ঢাকা, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২০, ১৮ চৈত্র ১৪২৬, ০৬ শাবান ১৪৪১ হিজরী

খেলাধুলা

শিরোপা লড়াই : কাল মাঠে নামছে ইস্ট ও সাউথ জোন

স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৮:২৫ পিএম

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে আগামীকাল ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইস্ট জোন ও সাউথ জোন। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে শিরোপা নির্ধারনী ম্যাচটি। আগামীকাল (শনিবার) থেকেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্ট খেলতে নামছে বাংলাদেশ। তাই জাতীয় দলের অনেকেই বিসিএলের ফাইনালে খেলতে পারছেন না।

নিয়মনুযায়ী পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দু’দল হিসেবে বিসিএলের ফাইনাল খেলছে ইস্ট জোন ও সাউথ জোন। ৩ ম্যাচে ২৩ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থাকে ইস্ট জোন। ১৯ দশমিক ৮৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয়স্থান পায় সাউথ জোন। আর টেবিলের তৃতীয় ও চতুর্থস্থানে থেকে আসরের ফাইনাল খেলতে ব্যর্থ হয় সেন্ট্রাল জোন ও নর্থ জোন। সেন্ট্রাল জোনের পয়েন্ট ছিলো ১১ দশমিক ৫। আর নর্থ জোনের পয়েন্ট ছিলো ৬ দশমিক ২২।

নিজেদের প্রথম ম্যাচে তামিম ইকবালের অপরাজিত ৩৩৪ রানের সুবাদে সেন্ট্রাল জোনকে ইনিংস ও ৯ রানে হারায় ইস্ট জোন। প্রথমে ব্যাট করে ২১৩ রান করে সেন্ট্রাল জোন। জবাবে তামিমের ব্যাটিং নৈপুন্যে ২ উইকেটে ৫৫৫ রান করে ইস্ট জোন। এরপর ৩৩৩ রানে অলআউট হয়ে হার মানে সেন্ট্রাল জোন।

তবে পরের ম্যাচে তামিমকে ছাড়া হারের লজ্জা পায় ইস্ট জোন। রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের জন্য বাংলাদেশের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন তামিম। তাই ইস্ট জোনের দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। আর ঐ ম্যাচে সাউথ জোনের কাছে ১০ উইকেটে ম্যাচ হারে ইস্ট জোন। প্রথমে ব্যাট করে ৪৮২ রান করে সেন্ট্রাল জোন।

প্রথম ইনিংসে ৩০৬ রান করে ফলো-অনে পড়ে ইস্ট জোন। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৬০ রানে অলআউট হয় ইস্ট জোন। ফলে ম্যাচ জিততে ১৮৫ রানের টার্গেট সহজেই স্পর্শ করে ফেলে সাউথ জোন। দুই ওপেনার শাহরিয়ার নাফীস ৬৮ ও আনামুল হক ১০৯ রানে অপরাজিত থাকেন। প্রথম ইনিংসেও ১২৯ রান করেছিলেন আনামুল।
তৃতীয় ও শেষ রাউন্ডের ম্যাচে নর্থ জোনকে ৮ উইকেটে হারায় ইস্ট জোন। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে ফাইনাল নিশ্চিত করে ইস্ট জোন। প্রথমে ব্যাট করে ২৭২ রান করে নর্থ জোন। মুশফিকুর রহিম ১৪০ রান করেন। জবাবে ইয়াসির আলির ১৬৫ রানের সুবাদে লিড নিয়ে ৩৩১ রানে গুটিয়ে যায় ইস্ট জোন। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ২৬৯ রানে অলআউট হয় নর্থ জোন। তাই ম্যাচ জিততে ২১১ রানের টার্গেট পায় ইস্ট জোন। এই ইনিংসেও ১১০ রান করে ইস্ট জোনের জয় নিশ্চিত করেন ইয়াসির।

নিজেদের প্রথম ম্যাচে নর্থ জোনের সাথে ড্র করে সাউথ জোন। দুই ইনিংসে সাউথ জোনের রান ছিলো ২৬২ ও ৩ উইকেটে ৩৯৮ রান। নর্থ জোনের রান ছিলো ২০৭ ও ৪ উইকেটে ২৭৮।

দ্বিতীয় ম্যাচে ইস্ট জোনকে ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারায় সাউথ জোন। প্রথমে ব্যাট করে ৪৮২ রান করে সাউথ জোন। ৩০৬ রানে গুটিয়ে ফলো-অনে পড়ে ইস্ট জোন। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৬০ রান করে ইস্ট জোন। ম্যাচ জিততে ১৮৫ রানের টার্গেট বিনা উইকেটে পেরিয়ে যায়পায় সাউথ জোন। ওপেনার আনামুল হক ১০৯ ও শাহরিয়ার নাফীস ৬৮ রান করে সাউথ জোনের জয় নিশ্চিত করেন।

শেষ রাউন্ডে সেন্ট্রাল জোনের সাথে ড্র করে পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয়স্থান পায় সাউথ জোন। দুই ইনিংসে সেন্ট্রাল জোনের রান ছিলো ২৩৫ ও ৮ উইকেটে ৩৮৫ রান। প্রতিপক্ষকে পয়েন্ট না দিতে প্রথম ইনিংস ৪ উইকেটে ১১৪ রানে ঘোষনা দেয় সাউথ জোন। ফলে প্রথম ইনিংস থেকে ১২১ রানের লিড পায় সেন্ট্রাল জোন। ঐ লিডের সাথে দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ উইকেটে ৩৮৫ রান করে তারা। এতে ম্যাচ জয়ের জন্য ৫০৭ রানের টার্গেট পায় সাউথ জোন। শেষ পর্যন্ত শামসুরের ১৩৩ রানের সুবাদে ৯ উইকেটে ৩৮৬ রান করে ম্যাচ ড্র করতে সমর্থ হয় সাউথ জোন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন