ঢাকা, শনিবার, ৩০ মে ২০২০, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৬ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী

সারা বাংলার খবর

১৪ পুলিশের বিরুদ্ধে দুই নারীর মামলা

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ২৮ জুন, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

ভৈরব থানা হেফাজতে থাকা অবস্থায় এক আসামীকে নির্যাতন ও মামলা থেকে অব্যহতির দিতে ঘুষ দাবির অভিযোগে দুই ওসি ও ৮ এসআইসহ ১৪ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছে ভুক্তভোগি পরিবার।

কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মোখলেছুর রহমান, ওসি তদন্ত বাহলুল খান বাহার, এসআই আনোয়ার হোসেন মোল্লা, মোখলেছুর রহমান রাসেল, আব্দুল আজিজ, আবুল খায়ের, অভিজিৎ দাস, আমজাদ হোসেন, জালাল উদ্দিন, মতিউজ্জামান ও ৪ কনস্টেবলসহ ১৪জনকে আসামী করে বৃহস্পতিবার ভৈরব পৌর শহরের ভৈরবপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের শেখ সাদিয়া সুলতানা ও একই এলাকার শেখ শাহানাজ আক্তার সুমনা বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো: সায়েদুর রহমান মামলা দুটির প্রাথমিক অনুসন্ধান ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা পুলিশ সুপার এবং দুর্নীতি দমন কমিশন, ময়মনসিংহ সমন্বিত কার্যালয়ে সকল কাগজপত্র পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি সাদিয়া সুলতানার ভাই শেখ আশরাফুল আলম বিজনকে ভৈরব থানা পুলিশ একটি মামলায় আসামি হিসেবে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। ওই বছরের ১১ মার্চ হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পান আশরাফুল আলম বিজন।

এ মামলায় কারাগারে থাকার সময় সংঘটিত অন্য একটি হত্যা মামলায় তাকে আটক করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। পরে এ মামলায় জামিন পেয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি বিকেলে ভৈরব থানায় যান বিজন। ওই সময় ভৈরব থানার এসআই ও দুই ওসি হত্যা মামলার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়ার কথা বলে তার কাছে ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। পুলিশকে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয়া হয়।

অপরদিকে শেখ আশরাফুল আলম বিজনের স্ত্রী শেখ শাহনাজ আক্তার সুমনার দায়েরকৃত মামলায় পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে ভৈরব থানার দুই ওসি সহ ৮ এসআই ও ৪ কনস্টেবলকে অভিযুক্ত আসামি করা হয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (7)
Karim ২৮ জুন, ২০১৯, ৪:৩৫ এএম says : 0
আশা করি এরা সঠিক বিচার পাবে।
Total Reply(0)
আবেদ খান ২৮ জুন, ২০১৯, ৪:৩৬ এএম says : 0
এই ধরনের ঘটনা হরহামেশাই ঘটে থাকে।
Total Reply(0)
তানবীর ২৮ জুন, ২০১৯, ৪:৩৬ এএম says : 0
ওই দুই নারীর সাহসের প্রসংশা করতেই হয়
Total Reply(0)
তফসির আলম ২৮ জুন, ২০১৯, ৪:৩৭ এএম says : 0
বিষয়টি নিয়ে যথাযথ তদন্ত হওয়াটা খুব জরুরী
Total Reply(0)
নাজিম উদ্দিন ২৮ জুন, ২০১৯, ৪:৩৮ এএম says : 0
আইনের মানুষের হাতেই এভাবে ঘটনা ঘটলে দেশের অবস্থা কি হবে তা একটু ভেবে দেখা উচিত।
Total Reply(0)
কাশেম আরমান ২৮ জুন, ২০১৯, ১২:৪৮ পিএম says : 0
আইনের পোশাক পড়ে যারা ঐ পোশাকের সম্মান দিতে জানেনা তাদেরকে কঠিন শাস্তি দেওয়া জরু।
Total Reply(0)
Rifath ২৮ জুন, ২০১৯, ১:৩৪ পিএম says : 0
আমারা এর সঠিক বিচার চাই
Total Reply(0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন