ঢাকা বুধবার, ২০ জানুয়ারি ২০২১, ০৬ মাঘ ১৪২৭, ০৬ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

কমলনগরে দুর্যোগের ক্ষতি কাটিয়ে তুলতে ৩৬ লাখ টাকার কৃষি উপকরণ সহায়তা

কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ৩০ নভেম্বর, ২০২০, ৭:৩৬ পিএম

প্রাকৃতিক বান-বন্যা, মেঘনার তীব্র জোয়ারে ভেসে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার তিন হাজার ১৫০ জন কৃষক ৩৫ লাখ ৯১ হাজার টাকার কৃষি উপকরণ(সার,শষ্য- বীজদানা) সহায়তা পাচ্ছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি কাটিয়ে উঠাতে পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সরকার তাদের এ সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় উপজেলার আড়াই হাজার কৃষক ২৬ লাখ ১৯ হাজার টাকা মূল্যের সহায়তা এবং প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৬৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক ৯ লাখ ৭২ হাজার টাকার সার ও বীজ সহায়তা পাবেন। ইতোমধ্যে কৃষি বিভাগ সুবিধাভোগী কৃষকদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে। তালিকা চুড়ান্ত অনুমোদন শেষে কৃষকদের মাঝে সার ও উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে।


উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দুই দফার অতিবৃষ্টি ও মেঘনার জলোচ্ছ্বাসে উপজেলায় কৃষি খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। অধিক ফসল ফলিয়ে এ ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দুই হাজার ৫০০ কৃষকের মাঝে ২৬ লাখ ১৯ হাজার ৩৮০ টাকার সহায়তা বিতরণ করা হবে। সহায়তা হিসেবে কৃষকরা গম, সরিষা, সূর্যমুখী, চীনাবাদাম, মসুর, খেসারি, টমেটো ও মরিচের বীজ এবং ডিএপি ও এমওপি সার রয়েছে।

গমের ক্ষেত্রে প্রতি কৃষক ২০ কেজি বীজ, সরিষার এক কেজি, চীনাবাদামের ১০ কেজি, মসুরের পাঁচ কেজি, খেসারির আট কেজি, সূর্যমুখীর এক কেজি, টমেটোর ৫০ গ্রাম ও মরিচের ক্ষেত্রে ৩০০ গ্রাম বীজ পাবেন। সঙ্গে প্রত্যেক কৃষককে সর্বোচ্চ ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার সহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে। অপরদিকে রবি মৌসুমের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৬৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা ৯ লাখ ৭২ হাজার ৯৭০ টাকার বোরো, গম, ভুট্টা, সরিষা, সূর্যমুখী, চীনাবাদম, মুগডালের বীজ ও সার পাবেন। বোরোর ক্ষেত্রে প্রতি কৃষক এক কেজি বীজ, গমের ক্ষেত্রে ২০ কেজি, ভুট্টার ক্ষেত্রে দুই কেজি, সরিষার ক্ষেত্রে এক কেজি, সূর্যমুখীর ক্ষেত্রে এক কেজি, চীনাবাদামের ক্ষেত্রে ১০ কেজি ও মুগডালের ক্ষেত্রে পাঁচ কেজি করে বীজ পাবেন। তাদের প্রত্যেককে সর্বোচ্চ ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ইকতারুল ইসলাম জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ও জমিতে অধিক ফলনের লক্ষ্যে কৃষকদের এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এতে কৃষকরা ফসল আবাদে উৎসাহের পাশাপাশি অধিক ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে অধিক লাভবান হবেন ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন