ঢাকা, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২০, ২৫ চৈত্র ১৪২৬, ১৩ শাবান ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

শ্যামলী পরিবহনের দুই বাসে আগুন

প্রকাশের সময় : ১০ মার্চ, ২০১৬, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার, সাভার থেকে : জামায়াতের ডাকা হরতাল শুরুর আগে ঢাকার সাভারে ভোররাতে শ্যামলী পরিবহনের দুটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার ভোররাতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে বলিয়ারপুরের নিকটে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, ভোররাতে শ্যামলী পরিবহনের দুটি বাসে আগুন ধরে গেলে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে দুটি বাসের ভিতরের সমস্ত সিট পুড়ে যায়। এছাড়া বাসের বডিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আগুন লাগার সময় বাস দুটি খালি থাকায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, জামায়াতের ডাকা হরতাল সমর্থনকারীরা বাসে আগুন দেয়নি। তিনি ধারণা করছেন, রাতে বাসের ভিতরে হেলপার (চালকের সহকারী) ঘুমিয়ে থাকে। হয়তো বিড়ি-সিগারেট থেকে প্রথমে সিটে লেগে আগুনের সূত্রপাত ঘঠে। তিনি আরো ধারণা করছেন, তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে নিজেরাই আগুন লাগিয়ে থাকতে পারে।
গত ৭ জানুয়ারী শ্যামলী পরিবহনের ইঞ্জিন মিস্ত্রি আসিফ সরদার রতনের চোখ উপড়ানো ক্ষত-বিক্ষত লাশ বলিয়ারপুরের এন.আর পাম্পের পিছনের ময়লার স্তুপ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিন সন্ধ্যায় বিক্ষুব্ধ পরিবহন শ্রমিকরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বেশ কিছু গাড়ীতে ভাংচুর চালায়। এসময় ভাংচুর চালানো হয় শ্যামলী পরিবহনের মালিকানাধীন এন.আর সিএনজি স্টেশনও। ওই ঘটনার জের ধরে বাসে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারনা পুলিশের।
তবে নিহত রতনের ছেলে মো. কামরুজ্জামান তখন বলেছিলেন, শ্যামলী পরিবহনের বাস ও এন.আর সিএনজি পাম্পের জায়গা নিয়ে দীর্ঘ দিন যাবৎ পরিবহনের মালিক রমেশ চন্দ্র ঘোষ ও গণেশ চন্দ্র ঘোষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। আর আমার বাবা ছিলেন রমেশ চন্দ্র ঘোষের আস্থাভাজন কর্মচারী। আর তাই গণেশ চন্দ্র নিজ ভাইয়ের সাথে শত্রুতার জেরে তার শ্যালক এন.আর সিএনজি পাম্পের ম্যানেজার স্বষ্টি ঘোষকে দিয়ে আমার বাবাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনার পর থেকে স্বষ্টি ঘোষ পলাতক রয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন