রোববার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ০৮ বৈশাখ ১৪৩১, ১১ শাওয়াল ১৪৪৫ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি বাইডেনের

অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৪ অক্টোবর, ২০২২, ১২:১৯ পিএম

ইরানে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর ওপর নিরাপত্তা বাহিনী যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সেটির সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সোমবার এক বিবৃতিতে এ ঘটনায় হোয়াইট হাউজের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপেরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি।
বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার কথা বলেন জো বাইডেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানে সমান অধিকার এবং মৌলিক মানবিক মর্যাদার দাবি তোলা শিক্ষার্থী ও নারীসহ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংস দমনপীড়নের খবরে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত অপরাধীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে ওয়াশিংটন।
ইরানি জনগণের স্বাধীনভাবে প্রতিবাদ করার অধিকারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন অব্যাহত রাখার কথাও জানান বাইডেন।
ইরান সরকারের বিরুদ্ধে নিজ দেশের মানুষের মৌলিক স্বাধীনতা অস্বীকার করা এবং ভীতি প্রদর্শন, জবরদস্তি ও সহিংসতার মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষাকে দমিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানি নারী এবং দেশটির সব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, যারা তাদের সাহসিকতার মাধ্যমে পুরো দুনিয়াকে অনুপ্রাণিত করছে।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি দেশটিতে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলমান বিক্ষোভের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, এই দুই দেশ তার দেশের ‘উন্নতি’ প্রতিহত করতে চাইছে। কয়েক বছরের মধ্যে ইরানের বৃহত্তম এই বিক্ষোভকে ‘দাঙ্গা’ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন তিনি। ৮৩ বছরের আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেন, আমি স্পষ্টভাবে বলছি এই দাঙ্গা ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইহুদিবাদীরা (ইসরায়েল) এবং তাদের কাছ থেকে যারা অর্থ পেয়েছে। বিদেশে থাকা কয়েকজন বিশ্বাসঘাতক ইরানিও তাদের সহযোগিতা করছে।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর ইরানে পুলিশ হেফাজতে কুর্দি নারী মাহশা আমিনি নিহতের ঘটনায় দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বিক্ষোভ চলছে। কঠোর পোশাকবিধি অমান্য করায় আমিনিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। হেফাজতে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হওয়ার পর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এরপর থেকেই ইরানে নারীদের কঠোর পোশাকবিধিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর) জানিয়েছে, বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী হাতে এ পর্যন্ত অন্তত ৯২ জন নিহত হয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন