ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

জাতীয় সংবাদ

খাদিজা নার্গিস এখন মাঝে মাঝে খাবার গ্রহণ করছে

৩ মাস পর মাথার ডান পাশে ও বাম হাতে অস্ত্রোপচার হবে : বাবা মাসুক মিয়া

প্রকাশের সময় : ৩০ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:০০ এএম | আপডেট : ১০:৫৩ পিএম, ২৯ অক্টোবর, ২০১৬

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খাদিজা আক্তার নার্গিস এখন মাঝে মাঝে স্বাভাবিক খাবার গ্রহণ করছে। আগামী তিন সপ্তাহ পর তার মাথার ডান পাশে ও বাম হাতে অস্ত্রোপচার করা হবে। গতকাল শনিবার দুপুুরে খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া একথা বলেন। স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক এ এম রেজাউস সাত্তার জানান, পরিবারের সঙ্গ পেলে খাদিজার শারীরিক ও মানসিক উন্নতি দ্রুত ঘটবে। এখন সে কথা বলছে, পরিবারের সদস্যদের চিনতে পারছে। অবস্থার পরিবর্তন লক্ষ্য করতে আরও দুই মাস অপেক্ষা করতে হবে।
খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া জানান, এখন মাঝে মাঝেই তাকে স্বাভাবিক খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। তবে অনেক সময় সে খাওয়ার জন্য মুখ খুলতে চায় না। তাকে জোর করে খাওয়াতে হচ্ছে। নিজ ইচ্ছায় পুডিং, আপেলের জুস, ডিম, ব্রেড, জেলি, দুধ- এ ধরনের নরম ও তরল খাবারই সে খাচ্ছে।
তিনি আরও জানান, কিছুদিন পর চিকিৎসকরা খাদিজার মাথার ডান পাশে ও বাম হাতে অস্ত্রোপচার করবেন।
মাসুক মিয়া আরো জানান, খাদিজাকে প্রতিদিন কিছু সময়ের জন্য হুইল চেয়ারে ঘোরানো হয়। সকালে তাকে রুটি, জেলি, ডিম আর দুধ খাওয়ানো হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন আগামী তিন সপ্তাহ পর মাথার ডান পাশে ও বাম হাতে অস্ত্রোপচার করা হতে পারে। তিনি আরো জানান, মেয়েকে দেশের বাইরে নিয়ে চিকিৎসা করানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকেরা তাকে জানিয়েছেন, দেশের বাইরে নেয়ার প্রয়োজন নেই। এখানে খাদিজার ভালো চিকিৎসা হচ্ছে। খাদিজা বর্তমানে স্কয়ার হাসপাতালের ১১২৬ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোবর ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলমের চাপাতি হামলায় সিলেটের কলেজ ছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিস গুরুতর আহত হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধী রয়েছেন। ৪ অক্টোবর তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে আনা হয়। এখানে তাকে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়। স্কয়ার হাসপাতালে প্রথম দফায় খাদিজার মাথায় ও পরে হাতে অস্ত্রোপচার করা হয়। তার অবস্থার একটু উন্নতি হলে লাইফ সাপোর্ট খুলে দেয়া হয়। এরপর আইসিইউ থেকে এইচডিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে ২৬ অক্টোবর তাকে কেবিনে নেয়া হয়।


 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (2)
Rashed ৩০ অক্টোবর, ২০১৬, ৫:০৮ এএম says : 0
I pray that almighty God will continue to heal Khadija and bring her back to new life,at the same time i would request our honorable prime minister Sheikh Hasina to punish the criminal Bodrul as soon as possible .
Total Reply(0)
Khorshed ৩০ অক্টোবর, ২০১৬, ৩:২৩ পিএম says : 0
I want, Khadija will go to college again. All mighty Allah help her, but .............. ............... badrul never get out from custody.
Total Reply(0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন