মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ০২ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা নিয়ে অনিয়ম সহ্য করা হবে না

ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৫ জুলাই, ২০২১, ১২:০১ এএম

প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা প্রদানে যাতে স্বজনপ্রীতি না হয় সেদিকে সতর্ক থাকার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

গতকাল সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যেই লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের সহায়তা, গ্রামীণ কর্ম-সৃজন, পর্যটনখাত এবং পরিবহন শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষের জন্য ৩২০০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা দিয়েছেন। সত্যিকার অর্থে ক্ষতিগ্রস্তরা যাতে তালিকাভুক্ত হয় সেদিকে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে।
ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি কমানোর পাশাপাশি খেটে খাওয়া মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা এবং ঈদকে ঘিরে অর্থনীতির প্রবাহ গতিশীল রাখতে সরকার লকডাউন শিথিল করার এই উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান সেতুমন্ত্রী।
ওবায়দুল কাদের বলেন, মনে রাখতে হবে সাময়িক এ বিধিনিষেধ শিথিলের সুযোগ নিয়ে আমরা যেন গড্ডালিকা প্রবাহে গা না ভাসাই। এ পরিস্থিতিতে নিজেই হতে হবে নিজের রক্ষক। নিজেদের উদাসীনতা এবং অপরিনামদর্শিতায় উৎসবের যাত্রা যেন জীবনের শেষ যাত্রায় রূপ না নেয়।

তিনি বলেন, ঈদকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী লকডাউনে ব্রেক দিলেও করোনা কাউকে ব্রেক দেবে না, প্রাণঘাতী রূপ নিয়ে সংক্রমণ ছড়াবেই। তাই শতভাগ মাস্ক পরিধানের কোন বিকল্প নেই।
বিধিনিষেধ শিথিল করায় আগামীকাল থেকে সারাদেশে শর্তসাপেক্ষে গণপরিবহন চলাচল করবে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ইতোপূর্বের ধারাবাহিকতায় সমন্বয় করা ৬০ ভাগ বর্ধিত ভাড়ায় অর্ধেক আসন খালি রেখে গণপরিবহন চলাচল করবে। আশা করি পরিবহন মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনগুলো করোনার বর্তমান সংক্রমণ মাথায় রেখে, স্বাস্থ্যবিধিসহ শর্তসমূহ মেনে যানবাহন পরিচালনা করবেন। শর্ত অমান্যকারী এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারী পরিবহনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপগঞ্জের অগ্নি দুর্ঘটনায় সরকার যখন আন্তরিকভাবে কাজ করছে তখন বিএনপি তাদের একমাত্র সম্বল বক্তৃতা-বিবৃতিবাজি করে যাচ্ছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা ঘটনার ছয়দিন পরে রূপগঞ্জে গিয়ে এটা করতে হবে, সেটা করতে হবে বলে নানান কথার ফুলঝুরি ছড়াচ্ছে। এসব বিএনপির চিরাচরিত অপরাজনীতিরই ধারাবাহিকতা। বিএনপির ঘরবন্দি রাজনীতি এবং বিদ্বেষ ছড়ানো বাক্যবাণ দেশের সুস্থধারার রাজনীতি চর্চার পরিবেশকে দূষিত করছে। সবকিছু নিয়ে অতি-রাজনীতি করতে গিয়ে বিএনপি জনগণের কাছে দিন দিন অপাংক্তেয় হয়ে যাচ্ছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন