ঢাকা, সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬, ২৪ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

খেলাধুলা

এ যন্ত্রণা সহজে ভুলতে পারব না : বোল্ট

স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৮ জুলাই, ২০১৯, ৬:১৫ পিএম

বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের যন্ত্রণা থেকে কাটিয়ে উঠতে পারছেন না নিউজিল্যান্ড পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। লর্ডসের সেই ম্যাচের শেষ ওভার বল করার পর সুপার ওভারেও বল করেছিলেন তিনি। ঐতিহাসিক সেই হারের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি মিলতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বোল্ট।
শুধু বোল্ট কেন, এবারের বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি হয়ত আজীবন মনে থাকবে ক্রিকেট প্রেমীদের। অভাবনীয় অবিশ্বাস্য টাই ম্যাচের ভাগ্য সুপার ওভারেও নির্ধারণ করা যায়নি। শেষ পর্যন্ত শিরোপা তুলে দেওয়া হয়েছে বাউন্ডারিতে এগিয়ে থাকা ইংল্যান্ডের হাতে। দেশে পৌঁছে বোল্ট জানিয়েছেন নিজের মনের ক্ষতের কথা, ‘অনেকক্ষণের ফ্লাইট ছিল, তাই নিজেকে বোঝানোর অনেক সুযোগ পেয়েছিলাম। কিন্তু কিছুতেই এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না। হাজার চেষ্টা করেও ভুলতে পারছি না ফাইনালে হেরে যাওয়াটা।’
এখন যত ভাবছেন, বোল্ট ততই ক্রমশঃ বুঝতে পারছেন কী কী করলে ঠিক হত। শেষ ওভারে রান আউট বাঁচাতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন বেন স্টোকস। তার ব্যাটে লেগে বল সীমানার বাইরে যাওয়ার ফলে ওভারথ্রোয় চার রান পায় ইংল্যান্ড। তার আগে স্টোকসের ক্যাচ ধরতে গিয়ে বাউন্ডারির দড়িতে বোল্টের পা ঠেকে যায়; এর ফলে ক্যাচ তো হয়ইনি, উপরন্তু ছ’রান পেয়েছিল ইংল্যান্ড। ফসকে যাওয়া ক্যাচ নিয়ে তিনি বলেন, ‘যখন বুঝতে পারলাম কী হতে যাচ্ছে বল মার্টিনের দিকে ছুঁড়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গেছে। বল ছুঁড়ে দিতে দিতে স্পষ্ট বুঝতে পারলাম বাঁ পায়ের জুতো দড়ি ছুঁয়ে গেছে। মার্টিন সাবধান করার চেষ্টা করেছিল ঠিকই, কিন্তু সাতাশ হাজার মত্ত সমর্থকের চিৎকারের ওপর গলা তুলতে পারেনি।’
ছোট ছোট এই ভুলগুলোই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিয়েছে বলে মনে করেন বোল্ট, ‘এগুলো এখন মনে হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। আপাতদৃষ্টিতে সামান্য মনে হলেও শেষে এগুলোই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়। শেষ ওভারটার কথা বিশেষ করে বারবার মনে পড়ছে। জীবনে কখনও মাটি ঘেঁষে ছয় খাইনি। তারপর ম্যাচে টাই, সুপার ওভারে টাই, এরকম মনে হয় না আগে কখনও হয়েছে।’
আসন্ন শ্রীলঙ্কা সফরে ভাল কিছু করলে হয়ত এই হারের দুঃখ কিছুটা হলেও ভুলতে পারবে নিউজিল্যান্ড। কিন্তু পুরোপুরি ভুলতে পারবে কি? এর উত্তর দিয়েছেন বোল্ট, ‘আর দু’দিন পরেই শ্রীলঙ্কা রওনা দেব, তারপর আবার শুরু। তবে এই যন্ত্রণা দু’দিনে ভুলতে পারব না। দু’বছরেও পারব কিনা সন্দেহ আছে।’

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন