ঢাকা রোববার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ৫ বৈশাখ ১৪২৮, ০৫ রমজান ১৪৪২ হিজরী

স্বাস্থ্য

আইবিএস রোগীর খাবার

| প্রকাশের সময় : ৫ মার্চ, ২০২১, ১২:০৪ এএম

ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রম বা আইবিএস আমাদের দেশের খুবই পরিচিত একটি সমস্যা। এই পেটের সমস্যাটা নিয়ে অনেকেই অনেক বেশি কষ্ট পান। আইবিএস হলে সেই রোগির ভোগান্তির যেন শেষ থাকে না। এসব রোগীদের হঠাৎ করে তীব্র পেটব্যথা হয়। অনেক সময় পেট মোচড় দিয়ে ওঠে এবং সাথে সাথে টয়লেটে যেতে হয়। বিভিন্ন কারণে মানসিক উদ্বিগ্নতা বাড়লে এই সমস্যা আরও বেড়ে যায়।

আইবিএস রোগীদের খাবারের ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। রোগীদের অনেকেরই আবার ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স থাকে। ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স যাদের থাকে তাদের দুধ জাতীয় খাবার খেলে পেটের ভিতরে ব্যথা হয়, পেট মোচড় দিয়ে ওঠে এবং আমাশা হয়। তাই যেসকল আইবিএস রোগীদের দুধ খেলে সমস্যা হয় তারা অবশ্যই দুধ এবং দুধের তৈরি সব খাবার বর্জন করবেন। আমাদের দেশের অনেকেই মিষ্টি, পায়েস বা ক্ষীর জাতীয় খাবার খুব পছন্দ করেন। আইবিএস যাদের আছে তারা এই ধরনের খাবার অবশ্যই বর্জন করবেন। যেহেতু এসব খাবার দুধ থেকেই তৈরি হয়। এসব খাবার খেলে কষ্ট পেতে হতে পারে।

যাদের আইবিএস আছে তারা শাক জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকবেন। এসব খেলেও আইবিএস রোগীর অনেক কষ্ট হয়। এছাড়া তেল চর্বি জাতীয় খাবার, হোটেলের তৈরি খাবার এবং ভাজাপোড়া আইবিএস রোগীদের বর্জন করা উচিত। অনেক আইবিএস রোগীর সমস্যা হয় গম জাতীয় খাবার খেলে। আইবিএস থাকলে তাই বর্জন করা উচিত গমের তৈরি বিভিন্ন খাবার। রুটি, বিস্কুট এবং চানাচুর এই জাতীয় খাবার খেলে আইবিএস রোগীদের কষ্ট বেড়ে যেতে পারে। আইবিএস রোগীরা বাসার তৈরি খাবার এবং সবজি জাতীয় খাবার খেতে পারবেন। এছাড়া মাছ, মাংস এবং বাসায় কম মশলা দিয়ে দিয়ে রান্না খাবার খেতে পারবেন। অতিরিক্ত মসলা এবং বেশি ভাজা জাতীয় খাবার আইবিএস রোগীদের না খাওয়াই ভালো।

পঁচা বাসি খাবার কখনোই খাওয়া যাবে না। এসব খাবার খেলে আমাশা বেড়ে যাবে এবং পেটে নানারকম অস্বস্তি হবে। বাসায় তৈরি বিভিন্ন খাবার আইবিএস রোগীর জন্য নিরাপদ। খাবারের ব্যাপারে সতর্ক হলে আইবিএস রোগীরা সুস্থ এবং সুন্দর জীবন যাপন করতে পারবেন। তবে আপনাকে অবশ্যই দুশ্চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টাও করতে হবে।

ডাঃ মোঃ ফজলুল কবির পাভেল

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন