ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১০ কার্তিক ১৪২৭, ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

মহানগর

রূপসী বাংলা হোটেলের সংস্কার কাজে ঢিলেমি জরিমানা আদায়ের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

প্রকাশের সময় : ২৬ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার : বারবার তাগাদা দেওয়া সত্তে¡ও নির্ধারিত রূপসী বাংলা হোটেলের সংস্কার কাজে ঢিলেমি করছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ইন্টারকন্টিনেন্টাল গ্রæপ। এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংসদীয় কমিটি। দ্রæত কাজ শেষ করার তাগিদ দিয়েছে কমিটি। আর কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই কোম্পানীর কাছ থেকে প্রতিদিন নির্দ্দিষ্ট পরিমাণ জরিমানা আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বেসরকারী বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন. কমিটি সদস্য অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ, তানভীর ইমাম, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, মো. আফতাব উদ্দীন সরকার ও সাবিহা নাহার বেগম এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য অধ্যাপক আলী আশরাফ সাংবাদিকদের বলেন, হোটেলের সংস্কার কাজ দফায় পিছানো হচ্ছে। তাগাদা দেওয়া সত্তে¡ও কাজের অগ্রগতি নেই। চলতি অক্টোবরে এই কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন শুনছি আগামি মার্চে শেষ হবে। তাই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন নির্দ্দিষ্ট হারে জরিমানা আদায়ের জন্য বলা হয়েছে। কি পরিমাণ জরিমানার কথা ভাবছেন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জরিমানাতো টাকায় না, ডলারে হবে। এটা আলোচনা করে নির্ধারণ করতে হবে।
কমিটি সূত্র জানায়, সংস্কার কাজের চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের জানুয়ারিতে সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু নানা অযুহাতে সেটি পিছিয়ে চলতি অক্টোবরে করা হয়। এখন ২০১৭ সালের মার্চে শেষ হবে বলে কোম্পানীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। দেশের প্রথম পাঁচ তারকা হোটেল ‘রূপসী বাংলা’ ৪৬ বছর যাত্রা শুরু করে। হোটেলটি প্রথমে ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ঢাকা যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তীতে ১৯৮৩ সাল হতে ২০১১ সাল পর্যন্ত ঢাকা শেরাটন হোটেল এবং ২০১১ সালের মে মাস থেকে ২০১৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত রূপসী বাংলা হোটেল নামে পরিচালিত হয়। এরপর ২০১২ সালের ১৯ ফেব্রæয়ারি হোটেল পরিচালনার জন্য ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তি অনুযায়ী হোটেলটির সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার পর ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ঢাকা নামে পরিচালিত হবে।
সূত্র জানায়, চুক্তি অনুযায়ী হোটেল সংস্কার কাজকে তিন ধাপে ভাগ করা হয়। এরমধ্যে প্ল্যানিং পিরিয়ড ধরা হয় ৯ মাস, কনস্ট্রাকশন পিরিয়ড ১৬ মাস এবং ডিফেক্ট লায়াবিলিটি পিরিয়ড ১২ মাস ধরা হয়। সেই হিসেবে জানুয়ারি মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু এই কাজের কাঙ্খিত অগ্রগতি হয়নি। অক্টোবরে কাজ শেষে সময় নির্ধারণ হলেও তা নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। কাজের এই ধীরগতির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, আমদানিকৃত মালামাল গত ২ অক্টোবর বেনাপোল বন্দরে আগুনে পুড়ে গেছে। ফলে পুনরায় স্যানিটারি মালামালের জন্য এলসি খুলতে হচ্ছে।
এদিকে বৈঠকে হজ¦ ফ্লাইটে টিকেট বুকিং দেওয়ার সময়ে (এ বছর হজে¦র আলোকে) বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন