বৃহস্পিতবার, ১৮ আগস্ট ২০২২, ০৩ ভাদ্র ১৪২৯, ১৯ মুহাররম ১৪৪৪

ইসলামী জীবন

রাজধানীর বায়ুদূষণ বন্ধ করতে আঞ্চলিকভাবেও উদ্যোগ নিতে হবে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৩০ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৪১ পিএম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, স্থানীয়ভাবে ঢাকায় বায়ুদূষণ কমানোর পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত বায়ুদূষণ বন্ধ করার বিষয়ে আঞ্চলিকভাবেও উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি বলেন, শুধু স্থানীয়ভাবে ঢাকায় বায়ুদূষণ কমালে কাজ হবে না। আন্তঃসীমান্ত বায়ুদূষণ বন্ধ করার বিষয়ে আঞ্চলিকভাবেও উদ্যোগ নেয়া জরুরি। নইলে এই অঞ্চলের কোনো দেশের বায়ু দূষণমুক্ত হবেনা। তাই দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বায়ুদূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে। সরকারি পর্যায়ে এ ধরণের আলোচনা এখনো শুরু হয়নি। যদিও উদ্যোগ নেয়ার এটাই প্রকৃত সময়।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে নগর উন্নয়ন আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তরের উদ্যোগে আয়োজিত “ঢাকা সিটিকে ধূলা ও দূষণমুক্ত রাখতে সিটি কর্পোরেশনের দায়বদ্ধতা”শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে নগর উন্নয়ন আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ এর সভাপতিত্বে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ মাসুম, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন প্রবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর মো. জামাল উদ্দিন, ড. মো. ইমাদুল হুদা, ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়রপ্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, শেখ ফজলুল করীম মারূফ, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, শ্রমিকনেতা হাফেজ ছিদ্দিকুর রহমান, আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার মুরাদ হোসেন, মাস্টার অব. ওয়ারেন্ট অফিসার আমিনুল ইসলাম।
গোলটেবিল বৈঠকে ১৭ দফা প্রস্তাবনা পেশ করা হয়। সে লক্ষে আগামী ২২ জানুয়ারী ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র ভবনের সামনে দুষণমুক্ত নগর গড়ার দাবিতে দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। বক্তারা বলেন, দেশের অভ্যন্তরে ইটভাটা, শিল্প কারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া, মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ির কালো ধোঁয়া, বস্তিতে প্রায় চল্লিশ লাখ চুলায় আবর্জনা, কাঠ কয়লা ও কেরোসিন দিয়ে রান্নার ধোঁয়া, ঢাকার বাইরে থেকে আসা হাজার হাজার ট্রাক ও দূরপাল্লার যানবাহনের ধূলা ও ধোঁয়া এবং রাস্তা খোড়াখুড়ি ও নির্মাণকাজের ধুলার পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত বায়ুদূষণের জন্য এখানকার বায়ু দূষিত হয়ে থাকে।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন