বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮, ২০ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

পাবলিক পরিবহণে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে পুলিশকে জরিমানা করার ক্ষমতা দেয়ার দাবি

তামাকপণ্যের স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং কর ফাঁকি রোধের উপায়

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৯ এপ্রিল, ২০২১, ৭:৪৬ পিএম

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শামসুল হক টুকু বলেছেন, তামাক মাদকের প্রবেশ দ্বার। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তামাক নিয়ন্ত্রনের বিকল্প নেই। আমাদের দেশে প্রায় ২ লাখ পুলিশ রয়েছে। এ পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা তামাক নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। পাবালিক পরিবহনে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ভঙ্গে পুলিশকে জরিমানা আদায়ের ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য সভায় উত্থাপিত দাবি তিনি সংসদীয় কমিটির সভায় আলোচনা করবেন বলে উল্লেখ করেন।

বৃহষ্পতিবার (২৯ এপ্রিল) গণপরিবহণে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে পুলিশের ভূমিকা শীর্ষক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডেভেলপমেন্ট অ্যাক্টিভিটিস অব সোসাইটি-ডাস্।

ডাস্ এর প্রকল্প উপদেষ্টা আমিনুল ইসলাম বকুল এর সঞ্চালনায় এবং দ্যা ইউনিয়নের কারিগরি উপদেষ্টা এড. সৈয়দ মাহবুবুল আলম এর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রেলওয়ে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. সাইফুজ্জামান শিখর। ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন ডাস্’র সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন টিপু। সভায় পাবলিক পরিবহণ ও পাবলিক প্লেসে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ভঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশকে জরিমানা আদায়ের এখতিয়ার প্রদানের দাবী করা হয়।

সংসদ সদস্য মো. সাইফুজ্জামান শিখর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় বাস্তবায়ন করতে পুলিশকে অগ্রণী ভ‚মিকা পালন করতে হবে। পাবলিক পরিবহন ও পাবলিক প্লেসে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে পুলিশের অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে হবে।

এড. সৈয়দ মাহবুবুল আলম বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করছে। আইন বাস্তবায়নে সব সময় মোবাইল কোর্ট আয়োজন সম্ভব নয়। এছাড়া গণপরিবণ ও গণ পরিসরে আইন বাস্তবায়নে সহজেই পুলিশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়। বর্তমান ব্যবস্থায় পুলিশ চাইলেই তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ভঙ্গকারী সহজেই জরিমানা আদায় করতে পারবে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

আলোচনা সভায় আরো অংশগ্রহণ করেন উবিনিগের ফরিদা আক্তার, সুপ্র’র মঞ্জু রাণী প্রামাণিক, এইড ফাউন্ডেশনের সাগুফতা সুলতানা, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের সৈয়দা অনন্যা রহমান, মাদক বিরোধী সংগঠন প্রত্যাশা’র হেলাল আহমেদ, ব্যারিস্টার নিশাত রহমান, এ্যাড. মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।

এদিকে বৃহষ্পতিবার স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং প্রবর্তন, আইন সংশোধনে স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং সংযুক্ত করা ও তামাকজাত দ্রব্যের ওপর সুনির্দ্রিষ্ট করারোপ বাস্তবায়নে করণীয় প্রসঙ্গে অপর এক অনুষ্ঠানে বক্তারা তামাকপণ্যের স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং কর ফাঁকি রোধের অন্যতম উপায় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

টোব্যাকো কন্ট্রোল এন্ড রিসার্চ সেল (টিসিআরসি), ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা) এবং বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি (বিএনটিটিপি) এর যৌথ আয়োজনে একটি ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য প্রফেসর ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত বলেন, ক্ষতিকর তামাক পণ্য নিয়ন্ত্রণে ইতিমধ্যেই সংসদ সদস্যরা কাজ করছি। পাশাপাশি আমরা বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং গঠন করেছি। সভাপতি সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ড. রুমানা হক, প্রফেসর ডা. গোলাম মহিউদ্দীন ফারুক প্রমুখ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন