ঢাকা, সোমবার , ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

ব্যবসা বাণিজ্য

আসক-এ ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৬ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম

 রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন ও সালিশ কেন্দ্রকে (আসক) জরিমানা ও কার্যালয় ছেড়ে দেয়ার নির্দেশকে নিয়মবহির্ভূত বলে আখ্যায়িত করেছে সংস্থাটি। আদালতের সার্বিক কার্যকলাপ ও এমন আদেশকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করছেন প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্টরা। একইসঙ্গে এমন পরিস্থিতিতে প্রচলিত আইন অনুযায়ী সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার কথাও জানিয়েছেন তারা। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর লালমাটিয়ায় আসক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানানো হয়।
রাজউকের ভ্রাম্যমাণ আদালত আসককে দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং দুই মাসের মধ্যে কার্যালয় ছেড়ে দেয়ার নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
আসকের নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজ বলেন, ১৪ নভেম্বর আসক কার্যালয় ভবন মালিকের রাজউকের নকশাবহির্ভূত গ্যারেজের অংশে অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন আক্তার আসক কার্যালয়ে এসে আবাসিক এলাকায় অফিস পরিচালনার কারণ জানতে চান। আসকের পক্ষ থেকে সব তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হয় এবং জানানো হয়, ভাড়াটিয়া হিসেবে সব শর্ত মেনেই আসক অফিস পরিচালনা করছে। তিনি বলেন, সারাদেশে আসকের একটিই কার্যালয় এবং এখানে শুধু দাফতরিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। আসক কোনো ধরনের আর্থিক কিংবা ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে না। বাংলাদেশ এনজিও ব্যুরোসহ সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের অনুমোদন নিয়েই আসক দীর্ঘ ৩৩ বছর ধরে মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছে। তিনি আরো বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২ এর ৩(ক) ধারা মতে আসককে আগামী দুই মাসের মধ্যে কার্যালয় ছেড়ে দেয়ার নির্দেশনার পাশাপাশি দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন। অথচ আইনের ওই ধারাটি ভবন মালিক, নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আসক শুধু ভাড়াটে হিসেবে ভবনটি ব্যবহার করছে। কিন্তু ভ্রাম্যমাণ আদালত বিষয়গুলো আমলে না নিয়ে জরিমানা বহাল রাখেন এবং জরিমানা আদায় করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন ২০০৯ অনুযায়ী অভিযোগ অস্বীকার করে বিচারিক আদালতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু রাজউকের ভ্রাম্যমাণ আদালত এসব যুক্তি না মেনে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তিমূলক স্বাক্ষর আদায় করেন। এমনকি আসকের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অফিস সিলগালাসহ কর্মীদের গ্রেফতারের হুমকি দেন।
সংবাদ সম্মেলনে আসকের নির্বাহী কমিটির মহাসচিব তাহমিনা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন