ঢাকা বুধবার, ২০ জানুয়ারি ২০২১, ০৬ মাঘ ১৪২৭, ০৬ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

রসুন চাষে ব্যস্ত কৃষক

মো. আশিকুর রহমান টুটুল, লালপুর (নাটোর) থেকে : | প্রকাশের সময় : ৩০ নভেম্বর, ২০২০, ১২:০০ এএম

রসুন চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে নাটোরের লালপুর উপজেলার কৃষকরা। চলতি মৌসুমে রেকোর্ড পরিমাণে রসুুন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে উপজেলার প্রতিটি মাঠে জুড়ে চলছে রসুনের চাষ। বর্তমানে বাজারে রসুনের দাম ভালো পাওয়া ও ফলন বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে রসুন চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। 

উপজেলা কৃষি বিভাগের সূত্র মতে, চলতি মৌসুমে এই উপজেলায় ১২শ’ হেক্টর জমিতে রসুন রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ১৫শ’ হেক্টর জমিতে রসুুন রোপন হবে। এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ২শ’ হেক্টর জমিতে রসুুন রোপন করেছে। এখনও ১০-১৫ দিন চলবে এই রসুন রোপনের কার্র্যক্রম।
গতকাল সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠে মাঠে কৃষক-কৃষাণীরা দল বেঁধে বিনা চাষে রসুুন রোপন করছে। কেউ জমি প্রস্তুত করছে। আবার কেউ রসুন রোপন করছেন। উপজেলার ওয়ালিয়া গ্রামের রসুন চাষি নাজমুল হক জানান, তিনি এ বছর দুই বিঘা জমি ২০ হাজার টাকায় লিজ নিয়ে রসুুন চাষ করছেন। স্বল্প সময় ও অন্য ফসলের চেয়ে কম পরিশ্রমে অধিক ফলন হওয়ায় এবং বাজের বর্তমানে রসুনের দাম ভালো হওয়ায় তিনি রসুুন চাষ করছেন।
মজনু আলী নামের অপর একজন কৃষক জানান, তিনি এক বিঘা জমিতে বীজ, সার ও শ্রমিক দিয়ে মোট ২০ হাজার টাকা খরচ করে রসুন রোপন করেন। রসুন ঘরে তোলা পর্যন্ত আরো ৫-৭ হাজার টাকা খরচ করে বিঘা প্রতি প্রায় ৩০-৩৫ মণ রসুুন পাওয়া যাবে। অন্যান্য চৈতালী ফসলের চেয়ে রসুনে রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম। কোনো প্রকার জমি চাষ ছাড়া স্বল্প পুজি ও কম পরিশ্রমে ফলন ভালো হওয়ায় তিনি রসুন চাষ করছেন।
লালপুর উপজেলা কৃষি অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান, রসুন মসলাজাত অর্থকরী ফসল। খরচ কম ও অধিক লাভ হওয়ায় বর্তমানে লালপুরে এই ফসলের ব্যাপক হারে চাষ হচ্ছে। রসুন চাষে কৃষককে উৎসাহিত ও সহযোগিতা করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে উপ-সহাকারী কর্মকর্তারা। আগামীতে এই ফসলের চাষ আরো বৃৃৃদ্ধি পাবে বলে তিনি জানান।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন