ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০২ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ সফর ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

নিরপেক্ষ নির্বাচনের পূর্বশর্ত বিশ্বাসযোগ্য ভোটার তালিকা

ভোটার দিবসে আইনমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২ মার্চ, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, একটি নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য ভোটার তালিকা প্রণয়নের গুরু দায়িত্ব পালন করা নির্বাচন কমিশনের অন্যতম প্রধান কাজ। বর্তমান নির্বাচন কমিশন এই দায়িত্ব অত্যন্ত সুচারুরূপে পালন করছে। অবাধ, শুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অন্যতম পূর্বশর্ত হলো একটি বিশ্বাসযোগ্য ভোটার তালিকা।
গতকাল শুক্রবার ঢাকার আগারগাঁও এলাকায় নির্বাচন ভবনে জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে বিশেষ অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন যখন যে ধরণের সহযোগিতা চাইবে তা প্র্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার অতীতে যেভাবে দিয়ে এসেছি ভবিষ্যতেও সেভাবে দিতে থাকবো। এর কোন ব্যত্যয় হবে না। মন্ত্রী বলেন, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত না হওয়ার বড় কারণ ছিল তৎকালীন ভোটার তালিকায় প্রায় সোয়া কোটি ভুতুড়ে ভোটারের অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ। বিষয়টি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায় এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ওই ভোটর তালিকা সংশোধন করে তা নির্ভুল করার নির্দেশ দেন। এই নির্দেশনা অনুযায়ী তৎকালীন নির্বাচন কমিশন ছবিযুক্ত একটি নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন করে। ভোটার তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে এটি ছিল যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তিনি আরও বলেন, জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি এমন সকল যোগ্য নাগরিককে ভোটার তালিকাভুক্ত করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানান। আর একজন ব্যক্তিও যাতে একাধিক স্থানে ভোটার তালিকাভুক্ত হতে না পারে তাও গুরুত্বের সাথে খেয়াল রাখার অনুরোধ জানান তিনি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (2)
Mohammed Shah Alam Khan ২ মার্চ, ২০১৯, ১১:১৪ পিএম says : 0
দাপটের সাথে ক্ষমতাধর মন্ত্রী বাহাদুর সমীপেষু, আমি একজন সাধারন বাংলাদেশের নাগরিক আপনার নীতি কথা শুনতে শুনতে কান আমার ঝালাপালা হয়েগেছে। আমি ভেবেছিলাম এবার হয়তো আপনাকে আর আইনমন্ত্রী হিসাবে পাবোনা কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য আপনি আবার এসেছেন নেত্রী হাসিনার দয়ায় এটাই সত্য। আমরাও মেনে নিয়েছি কারন আপনি নেত্রী হাসিনার পছন্দ। কিন্তু আমি এবার আপনাদের ভুল ভ্রান্তি অবশ্যই নেত্রী হাসিনার নজরে আনবো ইনশ’আল্লাহ। আমি গত ১৮ ফেব্রুয়ারী ফেসবুকের একজন উকিলের পাতায় আপনার বিপক্ষে একটা মন্তব্য করেছিলাম পরে শুনেছি আপনার দপ্তর থেকে তাঁকে শাসিয়েছে!!! সেই উকিল সাহেব আমার মন্তব্য কেটে দিয়েছে আমি আবার সেখানে ইংরেজীতে প্রতিবাদ করেছি যদিও সেখানে আপনাকে নিয়ে লিখিনি কারন আমি আপনার নিজস্ব দপ্তরের লোকজনদের ভয়ে ভীত হয়ে থাকি সবসময়। কিন্তু সেদিন রাগের মাথায় লিখে ফেলেছিলাম। আমি লিখেনা কারন কখন আবার আপনার দপ্তরের ফোন পেয়ে দেশের রাজা পুলিশ আমাকে বিরক্ত করা শুরু করে আমার আরাম হারাম করে দিবে। তাই আজ আমি সাহস করে এই জাতীয় পত্রিকা এবং নির্ভীক সংবাদ মাধ্যম যেখান থেকে আমার অনেক সাহসী লিখা মন্তব্যের আকারে তাঁর পত্রিকায় ছাপায়। সেই পত্রিকা ইনকিলাবের মাধ্যেমে আমি আপনাকে সাথে সাথে প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনতে চাই আপনার নিজস্ব দপ্তর থেকে আদলতকে বিভ্রান্ত করা হয় এটা আমার অভিযোগ। বিদেশী সংস্থা আপনাদের বিপক্ষে মানে আদলতে দুর্নীতির কথা প্রচার করেছে এবং সারা বিশ্ব এটা মেনেও কিছু করতে পারেনা কারন অন্যের দেশে তাদের কোন ক্ষমতা নেই। তাঁর পারে শুধু তুলে ধরতে কিন্তু সংশোধন করার মালিক আপনারা। বিদেশীরা আপনাদের বিপক্ষে এমনিতেই বলে না আপনাদের কারনেই বলে থাকে। এসব অভিযোগ প্রমাণ করা খুবই কঠিন কারন মামলা রায় এমনভাবে হয়...... নয়ত ঝুলে যায়... তবে আলামতে বলে দিবে এটাও সঠিক তাই না? আমি ভেবেছিলাম ঐ উকিলের সামাজিক পাতায় লিখে এর প্রতিকার করবো কিন্তু আপনার দপ্তরের লোকদের দৌরত্ব এতই বৃদ্ধি পেয়েছে যে আমাকে বাধ্য হয়ে এই সামান্য বিষয়টা নিয়ে কামান দাগাতে হল। আমি সামাজিক পাতায় লিখেছি আমি কোন ভুল তথ্য দিয়ে ফেসবুকে আসিনি... কাজেই আমি আশা করেছিলাম আপনার দপ্তরের লোক আমার সাথে যোগাযোগ করে সত্যতা যাচাই করবে। যেমনটা এই পত্রিকায় লিখার পর বিভিন্ন দপ্তর আমার সাথে যোগাযোগ করেছে। কিন্তু না আপনার ব্যাক্তিগত কর্মকর্তা উকিল মিয়াকে শাসিয়েছে...... যেজন্যে আমার মন্তব্য পাতা থেকে মুছে ফেলা হয়েছে কি সাংঘাতিক আপনারা???? আপনার এসব দুর্নীতি পরায়ণ কর্মচারী যতদিন আপনার আসেপাশে থাকবে ততদিন আপনি বড় বড় কথাই বলে যেতে পারবেন কিন্তু আমাদের কোন মঙ্গল করতে পারবেন না এটাই সত্য। তবে আমি এরআগে এভাবে সাহসিকতার সাথে আপনাদের বিরুদ্ধে লিখিনি ভয়ে। এখন নেত্রী হাসিনার দেয়া সাহসের কারনেই আমি আপনার বিপক্ষে লিখলাম এখন প্রমাণ করুন কেন আপনাদের দপ্তরে হাজার হাজার উকিল ও দালালরা ভীড় জমায়... আর কেন মামলার জটের সৃষ্টি হয়... কেন মামলার রায়ে বিলম্ব হয়... সব কেনর জবাব আপনার ব্যাক্তিগত দপ্তর...... আল্লাহ্‌ আমাকে সহ সবাইকে সত্য কথা বলার সাহস দিন। আমিন
Total Reply(0)
Mohammed Shah Alam Khan ২ মার্চ, ২০১৯, ১১:১৭ পিএম says : 0
ইনকিলাব পত্রিকার অন-লাইন সম্পাদক সাহেব, আমি একটু আগেই আপনার নিকট আমার একটা মন্তব্য পাঠিয়েছি। আমার অনুরোধ আমার দায়িত্বে আপনি এটা যদি আপনার পত্রিকায় ছাপিয়ে দেন তাহলে আমি সহ দেশের প্রচুর লোক উপকৃত হবেন এটা আমার বিশ্বাস। ধন্যবাদ, মোহাম্মদ শাহ আলম খান কানাডা থেকে সময় এখানকার দুপুর ১২টা ১৪মিনিট ঢাকা সময় রাত ১১টা ১৪মিঃ
Total Reply(0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন