শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২১ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

আইসিটি এন্ড ক্যারিয়ার

টিকাবিরোধী সব কন্টেন্ট মুছে ফেলবে ইউটিউব

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৭:৪৯ পিএম

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের টিকাবিরোধী সব ধরনের ভিডিও (কন্টেন্ট) মুছে ফেলবে অনলাইন ভিডিও শেয়ারিং মাধ্যম ইউটিউব। আজ বুধবার এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে সাইটটির কর্তৃপক্ষ। এর আগে এ বিষয়ে ভুল ও মিথ্যা তথ্য না দেওয়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দেয় সংস্থাটি।

বিবৃতিতে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ বলেছে, যেসব করোনা টিকা বিভিন্ন দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে সেসব টিকার বিরুদ্ধে যাবতীয় অপপ্রচার ও ভুয়া তথ্য বিষয়ক ভিডিওগুলো মুছে ফেলা হবে। পাশাপাশি, যেসব ইউটিউবার বা তাদের নিজেদের কিংবা অন্য কারো ইউটিউব চ্যানেলে টিকাবিরোধী প্রচার ও ভুয়া তথ্য সম্বলিত ভিডিও আপলোড করবেন, সেসব চ্যানেল ব্লক করা হবে বলেও সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।

ইউটিউব সাইটের এক মুখপাত্র কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে জানান, ২০২০ সাল থেকে এ পর্যন্ত আপলোড করা ১ লাখ ৩০ হাজার ভিডিও ইতোমধ্যে মুছে ফেলেছে ইউটিউব। করোনা টিকার অপপ্রচার সংশ্লিষ্ট ভিডিও ছিল সেগুলো।

পাশাপাশি, টিকা বিষয়ক অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে ব্লক করা হয়েছে বেশ কয়েকজনের ইউটিউব চ্যানেল। এগুলোর মধ্যে বিখ্যাত মার্কিন চিকিৎসক জোসেফ মেরকোলা এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির বংশধর রবার্ট এফ কেনেডির চ্যানেলও আছে।

তবে ইউটিউবই প্রথম অনলাইন প্ল্যাটফরম নয়, যারা এই উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক জানিয়েছে, করোনা টিকাবিরোধী যাবতীয় অপপ্রচার রুখতে নিজেদের পলিসি নতুন করে সাজাচ্ছে তারা।

বুধবারের বিবৃতিতে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ বলেছে, ‘করোনা টিকা নিলে অটিজম, ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়া বা সন্তান জন্মদানের অক্ষম হয়ে পড়ে মানুষ- এ সংক্রান্ত যেসব ভিডিও যারা আপলোড করেছেন, সেগুলো মুছে ফেলা হচ্ছে।’

‘পাশাপাশি যেসব ইউটিউবার এসব ভিডিও আপলোড করেছিলেন, তাদরে সতর্ক করা হচ্ছে- যদি পরবর্তীতেও এ ধরনের ভিডিও আপলোড করা হয়, সেক্ষেত্রে তাদের চ্যানেল স্থায়ীভাবে ব্লক করে দেওয়া হবে।’ সূত্র : রয়টার্স, আল জাজিরা

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (2)
Shanto ১ অক্টোবর, ২০২১, ১:৩৫ পিএম says : 0
শয়তান, শয়তানের বাচ্চা, শয়তানের এজেন্ট, শয়তানের দালাল, শয়তানের গোলামরা সমস্ত ধরনের মিথ্যা ভন্ডামি প্রতারণা শোষণ জুলুম ক্ষতিকর বিষ এর উৎস। এদেরকে বিশ্বাস করা মানে জাহান্নামের আগুনে নিজেদেরকে নিক্ষিপ্ত করা। এরা কথিত মিথ্যা ভাইরাসের নাম দিয়ে কথিত মিথ্যা লকডাউন দিয়ে কথিত মিথ্যা ভাইরাসের বিষাক্ত ভ্যাকসিন এর মাধ্যমে প্রত্যেকটি দেশের শত শত হাজার হাজার লক্ষ কোটি মানুষদেরকে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না। আল্লাহ যদি এদের ধ্বংস না করে এদের থেকে মুক্ত হবার আর কোন পথ নাই কারণ সাধারন জনগণ এদেরকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে।
Total Reply(0)
Shanto ১ অক্টোবর, ২০২১, ১:৩৬ পিএম says : 0
আমরা এখন এমন এক পৃথিবীতে বাস করছি যেখানে - সাইকোপ্যাথিক (পিচাশ) সরকার স্বাধীনতা ও মানবতা ধ্বংস করে - সাইকোপ্যাথিক (পিচাশ) ডাক্তার স্বাস্থ্য নষ্ট করে - সাইকোপ্যাথিক (পিচাশ) আইনজীবীরা ন্যায়বিচার নষ্ট করে - সাইকোপ্যাথিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি (পিচাশ) জ্ঞান ধ্বংস করে - সাইকোপ্যাথিক (পিচাশ) বিজ্ঞানীরা সত্যকে ধ্বংস করে - সাইকোপ্যাথিক (পিচাশ) প্রেস তথ্য নষ্ট করে - সাইকোপ্যাথিক (পিচাশ) ধর্মীয় নেতারা আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা নির্দেশনা এবং নৈতিকতা ধ্বংস করে - সাইকোপ্যাথিক (পিচাশ) অমানুষরা একমাত্র আল্লাহ এবং তাঁর অনুগ্রহ এর উপর বিশ্বাস ধ্বংস করে, অথচ তারা শয়তানি, পিচাশি ও ক্ষতিকর বিষয়ে বিশ্বাস করে - সাইকোপ্যাথিক (পিচাশ) ব্যবসা-বাণিজ্য সমূহ মানব সেবা সমূহ ধ্বংস করে দেয় - সাইকোপ্যাথিক (পিচাশ) ব্যাংকিং ব্যবস্থাসমূহ অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেয়...
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন