সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯, ১৬ মুহাররম ১৪৪৪

মহানগর

ভর্তি পরীক্ষার দিনেও ঢাবিতে ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষ

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৪ জুন, ২০২২, ৮:১২ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কলা অনুষদভুক্ত 'খ' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার দিনেও ছাত্রলীগের দু’গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়েছে। এ ঘটনায় ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

গতকাল শনিবার পরীক্ষা চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে তূর্য নামের দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষে জড়ানো দু’গ্রুপ হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার দ্য সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের সভাপতি মারিয়াম জামান সোহানের গ্রুপ ও কবি জসীমউদ্দিন হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমানের গ্রুপ।

সংঘর্ষের বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পাশাপাশি হেল্প ডেস্ক বসিয়ে তারা দু,গ্রুপ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সেবা দিচ্ছিলো। হঠাৎ করে একটি গ্রুপ কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনের আম গাছ থেকে আম পাড়তে গেলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের এক কর্মী জসীমউদ্দিন হল ছাত্রলীগের এক কর্মীর ওপর অতর্কিত আক্রমণ করলে জসীমউদ্দিন হল ছাত্রলীগের কর্মীরাও সূর্যসেন হলের ওই কর্মীকে মারধর করে।
এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর সূর্যসেন হলের নেতা-কর্মীরা ওই হল ছাত্রলীগের কর্মী তুষার হোসেনের নেতৃত্বে দলবল নিয়ে এসে জসীমউদ্দিন হল ছাত্রলীগের এক কর্মীকে মারতে উদ্ধত হন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আহমেদ সোহান সেখানে গিয়ে সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের শান্ত করেন। এ ঘটনায় উপস্থিত এক সংবাদকর্মীকে মারার হুমকিও দেন তুষার। তবে ইনকিলাবের কাছে বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি। তিনি বলেন, ওই ছেলে (সংবাদকর্মী) আমার জুনিয়রকে মারতে আসছিল। তো তখন কি আমি বসে থাকব? এদিকে ওই সংবাদকর্মী ইনকিলাবকে জানান, তিনি মীমাংসা করার একটা চেষ্টা করছিলেন। যে কারণে তুষার এই অভিযোগ দিচ্ছে।
ঘটনার আকস্মিকতায় আশপাশের ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সাথে আসা অভিভাবকদের আতঙ্কিত দেখা যায়। ভয়ে তারা এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করতে থাকেন বলেও জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের সভাপতি মারিয়াম জামান সোহান মারামারির কথা অস্বীকার করে বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

কবি জসীমউদ্দিন হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান বলেন, আমি বিষয়টি নিয়ে অবগত নয়। খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করছি।
বিষয়টি নিয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনকে কল দিয়ে পাওয়া যায়নি।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন