বুধবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ১২ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিজরী

ইসলামী বিশ্ব

ইরানে বিপ্লবী গার্ডসের কর্নেলসহ নিহত ১৯

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২ অক্টোবর, ২০২২, ১২:০০ এএম

বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র গোয়েন্দা কমান্ডার আলী মুসাভি। তিনিসহ মোট ১৯ জন নিহত হন ওই ঘটনায়। এরমধ্যে বেশিরভাগই পুলিশ সদস্য। আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। ইরানি গণমাধ্যমগুলো দাবি করছে ‘বিপ্লব-বিরোধী সন্ত্রাসীরা’ এ হামলার পেছনে রয়েছে। শুক্রবার ইরানের সিস্তান-বালুচিস্তান প্রদেশের রাজধানী জাহেদান শহরের একটি থানায় ও হামলা হয়। হামলার পর একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা নগরীর মাক্কি মসজিদের কাছে দাঁড়িয়ে গুলিবর্ষণ শুরু করে। ফলে আইন-শৃংখলার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হয়। এ সময় আইআরজিসি’র কমান্ডার আলী মুসাভির বুকে গুলি লাগে এবং হাসপাতালে নেয়ার পর তিনি মারা যান। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে একই কথা বলেছে এএফপিও। সিস্তান-বালুচিস্তান প্রদেশের গভর্নর হোসেইন মোদাররেস খিয়াবানি বলেছেন, জাহেদানের থানায় শুক্রবারের সন্ত্রাসী হামলায় পুলিশ সদস্যসহ ১৯ জন নিহত ও অপর ২০ জন আহত হয়েছে। তিনি বলেন, সন্ত্রাসী ও বিপ্লব-বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর সন্ত্রাসীরা থানায় পাথর মেরে হামলা শুরু করে এবং পরে গুলি চালায়। এরপর সন্ত্রাসীরা ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি, একটি ফায়ার সার্ভিসের অফিস, একটি ব্যাংকসহ জাহেদান শহরের আরো কয়েকটি স্থানে হামলা চালাতে উদ্যত হয়। কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সময়োচিত পদক্ষেপের কারণে সেসব হামলা ব্যর্থ হয়। চলমান শাসকগোষ্ঠীর বিরোধী সংগঠন জয়েশ আল-জুলুম জাহেদানে শুক্রবারের হামলার দায় স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে ইরানি গণমাধ্যমগুলো। বর্তমানে মাহসা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ইরানের শহরগুলোতে বিক্ষোভ অব্যাহত আছে। এতে পুলিশের গুলিতে অন্তত ৮৩ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। শুক্রবারের হামলার সঙ্গে এই বিক্ষোভের কোনো সম্পর্ক আছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। এএফপি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (5)
Abu Bakkar ২ অক্টোবর, ২০২২, ৬:৫৭ এএম says : 0
সুযোগটা কাজে লাগাচ্ছে ইজরাইল এবং আমেরিকা।কারন ইরানকে মাটিরসাথে মিশিয়ে দিতে তারা অনেক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
Total Reply(0)
MD Kawsar Ahmed Mafi ২ অক্টোবর, ২০২২, ৬:৫৬ এএম says : 0
· কোনো দেশের আইন যদি কেউ মানতে না চায়, তাহলে তার জন্যে পৃথিবীর আরো অনেক দেশ আছে, সে সেখানে চলে যেতে পারে। কিন্তু কোনো দেশের ধর্মীয় সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কাপড় খুলে প্রতিবাদ জানানোটা সেই দেশের সার্বভৌমত্বের বিরোধী এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের উপর অবমাননা। শুধু ইরান কেনো? মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশেইতো এখনো হিজাব বাধ্যতামূলক। সেসব দেশে তো আন্দোলন হয় না। পশ্চিমারাও তাদের নিয়ে কথা বলে না। যেহেতু ইরান পশ্চিমাদের জন্য হুমকী, তাই তারা ইরানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশটাকে দূর্বল করতে চায়। যেভাবে আফগানিস্তানকে দূর্বল করা হয়েছে।
Total Reply(0)
Gouranga Chandra ২ অক্টোবর, ২০২২, ৬:৫৭ এএম says : 0
ইরানের জন্য শুভ কামনা রইলো।
Total Reply(0)
Shohidul Islam ২ অক্টোবর, ২০২২, ৬:৫৭ এএম says : 0
ইরান নিয়ে বেশ বড় ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। ইরান তার অবস্থান থেকে বিচ্ছিন্ন হলে প্রভাব পড়বে সবখানে।
Total Reply(0)
Md Zahiroul Islam Zahir ২ অক্টোবর, ২০২২, ৬:৫৭ এএম says : 0
হিজাব এর ইস্যুতে সুবিধা করতে না পেরে এখন অন্য পন্থা বেছে নিয়েছে শত্রু রা
Total Reply(0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন