ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৫ সফর ১৪৪১ হিজরী

মহানগর

মাদরাসা শিক্ষকদের উন্নয়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হবে- অর্থমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৪:০৮ পিএম

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮-এর নতুন সকল পদসমূহে চলতি অর্থবছরেই শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দানে প্রয়োজনীয় অর্থবরাদ্দের আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) শেরে বাংলানগরে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের নিজ কার্যালয়ে আবেদন করেন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি আলহাজ¦ এ এম এম বাহাউদ্দীন ও মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা শাব্বীর আহমদ মোমতাজী।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, এটা একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। স্কুল-কলেজের মতোই মাদরাসার শিক্ষকরাও সুযোগ পাবে। এক্ষেত্রে কোন ধরণের বৈষম্য করা হবে না। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। তাই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, অর্থসচিব দেশের বাইরে আছে উনি আসলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো। মাদরাসার উন্নয়নে দ্রুত সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হবে।

অর্থমন্ত্রীর কাছে আবেদনে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন জানিয়েছে, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত ইচ্ছায় মাদরাসা শিক্ষার ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে, এ জন্য আমরা মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ। ১৯৯৫ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জারীকৃত জনবল কাঠামো অনুযায়ী বর্তমান পর্যন্ত মাদরাসা, শিক্ষক কর্মচারী ও শিক্ষক কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছেন। ১৯৯৫ সালে মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা এইচএসসি সমমানের ছিল এবং সে হিসেবেই শিক্ষক-কর্মচারী মাদরাসায় কর্মরত আছেন।

বর্তমান সরকারের আমলে মাদরাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী ও আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তথ্য প্রযুক্তি, ইংরেজি, বাংলা, বিজ্ঞান, সমাজকল্যাণ, অর্থনীতি, পৌরনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয় বাধ্যতামূলক করে মাদরাসা শিক্ষাকে অনার্সসহ মাস্টার্স স্তর (এম এ) পর্যায়ে উন্নীত করা হয়েছে। এরই আলোকে সিলেবাস, কারিকুলাম, প্রণয়ন করে পাঠদান চলছে। কিন্তু দুঃখের ১৯৯৫ সালে জারীকৃত এইচএসসি মানের শিক্ষক দ্বারাই মাদরাসাগুলো পরিচালিত হচ্ছে। বিষয়টি অনুধাবন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালে নতুন জনবল কাঠামোসহ এমপিও নীতিমালা প্রণয়ন করেন। যা অর্থমন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও অতিরিক্ত বাজেট না থাকায় বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। যার ফলে মাদরাসা শিক্ষা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব (অর্থ বিভাগ) বরাবরে পর্যায়ক্রমে ৪ বছরে নতুন পদে শিক্ষক নিয়োগের অর্থ বরাদ্দের পত্র দেয়া হয়। আমরা মনে করি পর্যায়ক্রমে আগামী চার বছরে শিক্ষক নিয়োগ করা হলে মাদরাসা শিক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই চলতি অর্থ বছনে নতুন সৃস্ট পদে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের বিষয়ে অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার আবেদন জানান।

উল্লেখ্য, স্কুল-কলেজে ২০১৮ সালের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী চলতি বছরে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মাদরাসা শিক্ষায় এখনো এ নীতিমালা বাস্তবায়ন হয়নি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (12)
পাবেল ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৪:৩৬ পিএম says : 0
আশা করি এবার আমাদের হতাশা দূর হবে। ইনশা আল্লাহ
Total Reply(0)
আবেদ খান ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৪:৩৭ পিএম says : 0
বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি এ এম এম বাহাউদ্দীন ও মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা শাব্বীর আহমদ মোমতাজী সাহেবকে মোবারকবাদ জানাচ্ছি
Total Reply(0)
Badal Hussain ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৪:৩৪ পিএম says : 0
বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনকে অসংখ্য ধন্যবাদ
Total Reply(0)
আশা করি এবার আমাদের হতাশা দূর হবে। ইনশা আল্লাহ ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৭:৪৩ পিএম says : 0
আশা করি এবার আমাদের হতাশা দূর হবে। ইনশা আল্লাহ বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনকে অসংখ্য ধন্যবাদ
Total Reply(0)
আশা করি এবার আমাদের হতাশা দূর হবে। ইনশা আল্লাহ ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৭:৪৩ পিএম says : 0
বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনকে অসংখ্য ধন্যবাদ
Total Reply(0)
মো: আব্দুল মুকিত ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৫:৪৬ এএম says : 0
বাংলায়দেশ জমিয়তুল মুদাররেছিনকে মোবারকবাদ বাহাউদ্দিন সাব ও শাব্বির আহমদ কে
Total Reply(0)
এ কে এৃম এ মোনএম সরকার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৯:২৭ এএম says : 0
আশাবাদী হয়ে থাকলাম আমিন!!!
Total Reply(0)
মোঃ গোলাম রব্বানী শাহ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১১:৫০ এএম says : 0
সকল মাদরাসা শিক্ষকদের পক্ষ থেকে সরকার ও বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
Total Reply(0)
মোঃ শামীম হোসেন ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৫:১০ পিএম says : 0
মাদ্রাসার দাখিল পর্যায়ে লাইব্রেরিয়ান পদে এমপিও ভুক্ত এই অর্থবছরে হবে?
Total Reply(0)
MOHAMMAD ALI ZINNAH ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৬:৩৯ পিএম says : 0
school&college ২০১৮ সালের নীতিমালা কার্যকর হয়েছে তাহলে মাদ্রসায় অবশ্য কার্যকর করতে হবে তা না হলে সমস্ত মাদ্রসার শিক্ষকরা আন্দোলন করতে প্রস্তুত।
Total Reply(0)
সৈয়দ সাজেদ উল্লাহ আজিজী ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৯:০৬ পিএম says : 0
মাদারাসায় মহিলা শিক্ষকের কোটার কারণে অসংখ্য প্রতিষ্ঠানে পদ খালি রয়েছে।এ ব্যাপারে এনটিআরসিএ কোন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়নি।বোয়ালখালী উপজেলার বেঙ্গুরা সিানয়ার মাদরাসায় বর্তমানে পুরাতন জনবল কাঠামো অনুসারে ৪ টি শিক্ষক পদ খালী পড়ে আছে।এর মধ্যে ইবতেদায়ী প্রধান পদটি বিগত ১/৬/২০১৬ থেকে খালি রয়েছে।বাকী ৩টি পদেরে মধ্যে সহকারী মৌলভী পদটি ১/১২/২০১৯ হতেে,উংরেজী প্রভাষক পদটি ১/৩/২০১৯ হতে এবং সহ শিক্ষক গণিত ও সাঃ পদটি ফেব্রুয়ারী ২০১৯ হতে শূন্য।
Total Reply(0)
Tangira Khanom ৬ অক্টোবর, ২০১৯, ১০:৪৯ পিএম says : 0
ধন্যবাবান্তে বলতে হচ্ছে মাদরাসার পাঠ্যক্রম থেকে আরবী ২০০ নম্বর পরিবর্তে ১০০ নম্বর করলে শিক্ষার্থীদের পাথর বোঝা লাঘব হবে , ঐচ্ছিক বিষয় বাংলাদেশ বিশ্বপরিচয় বাধ্যতমুলক করা , গার্সস্থ্যবিজ্ঞান বিষয় ছাত্রীদের পাঠদানে বাধ্য করা , কুরআনকে সৃজনশীলমুক্ত করে ৪০ নম্বর প্রাক্টিক্যাল রাখা , তথ্য যোগাযোগ + ক্যারিয়ার একত্রে ১০০ নম্বরে প্রাক্টিক্যাল ৪০ বাকি ৬০ নম্বর কেন্দ্রে পরিক্ষার ব্যাবস্থা করা । প্রতিষ্ঠান প্রধানকে এবং সহ প্রধানকে বিএড এমএড করতে বাধ্য করা আর দুজনের মধ্যে একজন জেনারে শিক্ষায় শিক্ষিত হলে ভাল হত ।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন