রোববার, ২৯ মে ২০২২, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৭ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

বাড়ছে না সময়

আয়কর রিটার্ন দাখিল

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৩০ নভেম্বর, ২০২০, ১২:০১ এএম

চলতি বছর আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা রহমাতির মুনিম। তিনি বলেন, ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমা ১৩ লাখ ২০ হাজার। পরিশোধিত কর ২ হাজার ৩৮৭ কোটি টাকা। তবে সক্ষমতা বাড়লেও কাঙ্খিত মাত্রায় আয়করের ক্ষেত্র বাড়েনি। গতকাল রোববার এনবিআররের সম্মেলন কক্ষে মাসব্যাপী কর সেবাদান এবং ৩০ নভেম্বর জাতীয় আয়কর দিবস-২০২০ উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত থাকছে। নির্ধারিত সময়ে যারা আয়কর রিটার্ন দিতে পারবেন না, তারা সংশ্লিষ্ট কর অফিসে আবেদন করতে পারবেন। তবে দুই শতাংশ জরিমানা বিষয়টি বাধ্যতামূলক নয়। গ্রাহক সঠিক সময়ে কেনো রিটার্ন জমা দিতে পারেনি। তার যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারলে জরিমানা মওকুফ করা হবে। কমিশনারের কাছে যদি কারণ যৌক্তিক মনে না হয়, তবে জরিমানা গুনতে হবে। তিনি বলেন, টিআইএনধারীদের রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক। না দিলে জরিমানা গুণতে হবে। আয়কর আইন অনুযায়ী, উপ-কর কমিশনার করদাতার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রিটার্ন জমা দিতে দুই মাস সময় দিতে পারেন। তবে করদাতাকে সেই ক্ষেত্রে ২ শতাংশ জরিমানা দিতে হয়।

এনবিআরের চেয়ারম্যান বলেন, আয়কর রিটার্ন আরও কীভাবে সহজ করা যায়, সে কাজ চলছে। এ বছর থেকে এক পাতার রিটার্ন করা হয়েছে, যাতে করদাতা সহজে রিটার্ন দিতে পারেন। করোনার কারণে এ বছর আয়কর দিবসের র্যালি হচ্ছে না। তবে আলোচনা সভা হবে জুমে। এ বছরের আয়কর দিবসে প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে স্বচ্ছ ও আধুনিক করসেবা প্রদানের মাধ্যমে করদাতাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ।

কয়েক বছর আগেও প্রতিবার রিটার্ন জমার সময় বাড়ানো হতো। কিন্তু ২০১৬ সালে আয়কর অধ্যাদেশে পরিবর্তন এনে ৩০ নভেম্বর জাতীয় কর দিবসের পর রিটার্ন জমা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সময় বাড়ানোর পথটি বন্ধ হয়ে যায়। তবে আরেকটি উপায় ছিল। গত বাজেটের আগে করোনা মহামারি বিবেচনায় প্রেসিডেন্ট একটি অধ্যাদেশ জারি করেছিলেন। সেই অধ্যাদেশ অনুযায়ী, এনবিআর চাইলে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের যেকোনো জরিমানা ও সুদ মওকুফ করে দিতে পারবে। বাজেট অধিবেশনে এনবিআরের এই ক্ষমতাকে আয়কর অধ্যাদেশের ১৮৪ (জি) ধারা হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন