রোববার, ২৮ মে ২০২৩, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ৭ যিলক্বদ ১৪৪৪ হিজরী

ইসলামী বিশ্ব

জেরুজালেম রক্ষা করাই ঈমানী দায়িত্ব : আব্বাস

জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য হওয়ার আবেদন করবে ফিলিস্তিন জনগণের বৈধ অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক আদালতে যাব

ইনকিলাব ডেস্ক : | প্রকাশের সময় : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ১২:০০ এএম

চলতি সপ্তাহেই জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করবে ফিলিস্তিন। কায়রোতে আরব লীগের এক বৈঠকে এ কথা জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। খবর টাইমস অব ইসরাইলের। বর্তমানে ফিলিস্তিন জাতিসংঘের একটি অসদস্য পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র। মাহমুদ আব্বাস বলেন, ফিলিস্তিনবাসীর মর্যাদা ও অধিকার আদায়ে আমরা আন্তর্জাতিক আদালতে যাব। জেরুজালেমের প্রতি ইঙ্গিত করে আব্বাস বলেন, একে রক্ষা করা আমাদের ইমানি দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, তার প্রশাসন জাতিসংঘ ও এর সংস্থাগুলোর কাছে যাবে এবং ইসরাইল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্ব নিরসনে একটি দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান দাবি করবে। কায়রোতে রোববারের বৈঠকের পর একটি চূড়ান্ত বিবৃতি দেওয়া হয়। এতে ‘ইসরাইলের পদ্ধতিগত নীতির’ নিন্দা করা হয়। তাদের লক্ষ্যকে জেরুজালেমের ‘আরব এবং ইসলামিক সংস্কৃতি ও পরিচয়’ ‘বিকৃত ও পরিবর্তন’ বলে উল্লেখ করা হয়। ইসরাইলের কথিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রতিও আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিটিতে। এদিকে, ফিলিস্তিনের মানুষের বৈধ অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। রোববার কায়রোতে অনুষ্ঠিত আরব লীগের এক বৈঠকে এ ঘোষণা দেন তিনি। মাহমুদ আব্বাস বলেন, ফিলিস্তিন ও ইসরাইল দ্বন্দ্ব নিরসনে তার প্রশাসন জাতিসংঘ ও এর সংস্থাগুলোর কাছে যাবে এবং একটি দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধান দাবি করবে। এদিকে জেরুজালেম ও অধিকৃত পশ্চিমতীরে ইসরাইলি কর্মকা- আঞ্চলিক অশান্তিতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আরব ও ইসলামিক দেশগুলোর বেশ কয়েকজন নেতা এবং সিনিয়র কর্মকর্তা সতর্ক করে দিয়েছেন। আরব লীগের ওই বৈঠকে সাম্প্রতিক ইসরাইল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সহিংসতা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে এ সতর্ক করেন তারা। আরব লিগ আয়োজিত বৈঠকটিতে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি, জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ এবং ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসসহ অনেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সিনিয়র কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের পরিসংখ্যান বলছে, এ বছর এ পর্যন্ত ৪৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর ইসরাইলি পক্ষের নিহত হয়েছেন ১০ জন। বৈঠকে বক্তারা জেরুজালেম এবং পশ্চিমতীরে ইসরাইলি বাহিনীর বাড়িঘর ধ্বংস ও বসতি সম্প্রসারণের ‘একতরফা পদক্ষেপের’ নিন্দা জানান। এ বিষয়ে ইসরাইল সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। কায়রোতে রোববারের বৈঠকের পর একটি চূড়ান্ত বিবৃতি দেওয়া হয়।এতে ‘ইসরাইলের পদ্ধতিগত নীতির’ নিন্দা করা হয়। তাদের লক্ষ্যকে জেরুজালেমের ‘আরব এবং ইসলামিক সংস্কৃতি ও পরিচয়’ ‘বিকৃত ও পরিবর্তন’ বলে উল্লেখ করা হয়। ইসরাইলের কথিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রতিও আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিটিতে। টাইমস অব ইসরাইল, এপি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন