ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৩ কার্তিক ১৪২৭, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

দক্ষিণ-পশ্চিমে বাড়ছে বেচাকেনা

মিজানুর রহমান তোতা : | প্রকাশের সময় : ৩০ জুলাই, ২০২০, ১২:০২ এএম

ভারত থেকে গরু ঢোকা বন্ধ হওয়ায় খামারি ও কৃষকরা বেজায় খুশি। তারা বলছেন খুব বেশি লাভ হোক বা না হোক, লোকসান হবে না। ভারতের গরু ঢুকলে পশুহাটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। সীমান্ত সূত্র জানায়, এবার ভারতের গরু ব্যবসায়ীরা সুবিধা করতে পারেনি। তবে চামড়া ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ থেকে চামড়া সংগ্রহের ফন্দিফিকির আঁটছে। তারা এপারের চামড়া নেয়ার জন্য ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করছে নানাভাবে। বিজিবি ও সীমান্ত সূত্র জানিয়েছে ভারত থেকে কোরবানি উপলক্ষে এবার গরু ঢোকাতে পারেনি ভারতের গরু ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সীমান্তবর্তী দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে কোরবানির পশুহাটগুলো শেষ মুহূর্তে জমজমাট। বেড়েছে গরু ও ছাগল বেচাকেনা। কোন হাটেই ভারতীয় গরু চোখে পড়েনি। দেশি গরুর চাহিদাও ব্যাপক। প্রতিটা হাটে গরু আর গরু। এবার গতবারের চেয়ে দাম কম। যশোর, ঝিনাইদহ, খুলনা, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা, নড়াইল ও সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি পশুহাটের চিত্র ভারতীয় গরুর স্থান নেই। দেশি গরু চাহিদা মিটাচ্ছে।
যশোর নতুন খয়েরতলার শাহেদ রহমান রমি, পুরাতনকসবা মানিকতলার ওয়ালিউল হাসনাত রকি ও সাতক্ষীরার কলারোয়ার ইসলামপুরের আবুল কালাম আজাদ ম্যানের সাথে কথা হয় পশুহাটে। তাদের কথা, হাট ঘুরে দাম যাচাই-বাছাই করছি। গ্রামে কৃষকের লালন-পালন করা গরু কেনার দিকেই ঝোক বেশি। বিভিন্ন কোরবানির পশুহাটে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাটে প্রচুর গরু ও ছাগল ওঠছে। বেচাকেনাও হচ্ছে। কোরবানির আগের দুই দিন আরো বেশি বেচা হবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে তুলনামূলকভাবে এবার ছাগলের দাম চড়া।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চামড়ার বড়হাট যশোরের রাজারহাটে গতকাল খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখন থেকেই চামড়া ব্যবসায়ীরা চামড়া সংগ্রহের প্রস্ততি নিচ্ছেন। চামড়া ক্রয়ের জন্য অর্থ যোগাড় করছেন।
সীমান্ত সূত্র আরো জানায়, সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলের সাতক্ষীরা, কলারোয়া, যশোরের বেনাপোল, চৌগাছা, ঝিনাইদহের সামান্তা, যাদবপুর, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর, দর্শনা, মেহেরপুরের গাংনী ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুরসহ বিভিন্ন সীমান্তের কোরবানির পশুহাটে বিক্রেতারা কঠিনভাবে দেশি গরু ক্রয় করে ব্যবসা করছেন। তাতে রিস্ক কম, লাভও তুলনামূলক বেশি।
গরু ব্যবসায়ী আজগর আলী ঝিকরগাছা পশুহাটে কথা প্রসঙ্গে বলেন, কেন যে এক শ্রেণির গরু ব্যবসায়ী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভারত থেকে গরু আনার চেষ্টা করে তা বুঝি না।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন