ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯ আশ্বিন ১৪২৭, ০৬ সফর ১৪৪২ হিজরী

ইসলামী বিশ্ব

তুতেনখামেনের সমাধির দুটি গোপন কক্ষের একটি নেফারতিতির সমাধি

| প্রকাশের সময় : ৪ মার্চ, ২০১৭, ১২:০০ এএম

মিসর সভ্যতার ইতিহাসে নতুন মোড় ঘুরে যায় তুতেনখামেনের মমি আবিষ্কারের পর : নিকোলাস
ইনকিলাব ডেস্ক : তুতেনখামেনের মৃত্যু ঘিরে মিসরে নানা ধোঁয়াশা তৈরি হলেও মমি আবিষ্কারের পর তাকে নিয়ে মানুষের মধ্যে কৌতূহল বেড়েছে আরও। কারণ, ব্রিটিশ প্রত্মতত্ত¡বিদ হোয়ার্ড কার্টারের নেতৃত্ব তুতেনখামেনের মমি আবিষ্কারের সময় তার সমাধি প্রায় অক্ষত অবস্থায় ছিল। খবরে বলা হয়, তুতেনখামেনের সমাধি নিয়ে এতদিন ধরে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী নিকোলাস যে গবেষণা চালিয়েছেন, সেখানে সমাধির একটি গুপ্তপথের সূত্র খুঁজে পেয়েছেন তিনি। এই গবেষণা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনি ৯০ শতাংশ নিশ্চিত, এবার নতুন কিছু তথ্য হাতে পাবেনই। নিকোলাসের ধারণা, তুতেনখামেনের সমাধিতে আরও দুটি গোপন কক্ষ রয়েছে। যার মধ্যে একটি হতে পারে রানি নেফারতিতির সমাধি। মিসরের বেশির ভাগ পিরামিডে থাকা মূল্যবান সম্পত্তি লুট হয়ে গেলেও তুতেনখামেনের সমাধিতে পাওয়া গিয়েছিল বিপুল সম্পত্তি। নানা গুরুত্বপূর্ণ নথি। আর মিসর সভ্যতার ইতিহাসে নতুন মোড় ঘুরে যায় তুতেনখামেনের মমি আবিষ্কারের পর। এবারও সেই রকমই চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে ধারণা ব্রিটিশ প্রত্মতত্ত¡বিদ নিকোলাস রিভেসের। তার দাবি, এবার রানি নেফারতিতির সমাধির খোঁজ মিলতে পারে। খ্রিস্টপূর্ব ১৩৫১ থেকে ১৩৩৪ সাল পর্যন্ত নেফারতিতি মিসরে রাজত্ব করেছিলেন। গবেষণায় বলা হয়, মিসরের অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করেন, তুতেনখামেনের মমিকে যারা বিরক্ত করবে, তাদের অপমৃত্যু অবধারিত। এই বিশ্বাসটা তৈরি হয়েছিল ১৯২২ সালে প্রথম তুতেনখামেনের মমি আবিষ্কারের পর। খননকার্যে ব্রিটিশ প্রত্মতত্ত¡বিদ হোয়ার্ড কার্টারের নেতৃত্বে যেসব কর্মী যুক্ত ছিলেন, ঘটনাচক্রে তাদের মধ্যে ২১ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। তবে বিজ্ঞানের চোখে এসব নেহাতই কুসংস্কার। এবার আরও এক ব্রিটিশ প্রত্মতত্ত¡বিদের তত্ত¡াবধানে অভিযান চলবে তুতেনখামেনের সমাধির গোপন কুঠুরিতে। ৩৩০০ বছর ধরে লুকিয়ে থাকা তুতেনখামেনের সমাধির ভেতরের রহস্য ভেদ করতে তাদের এই অভিযান বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রতœতত্ত¡বিদ নিকোলাস রিভেস। তুতেনখামেনের সমাধির রহস্য ভেদ করতে সাহায্য করবে ইতালির তুরিনের একটি পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর সঙ্গে থাকবে দুই বছর ধরে চালিয়ে যাওয়া অনুসন্ধানকারীর দলও। তুরিনের পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ফ্রাঙ্কো পরসেলি জানান, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমেই এই গবেষণা চালানো হবে। তার দাবি, গবেষণায় তিনটি রাডার সিস্টেম ব্যবহার করা হবে, যেগুলো মাটির তলায় ৩২ ফুট গভীর পর্যন্ত স্ক্যান করতে পারবে। তুতেনখামেন ছিলেন মিসর সাম্রাজ্যের কনিষ্ঠতম ফারাও। খ্রিস্টপূর্ব ১৩৩২ থেকে ১৩২৩ সাল পর্যন্ত তার রাজত্বকাল ছিল। তিনি কিভাবে মারা গিয়েছিলেন তা নিয়ে নানা মত রয়েছে। কেউ মনে করেন সাপের কামড়ে মারা গিয়েছিলেন। কেউ বলেন ম্যালেরিয়ায়। আবার প্রত্মতত্ত¡বিদদের একাংশ বিশ্বাস করেন, ভারী কিছুতে চাপা পড়ে মারা গিয়েছিলেন এই ফারাও। তবে নীল নদের বাসিন্দাদের অনেকের মনে চিন্তা এখন একটাই। ডেইলি মেইল।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন