ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ০১ আষাঢ় ১৪২৮, ০৩ যিলক্বদ ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

রাজশাহী কেমিকো কর্মচারীদের বেতন বোনাসের দাবিতে বিক্ষোভ

রাজশাহী ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ১২ মে, ২০২১, ১২:০৩ পিএম

রাজশাহী মহানগরীর টিকাপাড়ায় অবস্থিত কেমিকো ফার্মাসিউটিক্যালস ওষুধ কোম্পানীর কর্মচারীরা বেতন বোনাসের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে। বুধবার সকালে কোম্পানির সামনে তারা বিক্ষোভ করেন। এ সময় কর্মচারীরা দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের বেতন-বোনাস পরিশোধের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেয়।

বিক্ষোভকারী কর্মচারীরা জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতর দরজায় কড়া নাড়লেও এখনো কোম্পানির পক্ষ থেকে তাদের বেতন ও বোনাস দেয়া হয়নি। এ কারণে পবিত্র ঈদ উদযাপন করা তাদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। অর্থ না থাকায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তাদের ঈদ ভাল কাটবে না। আগে থেকে বেতন-বোনাস পরিশোধের জন্য বলা হলেও কোম্পানির পক্ষ থেকে তা করা হয়নি। এজন্য তারা ছুটির আগমুহূর্তে বেতন-বোনাস পরিশোধের জন্য বিক্ষোভ করছেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (2)
Dadhack ১২ মে, ২০২১, ১২:১২ পিএম says : 0
আমাদের দেশ যদি আল্লাহর আইন দিয়ে চলত তাহলে সরকারের ফরজ দায়িত্ব ছিল মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা যেমন অন্ন বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা চিকিৎসা. সরকার জনগণের সেবা দেওয়ার জন্য নিজের সব ধরনের আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকতো. যখন নবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] ও তার চার খলিফা কিভাবে দেশ শাসন করতো তার হাজারো প্রমান আছে কিছু উদাহরণ দেওয়া হল. নবীজির [SAW] কাছে সব থেকে প্রিয়তম ছিলেন তার মেয়ে ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা ঘরের সব কাজ করতে হতো. উনার কোনো কাজের লোক ছিল না. জাতা ঘুরাতে ঘুরাতে উনার হাতে ফোসকা পড়ে গিয়েছিল, তাই তিনি নবীজির [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর কাছে একটি কাজের লোক চেয়ে ছিলেন, কিন্তু নবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা কে কাজের লোক দেন নাই কেননা নবীজি অগ্রধিকার দিয়েছিলেন দেশের মানুষকে. এর পরিবর্তে নবীজি [SAW] ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা ও আলী [RA] বললেন সুবহানাল্লাহ 33 বার বলবে আলহামদুলিল্লাহ তেত্রিশ বার আল্লাহু আকবার 34 বার বলবে এই রকম উদাহরণ হাজারো দেওয়া যেতে পারে. মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন যে মাসের-পর-মাস আমাদের চুলাতে আগুন দেওয়া হয় নাই উনারা শুধু খেজুর ও পানি খেয়ে থাকতেন, কারণ নবীজি যা পেতেন তা জনগণের মধ্যে বিলিবন্টন করে দিতেন, নবীজির ঘর এত ছোট ছিল যে তিনি যখন তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করতেন তখন মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহুর পায়ে হাত দিতেন তখন মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা পা সরিয়ে নিতেন তখন নবী [SAW] সেজদা করতেন. আলী রাদিয়াল্লাহু যখন খলিফা হলেন, তখন তিনি সব জনসাধারণকে বেতন দিতেন সে সরকারি কাজ করুক বা না করুক খলিফা হয়েও মানুষের দুধ দিয়ে দিতেন, তিনি একজন বৃদ্ধ অসুস্থ মানুষের সব কাজ করে দিতেন. আলী রাদিয়াল্লাহু মৃত্যুর আগে ওসিয়ত করে গিয়েছিলেন, যে তারা এক খন্ড জমি আছে, সেই জমিটা বিক্রি করে তিনি যে বেতন বায়তুলমাল থেকে নিয়েছিলেন তা যেন বায়তুল মালে জমা দেওয়া হয়. ওমর রাদিয়াল্লাহু যখন খলিফা হলেন তখন তিনি সবার বেতন বাড়িয়ে দিলেন বাচ্চা হলে বায়তুলমাল থেকে চাইল্ড বেনেফিত দেওয়া হতো পেনশনের ব্যবস্থা করলেন আর ও জনগণের সেবার জন্য অসংখ্য কাজ করেছেন তার বিবরণ দিতে গেলে একটা বই হয়ে যাবে আমাদের শাসকগোষ্ঠী আমাদের কষ্টার্জিত ট্যাক্সের টাকায় রাজা রানীর মত জীবন যাপন করেন অথচ দেশের কোটি কোটি মানুষ ভীষণ কষ্টে জীবন যাপন করে যারা সত্যি কারের মানুষ তাদের মনে দয়া মায়া আছে অথচ এরা মানুষের মতো দেখতে কিন্তু এদের মনে কোনো দয়া মায়া নাই. এদের মন পাথরের থেকেও পাষাণ কথায় কথায় গুলি চালিয়ে মানুষ হত্যা করার এদের স্বভাব কথায় কথায় মানুষকে খুন করে রিমান্ডে নিয়ে এমন ভাবে অত্যাচার করে যার ফলে তারা মারা যায় অথবা চির জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যায় আমাদের কষ্টে অর্জিত taxpayer's বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচার করছে. এই টাকা যদি দেশে থাকত তাহলে কোন গরীব লোককে খুঁজে পাওয়া যেত না. মানুষ্ এদেশে তখন সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারত.
Total Reply(0)
শওকত আকবর ১২ মে, ২০২১, ১২:৩৭ পিএম says : 0
অবিলম্ব বেতন বোনাস দিয়ে দেওয়া হোক।এটা কোন দয়া দাখ্খিন্য নয়।শ্রমের মজুরী।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন