ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ০৫ ভাদ্র ১৪২৬, ১৮ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

সারা বাংলার খবর

হত্যা-গুম-চাঁদাবাজিসহ পাহাড়ে নিয়ন্ত্রণহীন সশস্ত্র কর্মকান্ড

এক বছরে নিহত-৩৭ অপহরণ শতাধিক

রাঙামাটি জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৯ এপ্রিল, ২০১৮, ১২:০০ এএম

পার্বত্য শান্তিচুক্তির একুশ বছর পরেও পাহাড়ে থামেনি গুম-খুন-অপহরণ ও চাঁদাবাজি। পাহাড় আর দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ। তাতেই অনিন্দ্য সুন্দরের এক বিশাল ক্যানভাস যেন তিন পার্বত্য জেলা। তবে, এমন মোহনীয় সৌন্দর্য আর সম্ভাবনার আড়ালে পাহাড় এখন যেন এক আতংকের জনপদ। যেখানে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি আর গুম-খুন-অপহরনে এক ভীতিকর অবস্থা পাহাড়জুড়ে। গুম, খুন, অপহরন আর সর্বগ্রাসী চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ডে পাহাড়ি জনপদ দিন দিন পরিণত হচ্ছে আতঙ্কের লোকালয়ে। সরকারিসহ বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা, গোয়েন্দা সংস্থাসহ স্থানীয়ভাবে তথ্যানুসারে গত এক বছরে পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে অন্তত ৩৬ জন খুন হওয়াসহ শতাধিক অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের দাবি, বাস্তবে এ সংখ্যা আরো বেশী। সর্বশেষ পাহাড়ের খুনের মিছিলে যোগ হয়েছে ১৬ এপ্রিল সোমবার খাগড়াছড়ির পেরাছড়া এলাকায় সূর্য বিকাশ চাকমা নামে এক ইউপিডিএফ সমর্থিত সমাজকর্মীকে হত্যার ঘটনা। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে আপার পেরাছড়া এলাকার একটি বাড়ির উঠানে তাকে গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এরআগে অতি সম্প্রতি খুনের মিছিল শুরু হয়, চলতি মাসের ১১ এপ্রিলে রাঙামাটির নানিয়ারচরে পার্বত্য চুক্তিবিরোধী সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট ইউপিডিএফ এর নেতা জনি ওরফে সুনীল তঞ্চঙ্গ্যা/চাকমাকে গুলি করে হত্যার ঘটনা। এর আগেও সম্প্রতি সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা হলো গত ১৮ই মার্চ রাঙামাটির নানিয়ারচরের কুতুকছড়ি থেকে প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্রের মুখে দয়াসোনা চাকমা ও মন্টি চাকমা নামে হিল উইমেন ফেডারেশন এর দুই নারী নেত্রীকে তুলে নিয়ে যায়। ইউপিডিএফ এর দুই গ্রুপে ঘন্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে এই দুই নেত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। সাম্প্রতিক সময়ে মূলত এই অপহরণ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা তুমুল পর্যায়ে পৌছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইউপিডিএফ এবং জেএসএস এর মধ্যে আর্ন্তঃসম্পর্ক স্থাপিত হয়। এই সম্পর্কের কারনেই উভয় সংগঠন যুগৎপত আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেয়। এই দুই সংগটনের অন্যতম প্রধান টার্গেট হলো এমএন লারমাপন্থী জেএসএস ও গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফ এর নেতৃত্ব ধ্বংস করে তাদের আধিপত্য বিস্তারের এলাকাগুলো দখলে নেওয়া।
এরই ধারাবাহিকতায় ১০ এপ্রিল মহালছড়ি থেকে জেএসএস(এমএন লারমা) দলের দুই নেতাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা। এই ঘটনার একদিন পরেই ১১ এপ্রিল নানিয়ারচরে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে ব্রাশ ফায়ারে হত্যা করা হয় ইউপিডিএফ নেতা জনি চাকমাকে। এই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে ১২ এপ্রিল ইউপিডিএফ নামধারী সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র হামলায় জেএসএস(এমএন) লারমা দলের কালোময় চাকমা ও সাধন চাকমাকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এদের মধ্যে সন্ত্রাসীরা কালোময় চাকমাকে মেরেই ক্ষান্ত হয়নি, তাকে পুড়িয়েও ফেলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনার রেশ কাটতে নাকাটতেই জেলার বাঘাইছড়ি ১৩ এপ্রিল বাঘাইছড়ি থেকে অপহরণ করা হয় ইউপিডিএফ সমর্থক মিনিলা ওরফে মুলায়ন চাকমা নামের এক যুবককে। মূলায়নের ঘটনার পাল্টা হিসেবে এক উপজেলার সংস্কারপন্থী গ্রæপের সশস্ত্র শাখার দায়িত্বে থাকা নাগর চান চাকমাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা। এদিকে ১৫ তারিখে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা থেকে উদ্ধার করা হয় এক বাঙ্গালী যুবকের লাশ। তাকে অপহরণ করা হয়েছিলো আরো দুইদিন আগেই। মোশারফ হোসেন নামে উদ্ধারকৃত যুবকের লাশের শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিলো বলে জানিয়েছে পুলিশ। ১৫ এপ্রিল রাত আটটার সময় রাঙামাটির বাঘাইছড়ি ও খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় আঞ্চলিক দল ইউপিডিএফ ও জেএসএস (এমএন) এর মধ্যে চলা বন্দুকযুদ্ধে ইউপিডিএফর দুই নেতা বিজয় চাকমা ও তপন চাকমাকে গুলি করে হত্যা করে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা। এই ঘটনার সময় দীঘিনালা থেকে এক চাকমা যুবকে অপহরণ করা হয়েছে বলেও জানাগেছে। সাম্প্রতিক সময়ে হঠাৎ করেই আঞ্চলিক দলগুলোর মধ্যে এই ধরনের হামলা-পাল্টা হামলাসহ খুন, গুম অপহরণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় ভাবিয়ে তুলেছে পাহাড়বাসীদের। অর্ন্তকোন্দলে অগ্নিগর্ভ আকার ধারন করছে পাহাড়ের বর্তমান পরিস্থিতি। বিষয়টি নিয়ে শীঘ্রই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে জানিয়ে রাঙামাটির পুলিশ সুপার আলমগীর কবির বলেন, ইতিমধ্যেই আমি আমার এএসপি, সার্কেল এসপিসহ ওসিদের নির্দেশনা দিয়েছি, ঘটনা যেখানেই হোক প্রয়োজনীয় অধিক সংখ্যক ফোর্স নিয়ে সাড়াঁশি অভিযান পরিচালনার করা হবে। এই ব্যাপারে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর সাথেও পুলিশ কথা বলছে, তাদের সহাযোগিতা নিয়ে হলেও আমরা রেইড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরনের বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার আলমগীর কবির বলেন, পাহাড়ে কর্মরত পুলিশ সদস্যদেরকে যুগোপযোগি করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, সমতলের চেয়ে সম্পূর্ন ভিন্ন আঙ্গিকে পাহাড়ের পুলিশ বাহিনীকে তৈরি করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় লজিষ্টিক সার্পোট দিলে তাহলেই এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিপরীতে পুলিশ তড়িৎভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারবে। পুলিশ সুপার জানান, দেশ ও জাতির শত্রæ সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই। ২৪ ঘন্টা নয়তো ২৪ দিন, সময় যাই হোক, সকল সন্ত্রাসীদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।
বিপুল অংকের চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করেই পাহাড়ে একটিমাত্র দল জেএসএস থেকে পৃথক হতে হতে বর্তমানে ৬টি সশস্ত্র সংগঠনের সৃষ্ঠি হয়েছে। পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের দখলে রেখে আধিপত্য বিস্তারকারী এইসকল দলের রয়েছে সশস্ত্র শাখা। পাশ্বোর্ক্ত দেশ ভারত ও মায়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে আঁতাত করে পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সন্ত্রাসীরা দেশী-বিদেশী ভারী অস্ত্র-গোলা বারুদ সংগ্রহ করে এসকল অস্ত্র ব্যবহার করছে নিজস্ব ভাতৃঘাতি সংঘাতসহ অত্রাঞ্চলের সাধারণ এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে। এসব অস্ত্রের ব্যবহারের মাধ্যমেই গত এদিকে ২০১৭ সালের ২১শে ডিসেম্বর রাঙামাটির নানিয়ারচরে অধিকাংশ জনপ্রতিনিধিসহ ২০ জনকে অপহরণ করে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। এই সকল সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের তালিকায় ছিলো আরো তিনটি নিহতের ঘটনা। তারমধ্যে গত ৫ই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের নেতা ও জুড়াছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অরবিন্দু চাকমা, একইদিনে জেলার নানিয়ারচরে স্ব-জাতি সন্ত্রাসীদের গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হয় সাবেক জনপ্রতিনিধি অনধি রঞ্জন চাকমা। এই দুইটি ঘটনার মাত্র দশদিন পর ১৬ই ডিসেম্বর সদর উপজেলাধীন বন্দুকভাঙ্গা এলাকায় সশস্ত্র পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হয়, অনল বিকাশ চাকমা ওরফে প্লুটো চাকমা। সে ইউপিডিএফ এর বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নের সংগঠকের দায়িত্বে ছিলো বলে জানাগেছে। একইদিন বিলাইছড়িতে উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি রাসেল মারমাকে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে বেধড়ক শারীরিক নির্যাতন চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে মারাত্মক আহত হন রাসেল মারমা। এসব ঘটনার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেয়ায় রাঙামাটি শহরের ভালেদী আদম এলাকায় তার নিজ বাড়িতে ঢুকে জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ঝরনা চাকমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়ে গুরুত্বর আহত করা হয়। ২ জানুয়ারি রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিশ্বজিৎ তঞ্চঙ্গ্যাকে (৩৫) গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা। রাতে উপজেলার দুর্গম তিন নম্বর ফারুয়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। গত ৬ মার্চ আঞ্চলিক দলীয় সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে বেসরকারি মোবাইল ফোন কোম্পানী রবি’র চারজন টেকনেশিয়ানকে তুলে নিয়ে যায়। বিপুল অংকের চাঁদা আদায়ের লক্ষ্যে এই অপহরণ ঘটনা ঘটিয়েছে সন্ত্রাসীরা। গত ১০ই মার্চ বাঘাইছড়িতে গুলি করে হত্যা করা হয় ইউপিডিএফ এর কালেক্টর নতুনমনি চাকমাকে। গত ২১শে ফেব্রæয়ারীতে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা দুই পক্ষের বন্দুক যুদ্ধে প্রাণ হারায় এক চাকমা যুবক। সেদিন বুধবার সকালে উপজেলার যৌথ খামার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ২০শে ফেব্রæয়ারি খাগড়াছড়ির ঠাকুরছড়া এলাকা থেকে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায়ের সময় সাগর চাকমা ও পাইসানু মারমা নামে দুই যুবকে আটকও করে নিরাপত্তা বাহিনী। এরমাত্র তিনদিন আগে, পানছড়ির রাঙাপানিছড়া এলাকায় প্রতিপক্ষের ব্রাশ ফায়ারে ইউপিডিএফ এর নেতা বিনয় কুমার ওরফে দিলীপ কুমার চাকমা। গত ৩০শে জানুয়ারী রাঙামাটির বিলাইছড়িতে আঞ্চলিকদলীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুত্বর আহত হয়েছে আরো তিনজন। ২৪শে জানুয়ারী বান্দরবানে অপহরণ করা হয় এক তামাকচাষীকে। চাঁদা আদায়ের লক্ষ্যেই উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে। এরআগে ২০শে জানুয়ারী জেলার নাইক্ষ্যংছড়িতে একই কায়দায় অপহরণ করা হয় আরো ৪ তামাকচাষীকে। দিন দিন এসব বেড়ে যাওয়ার কারনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কর্মী, নারী নেত্রীসহ সাধারণ মানুষ। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, নিজেদের অন্তঃকোন্দলের শিকার হচ্ছেন পাহাড়ের মানুষ। মূলতঃ পাহাড়ে এখন পাহাড়িদের সংগঠনগুলো দুইভাগে বিভক্ত। শান্তিচুক্তির পক্ষ-বিপক্ষের কথা বলেই এই বিভক্তি। শান্তিচুক্তির পক্ষ-বিপক্ষ ইস্যুতে ২০০৯ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ভেঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএনলারমা) নামের আরেকটি সংগঠন আত্মপ্রকাশ করে। পার্বত্য চট্টগ্রামে পূর্ণস্বায়ত্তশাসন আন্দোলনের দাবিতে গঠিত ইউপিডিএফ গত বছরের নভেম্বরে দুই ভাগ হয়ে যায়। তাই পাহাড়ে এখন চারটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন সক্রিয় হলেও তাদের সাথে আরো যোগ হয়েছে নতুন দুইটি দল। মুখোশ বাহিনী ও মুখোশবাহিনী প্রতিরোধ কমিটি নামের এই দুইটি দল মূলতঃ একটি ইউপিডিএফ এর সমর্থিত অপরটি তাদের প্রতিপক্ষ দলের ছত্র ছায়ায় চলে। ১৯৭৩ সালের ৭ জানুয়ারি পিসি জেএসএস-এর নেতৃত্বে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রæপ ‘‘শান্তিবাহিনী’’ গঠন করার পর ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হয় পার্বত্য চট্টগ্রামে। এদের এসব কর্মকান্ডে খুন, ধর্ষণ, লুন্ঠন ও চাঁদাবাজির হীনকার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাহাড়ের আঞ্চলিকদলগুলো ভারী অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে ব্যাপকহারে সন্ত্রাসী তান্ডব চালানোর অন্যতম শক্তি পাচ্ছে বেশ কয়েক বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের কাছ থেকে। তাদের মধ্যে অন্যতম হলো- বান্দরবান ও রাঙামাটি এলাকায় আরাকান ন্যাশনাল এলায়েন্স (এআরএন), আরাকান লিবারেশন পার্টি (এলপি) ও ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম (উলফা), আরাকান সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও)-এর প্রায় তিন হাজারেরও বেশি সন্ত্রাসী ও গেরিলা বিভিন্ন গহীন অরন্যে ঘাঁটি করে অপতৎপরতায় জড়িত রয়েছে বলে জানা গেছে। সূত্র জানায়, সমপ্রতি ভারত-মিয়ানমার থেকে এসব সন্ত্রাসী গ্রুপ ও উপ-গ্রুপ এদেশের অরক্ষিত পার্বত্য এলাকা দিয়ে ভয়ঙ্কর সব আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ আনছে। মিয়ানমার ও ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলো অস্ত্র চালান বা বিকিকিনির সাথে সরাসরি জড়িত। তারা তাদের ব্যয়ভার ও খরচ সামলাতে অস্ত্র বেচাকেনা করে বলে জানা গেছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন