ঢাকা, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৯ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৭ জামাদিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

মহানগর

হুমকি আছে, জনগণের ভালবাসাও আছে: বৈশাখী সাঈদ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২২ জানুয়ারি, ২০২০, ৬:১৮ পিএম | আপডেট : ৬:৩০ পিএম, ২২ জানুয়ারি, ২০২০

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী এই ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা মমিনুল হক সাঈদের স্ত্রী ফারহানা আহম্মেদ বৈশাখী।

নিয়মিত প্রচারণা চালাচ্ছেন বৈশাখী। প্রতিদিনই কয়েকশত মেয়েদের নিয়ে মাঠে নামছেন তিনি। আওয়ামী ঘরানার হলেও এখন আওয়ামী লীগের কেউ নন তিনি। নির্বাচনে প্রধান প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ। পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা, প্রচারণায় বাধাসহ প্রতিনিয়ত হুমকি ধামকি ভয় দেখানোর ঘটনা ঘটলেও শেষ দেখতে চান আলোচিত কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদের স্ত্রী। ফারহানা আহম্মেদ বৈশাখী ইনকিলাবকে বলেন, প্রচারণা চালাচ্ছি যুদ্ধ করে। নিজেদের মানুষের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছি। প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকি ও নানা ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে যেন নির্বাচন থেকে সড়ে দাড়াই। কিন্তু আমি নির্বাচন করবোই। হুমকির কারণে থানায় জিডি করেছেন তিনি।

বৈশাখী জানান, হুমকি, ভয়ভীতি যেমন আছে তেমনি সাধারণ জনগণের ভালবাসাও পাচ্ছি। আমার স্বামী মমিনুল হক সাঈদ এলাকায় যেসব উন্নয়ন করেছেন সেই কাজের জন্য সাধারণ মানুষের প্রশংসা ও দোয়া পাচ্ছি। এলাকার উন্নয়ন অব্যহত রাখার জন্য আবারও আমাদের পরিবারকে সুযোগ দেয়ার জন্য ভোট চাচ্ছি।

এ ওয়ার্ডে গতবার কাউন্সিলর ছিলেন দক্ষিণ যুবলীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক মমিনুল হক সাঈদ। ক্যাসিনোকান্ডে দল ও কাউন্সিলর পদ থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন তিনি। দলে না থাকায় এবার তিনি মনোনয়ন পাননি। এরপরও তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। কিন্তু নির্বাচন করছেন না সাঈদ; বর্তমানে সিঙ্গাপুরে আছেন চিকিৎসায়। নির্বাচন করছেন সাঈদের স্ত্রী ফারহানা আহম্মেদ বৈশাখী। তার মার্কা ‘ঠেলাগাড়ি’। তার পক্ষে এলাকায় ব্যাপক পোস্টারিং করা হয়েছে। এ ছাড়া এলাকাজুড়ে শোভা পাচ্ছে ব্যানার, ফেস্টুন।
তিনি জানান, আমার স্বামী গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছিলেন। তিনি এলাকার উন্নয়নে অবদান রেখেছেন। তার সাথে থেকে আমিও এলাকার মানুষের সেবা করেছি। এবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে জনগণকে আরো বেশি সেবা করতে চাই। আশা করি এলাকার মানুষ আমাকে বিমুখ করবেন না
বৈশাখী জানান, মমিনুল হক সাঈদ নিজের পকেটের টাকা দিয়েও এলাকার উন্নয়ন করেছেন। তাই মানুষ এখন তার অবদানের কথা উপলব্ধি করে। এলাকায় সিসি ক্যামেরা লাগানো, ড্রেনেজ উন্নয়ন, রাস্তার মাথায় গেট লাগানো, চুরি ছিনতাই বন্ধে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে সাঈদ। তার স্ত্রী হিসেবে আমিও অনেক মানুষের উপকার করেছি অন্তরাল থেকে। তাই মানুষের প্রতিদান হিসেবে এখন ভালবাসা ও সমর্থন পাচ্ছি। জনগণের ভালবাসাই আমার শক্তি। নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদি বৈশাখী।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন