং বার সমিতির সভাপতি ছিলেন। বেলুচিস্তান পাকিস্তানের দরিদ্র প্রদেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। এর আগে সেখানে প্রায়ই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। ডন, রয়টার্স।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (2)
Harun ১০ আগস্ট, ২০১৬, ১২:১৮ পিএম says : 0
ki je suru korlo ara
Total Reply(0)
হাসিব ১০ আগস্ট, ২০১৬, ৩:২৬ পিএম says : 0
দজ্ঞহহ
Total Reply(0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন