মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ০২ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

লাদাখে এখনও শক্তিশালী অবস্থানে চীন, ভারতীয় সেনাপ্রধানের স্বীকারোক্তি

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৩ অক্টোবর, ২০২১, ৫:১১ পিএম

সীমান্ত নিয়ে গতবছর থেকেই উত্তপ্ত ভারত ও চীনের সম্পর্ক। দু’পক্ষের মধ্যে একাধিক বৈঠকের পরও এখনও সমস্যা মেটেনি। সম্প্রতি ভারতের সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানের এক বক্তব্যের পর সেকথাই ফের প্রমাণিত হল। দু’দেশের সেনা একাধিকবার আলোচনাতে বসলেও এখনও সীমান্তে সেনা মোতায়েন করেই চলেছে চীন। নিজেই এই দাবি করেছেন নারাভানে।

গোগরা ও হটস্প্রিং থেকে অস্থায়ী ছাউনি তুলে নিয়ে গিয়েছিল চীনা ফৌজ। সেনা পিছনোর প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছিল। শেষবার সেনা কম্যান্ডার পর্যায়ের বৈঠকের পরে দুই দেশই সেনা সরাতে রাজি হয়। সেনা সরালেও সেখানে শক্তি বৃদ্ধি করেছে চীন। সম্প্রতি পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পরিদর্শন করে এসেছেন সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে। তার বক্তব্য, লাদাখের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে ফের সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে, অস্ত্রশস্ত্রও মজুত করছে পিপলস লিবারেশন আর্মি।

সামরিক স্তরে দফায় দফায় বৈঠকের পরেও সীমান্ত সমস্যার সমাধানে এসে পৌঁছতে পারেনি ভারত ও চীন দুই দেশই। বরং সীমান্ত থেকে সেনা সরিয়ে শান্তি বজায় রাখার যে আলোচনা হয়েছিল দুই দেশের মধ্যে তা ভেস্তে গেছে। নতুন করে সেনা সমাবেশ করেছে দুই পক্ষই। যার কারণে রীতিমতো যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে লাদাখ সীমান্তে। গত জুলাই মাসেই তাজাকিস্তানে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বৈঠকে সীমান্তে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে বলেছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর। তাতে চীন সম্মতিও দিয়েছিল।

নারাভানে বলছেন, ১৩ বার দুই দেশের মধ্যে সেনা কম্যান্ডার পর্যায়ে বৈঠক হয়েছে। তার দাবি, গত ৬ মাস ধরে বড়সড় অশান্তির ঘটনা না ঘটলেও খবর মিলেছে, চীন গোপনে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করে চলেছে ইন্টার্ন ও নর্দার্ন ফ্রন্টে। ভারতীয় সেনা সূত্র বলছে, সবরকম পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য তৈরি রয়েছে ভারতীয় বাহিনী। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (2)
jack ali ৩ অক্টোবর, ২০২১, ৫:২৫ পিএম says : 0
Why don't they fight each other and wipe out their barbarian army then we will be able to live in our region in Peace.
Total Reply(0)
Nayeemul ৪ অক্টোবর, ২০২১, ৩:০৮ এএম says : 0
Let the game start between India and China. We are waiting to see the match. India occasionally plays with Bangladesh and Continues to win the trophy. India should start the game with China sooner than later. All south Asians are looking forward to see this special match and who takes the trophy.
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন