ঢাকা, সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ০৪ ভাদ্র ১৪২৬, ১৭ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

আন্তর্জাতিক সংবাদ

ব্যান্ডেল স্টেশনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু তৃণমূল নেতার

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৩০ জুন, ২০১৯, ১১:৪১ এএম

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে তৃণমূল নেতার। পুলিশ জানিয়েছে, হুগলির ব্যান্ডেল রেলস্টেশন সংলগ্ন লাইনের ওপরেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। ঘটনার প্রতিবাদে রোববার চুঁচুড়ায় ১২ ঘন্টার বনধ ডেকেছে তৃণমূল-কংগ্রেস। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত তৃণমূলনেতা বছর চল্লিশের দিলীপ রাম, রেলের কর্মী ছিলেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে চুঁচুড়ার ইমামবাড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখান থেকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হলে রাস্তাতেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান চন্দননগর কমিশনারেটের কমিশনার অখিলেশ চতুর্বেদী। তিনি জানিয়েছেন, রোববার অফিস যাওয়ার জন্য নৈহাটি স্টেশনে ট্রেন ধরতে যাচ্ছিলেন দিলীপ রাম, সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। পৌর কর্মকর্তা পেটানো মামলায় কৈলাশ বিজয়বর্গীয়ের ছেলের জামিন ইতিমধ্যেই খুনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার অখিলেশ চতুর্বেদী। দলের নেতার মৃত্যুর ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধেই আঙুল তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও বিষয়টিকে “কাট মানি” এবং গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বলে মন্তব্য করেছেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ।


দিলীপ রাম এবং তার স্ত্রী রিতু দলের অন্যতম সংগঠক ছিলেন বলে দাবি করেছেন চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার। মৃত দিলীপ রামের স্ত্রী রিতু ব্যান্ডেলের একটি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান।


লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন থেকে দিলীপ রাম হুমকি ফোন পাচ্ছিলেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
অসিত মজুমদার বলেন, “হুগলি লোকসভায় জেতায় এখানে ভাটপাড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে বিজেপি। তারমধ্যে হুমকি ফোনও রয়েছে। আমরা চন্দননগর পুলিশ কমিশনার এবং চুঁচুড়ার ইন্সপেক্টরকে জানিয়েছি বেশ কয়েকবার, কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।


এদিকে, ঘটনার পিছনে তৃণমূলই দায়ী বলে পাল্টা অভিযোগ করেছেন দিলীপ ঘোষ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন