শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯, ১২ রজব ১৪৪৪ হিজিরী

মহানগর

প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে

প্রকাশের সময় : ৭ জুলাই, ২০১৬, ১২:০০ এএম | আপডেট : ৩:৩১ পিএম, ৭ জুলাই, ২০১৬

মহাখালীর মসজিদে গাউসুল আজমে ঈদের জামাত


ইনকিলাব অনলাইন ডেস্ক : এক মাস সিয়াম সাধনার পর বিপুল আনন্দের মধ্য দিয়ে ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে সারা বাংলাদেশের মুসলমানরা।
এবারও ঈদের প্রধান জামাত হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন ঢাকার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদের প্রথম জামাত হয় সকাল ৭টায়। এর এক ঘণ্টা পর সকাল ৮টায় রাজধানীতে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত হয় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে।
বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের জ্যেষ্ঠ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের ইমামতিতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, মন্ত্রিসভার সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কূটনীতিক, সরকারি কর্মকর্তাসহ সব শ্রেণি পেশার নানা বয়সী মানুষ ঈদগাহে নামাজ আদায় করেন।
নামাজ শেষে বাংলাদেশসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত করেন মাওলানা মিজানুর রহমান।
এর আগে ‍খুতবায় রোজা ও ঈদের তাৎপর্য তুলে ধরেন মাওলানা সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান।
জামাত শেষে পরস্পরের সঙ্গে কোলাকোলি ও কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সবাই।
সংযমের মাস রোজার মধ্যে নৃশংস জঙ্গি হামলার পর এবার অন্য এক আবহে ঈদ এসেছে বাংলাদেশে। ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় দেশি-বিদেশি ২০ প্রাণ ঝড়ে যাওয়ার শোক বুকে নিয়েই এ দেশের মানুষ ঈদ করছে এবার।
ওই হামলার প্রেক্ষাপটে এবার সব ঈদ জামাত ঘিরেই ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
যারা ঈদ জামাতে অংশ নিতে এসেছেন, তাদের যেতে হয়েছে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টরের তল্লাশির মধ্য দিয়ে।
জায়নামাজ ছাড়া আর কিছু যাতে কেউ সঙ্গে না আনেন, সে বিষয়ে আগেই সবাইকে সতর্ক করেছিল পুলিশ।
ঈদের দিনের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারা দিন থেমে থেমে বৃষ্টি বাগড়া দিতে পারে আনন্দে। তবে ঈদের সকালে সে ভোগান্তিতে রাজধানীবাসীকে পড়তে হয়নি।
ঈদ উপলক্ষে ঈদগাহ ময়দান ও আশপাশের সড়কগুলো সাজানো হয় নতুন সাজে। রাতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভবনে রয়েছে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা।
বৃহস্পতিবার সকালে দলে দলে মানুষ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন ঈদগাহ ময়দান ও মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করতে জমায়েত হয়। মহাখালীর মসজিদে গাউসুল আজমে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু করে এক ঘণ্টা পরপর চারটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত হয়েছে শোলাকিয়ার ঈদগাহ ময়দানে। কয়েক লক্ষ মুসল্লির উপস্থিতিতে সকাল সোয়া ১০টায় জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা আবদুর রউফ বিন শোয়াইব।

 

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন