ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২০, ২৩ আষাঢ় ১৪২৭, ১৫ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

ট্রাম্প-মোদি ফোনালাপ নিয়ে সন্দেহ

ভারতের সাথে সীমান্ত মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাখ্যান চীনের

নিউজ উইক : | প্রকাশের সময় : ৩১ মে, ২০২০, ১২:০১ এএম

চীন এবং ভারত তাদের বিতর্কিত সীমান্তে সাম্প্রতিক সংঘর্ষ নিরসনে হোয়াইট হাউসের মধ্যস্থতামূলক ভ‚মিকা নেয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এই সমস্যা নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে কথা বলার দাবি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

বুধবার ট্রাম্পের একটি টুইট, ‘যুক্তরাষ্ট্র ভারত ও চীনকে জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র তাদের এখনকার ক্রমবর্ধমান সীমান্ত বিরোধের মধ্যস্থতা বা সালিশ করতে প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম’, এবিষয়ে জানতে চাওয়া হলে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বেইজিংয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন যে, পরিস্থিতিমূলত স্থিতিশীল এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্য এবং উভয় পক্ষ নিজেরাই এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

ভারত-চীন সীমান্ত সমস্যা নিয়ে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়ে দু’পক্ষেই মুখ পুড়ল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। চীনের পররাষ্ট্র মুখপাত্র স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, চীন ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য নির্দিষ্ট পথ রয়েছে, কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, ‘উভয় পক্ষের তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন ছাড়াই সংলাপ এবং পরামর্শের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার সমস্যাগুলি সঠিকভাবে সমাধান করার ক্ষমতা রয়েছে।’

আর ভারতের সরকারি সূত্রে দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে চীনের ব্যাপারে কথা হওয়ার যে দাবি ট্রাম্প করেছেন, তা সম্পূর্ণ অমূলক। গত ৪ এপ্রিল হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে শেষ দু’জনের মধ্যে কথা হয়েছে!

বেইজিং ও নয়াদিল্লির কর্মকর্তারা তাদের সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে কয়েকটি বিশদ বিবরণ দিয়েছেন, তবে উভয় দেশের সংবাদমাধ্যমের খবরে প্রকাশ পেয়েছে যে, চীনা ও ভারতীয় সেনাদের মধ্যে কমপক্ষে ৪টি স্থানে নিরস্ত্র সংঘর্ষ হয়েছে: প্যাংগং সো, গালওয়ান, ডেমচোক এবং দৌলত বেগ ওল্ডি।

দুটি দেশ সংক্ষেপে ১৯৬০ সালে লাদাখ ও আকসাই চীনের এই অঞ্চলে এবং ২০১৭ সালে সিকিম ও তিব্বতকে পৃথক করে এমন একটি স্থানে সংক্ষিপ্ত যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল, যেখানে তারা নিরস্ত্র লড়াই করেছিল।

বেইজিং এবং নয়াদিল্লি উভয়ই সাম্প্রতিক বছরগুলিতে নিজেদের আঞ্চলিক দাবি জোরদার করার প্রচেষ্টা ত্বরান্বিত করেছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাইওয়ান এবং দক্ষিণ চীন সাগরকে কেন্দ্র করে তার দেশের সার্বভৌমত্বের উপর জোর দিয়েছেন। এদিকে, মোদি লাদাখসহ বিতর্কিত কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণকে আরো জোরদার করার প্রচেষ্টা ত্বরান্বিত করছেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (6)
Procheta Maitra ৩১ মে, ২০২০, ১:২৪ এএম says : 0
এই করোনা আবহে নোংরা রাজনীতি করে অন্যান্য দেশের দুর্বলতার সুযোগে আঘাত করে, বিশ্বের সেরা শক্তিশালী দেশ হতে চাইছে চীন।
Total Reply(0)
Joy Chanda ৩১ মে, ২০২০, ১:২৪ এএম says : 0
চিন যতই হুমকি দিক না কেন যুদ্ধে যাবে না চিন ভালো করে জানে ভারত এখন আর দুর্বল নয় সামরিক দিক দিয়ে এখন অনেক উন্নত
Total Reply(0)
Aloke Chatterjee ৩১ মে, ২০২০, ১:২৫ এএম says : 0
চিন কখনও যুদ্ধেযাবে না। সীমান্তের ওপার থেকে স্যাকরার ঠুকঠাক চালালেও কামারের এক ঘা দিতে সাহস পাবে না।ভারত ও কামারের এক ঘা দিতে প্রস্তুত।তাই আমাদের ছায়াযুদ্ধের মজা দেখে যেতে হবে।খুব হুমকি হামকা দিচ্ছিল আজ আবার সুর নরম করেছে। আমেরিকা অষ্ট্রেলিয়া জাপান তাইওয়ান কেউই চিনের ওপর খুশি নয়।
Total Reply(0)
Abdul Basir ৩১ মে, ২০২০, ১:২৫ এএম says : 0
আমেরিকা শুধু মুখে কাজের বেলায় ঘন্টা.
Total Reply(0)
RAYAN ৩১ মে, ২০২০, ৭:৩০ এএম says : 0
CHINA IS A PAPER TIGER ONLY. SMALL VIETNAM ALSO GAVE THEM A GOOD LESSON. AT THIS TIME INDIA WILL NOT DO ANY MISTAKE. THEY WILL TAKE THE TIBET AND HAND OVER TO DALAILAMA. MANY COUNTRIES ARE READY TO RECOGNIZE INDEPENDENT TIBET
Total Reply(0)
Shah noor ১ জুন, ২০২০, ৭:১৫ এএম says : 0
৬২ সালে নেহেরু শক্তিশালী আমেরিকাকে সাথে নিয়েও দূর্বল চীনের সাথে পারেনি,বরং শিক্ষা পেয়েছিল, আর এখন?
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন