মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০, ১৬ শাবান সানি ১৪৪৫ হিজরী

ব্যবসা বাণিজ্য

বাংলাদেশে বছরে এক মিলিয়ন টন এলএনজি সরবরাহে সামিট-কমনওয়েলথ এলএনজি সমঝোতা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২ আগস্ট, ২০২১, ৬:০২ পিএম

সামিট অয়েল এন্ড শিপিং কোম্পনি লি., দেশের প্রথম এবং সর্ববৃহৎ জ্বালানী তেল আমদানিকারক ও সরবরাহকারি প্রতিষ্ঠান, যুক্তরাষ্ট্রের কমনওয়েলথ এলএনজি-র সাথে বাংলাদেশ সহ এশিয়ার অন্যান্য স্থানে এলএনজি সরবরাহের লক্ষ্যে সম্প্রতি একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। সামিট অয়েল এন্ড শিপিং বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ অবকাঠামো প্রতিষ্ঠান সামিট গ্রুপের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ।

প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর উপস্থিতিতে ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাসে সোমবার (২ আগস্ট) এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্ঠা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বীর বিক্রম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য জ্বালানী উৎসের লভ্যতার গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সামিট অয়েল এন্ড শিপিং এবং কমনওয়েলথ এলএনজি-র এই সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরকে সাধুবাদ জানিয়ে এই পদক্ষেপটি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান জ্বালানী বিষয়ক সহযোগিতা আরো বেগবান হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

এই চুক্তির আওতায় সামিট অয়েল এন্ড শিপিং বিশ বছর পর্যন্ত লুসিয়ানার ক্যামেরনে অবস্থিত কমনওয়েলথ-র ৮ দশমিক ৪ এমটিপিএ ক্ষমতা সম্পন্ন দ্রুত উন্নয়নাধীন অবকাঠামো থেকে সম্ভাব্য বছরে এক মিলিয়ন টন এলএনজি ক্রয় করতে পারবে।

সামিট অয়েল এন্ড শিপিং-এর অন্য সংশ্লিট কোম্পানী সমূহ ভারত-উপমহাদেশে আনুমানিক তিন গিগাওয়াট গ্যাস-থেকে-বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা এবং উন্নয়নধীন আছে। এছাড়া সামিট এলএনজি টার্মিনাল কো লি., কক্সবাজারের মহেশখালীতে একটি ৫০০ এমএমসিএফডি ক্ষমতা সম্পন্ন ফ্লোটিং স্টোরেজ এন্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট পরিচালনা করে।

সামিট গ্রুপ অফ কোম্পানীজের ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদ খান মন্তব্য করেন, আমরা অত্যন্ত গর্বিত এই পদক্ষেপ নিতে পেরে যাতে করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে আমাদের পরিছন্ন জ্বালানী জোগান দিতে সক্ষম হতে পারি। আমরা যুক্তরাষ্ট্রের এলএনজি সরবরাহে কমনওয়েলথ-কে আমাদের সহযোগী হিসেবে পেয়ে আনন্দিত। এতে বাংলাদেশের জন্যে এলএনজি-র উৎসে বৈচিত্রতা আনবে আর হেনরি হাব-র ভিত্তিতে মূল্যে স্থিতিশীলতার সুবিধা ভোগ করতে পারবে। কমনওয়েলথ-র পক্ষ থেকে, প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও পল ভারেলো বলেন যে এই সমঝোতা চুক্তি প্রমাণ করে আমাদের দুটি কোম্পানীর লক্ষ্য এক।

ভারেলো বলেন, কমনওয়েলথ-র আকাঙ্খা সবচেয়ে কম খরচে (গ্যাস) তরলীকরন সেবা দেয়া, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে পৃথিবীর প্রতিযোগীতামূলক বাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রাখছে। এই সেবা আরো আবশ্যকীয় বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো একটি উদীয়মান অর্থনীতির জন্যে যেখানে টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্যে অধিক জ্বালানীর প্রয়োজন। সামিট এই প্রয়োজনটি উপলব্ধি করেছে আর তাতে কমনওয়েলথ এলএনজি সহযোগী হতে পেরে আনন্দিত।

কমনওয়েলথ একটি দ্রুত পদ্ধতিতে নির্মাণকাজ করছে যা এই অবকাঠামো প্রকল্পটি মাত্র তিন বছরে শেষ হবে। এই পদ্ধতিতে প্রধানত প্রি-ফেব্রিকেটেড অংশগুলো অন্যস্থান থেকে এনে জুড়ে দিয়ে কম সময়ে নির্মাণ করা হচ্ছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন