ঢাকা, সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ০৪ ভাদ্র ১৪২৬, ১৭ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

সারা বাংলার খবর

গাইবান্ধার ৪টি উপজেলার ১১৩টি গ্রাম বন্যা কবলিত ১ লক্ষ ৬৬ হাজার মানুষ পানিবন্দী

নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত

স্টাফ রির্পোটার গাইবান্ধা | প্রকাশের সময় : ১৫ জুলাই, ২০১৯, ১২:০৬ পিএম

অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আশা ঢলে গাইবান্ধায় তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, ঘাঘট ও করতোয়া নদীর পানি অব্যাহত রয়েছে। পানি বড়তে থাকায় জেলার ৪ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে আজ সকালে পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার ১১০ সেন্টিমিটার,ঘাঘট বিপদসীমার ৬৬ সেন্টিমিটার ও তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে করতোয়া নদীর পানি এখনও বিপদসীমার সামান্য নিচে রয়েছে।
সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার ২৬ টি ইউনিয়নের ১১৩টি গ্রামেসহ নতুন নতুন এলাকা বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। পানিবন্দী প্রায় ১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৭৪৭ জন মানুষ। জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ায় এরিমধ্যে তলিয়ে গেছে বিভিন্ন রাস্তা-ঘাট ও ফসলী জমি। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা ।
এদিকে ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি তোড়ে সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়নের বাগুড়িয়া এলাকায় বাঁধের ১শ ফিট অংশ ও ফুলছড়ি উপজেলার কাতলামারীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধ ধ্বসে গেছে। ফলে আকস্মিক বন্যায় প্রায় ৭/৮ শতাধিক বাড়িঘর ও ওইসব এলাকার ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। খোলাহাটী ইউনিয়নে ঘাঘট নদীর বাঁধ ভেঙে হুহু করে পানি ঢুকে নতুন করে ৭টি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।
পানি ঢুকে পড়ায় এ সব এলাকার ১৪৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছেন জেলা প্রাথমিক শিকষা অফিসার। বন্যা কবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে ।
পানিবন্দী নিরাশ্রয় মানুষের জন্য ৬৩টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের শুকনো খাবারের চাল, সোয়াবিন তেল, মসুর ডাল, লুডুস, চিনি ও লবণ ইত্যাদি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন