ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১১ কার্তিক ১৪২৭, ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

পাবনার চাটমোহরের নদীতে বিরল প্রজাতির মাছ ধরা পড়েছে

পাবনা থেকে মুরশাদ সুবহানী | প্রকাশের সময় : ২৭ নভেম্বর, ২০১৯, ৫:২৮ পিএম

পাবনার চাটমোহরের রতনাই নদীতে মৎস্য শিকারীর জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির বিদেশী ‘ ‘সাকার মাউথ ক্যাটফিস’ । উপজেলার মুলগ্রাম ইউনিয়নের রতনাই নদী থেকে সেকেন্দার আলীর জালে মাছটি ধরা পড়ে। সাদা-কালো রঙের মিশ্রিত মাছটির ওজন প্রায় ৬০০ গ্রাম। দীর্ঘ ১৫/১৬ ইঞ্চি।

সকালে উপজেলার হেংলী বুধপাড়া গ্রামের সেকেন্দার আলীর ফাঁস জালে মাছটি ধরা পড়ে। মাছটির মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত ডোরা কাটা বাদামি ও কাল রঙের বিন্দু বিন্দু দাগ কাটা । মাছটি চাটমোহর পৌর শহরের ছোটশালিখা মহল্লায় সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে নিয়ে আসলে দৃষ্টিনন্দন মাছটি দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় জমায়।
উপজেলার রতনাই নদীতে ফাঁস জাল ফেললে এই বিরল প্রজাতির মাছটি ধরা পড়ে। অচেনা মাছটির কোনো ক্রেতা না মিললেও এটি দেখকে উৎসুক মানুষ ভিড় করছে, কেউ কেউ মাছটি উঁচুতে ধরে সেলফি তুলছেন । বিরল প্রজাতির

মাছ দেখতে আসা স্থানীয় শিক্ষক সোহেল রানা, ব্যবসায়ী বাউল হোসেন , অরুণ, জানিয়েছেন, জীবনে এমন মাছ আমরা কখনো দেখিনি। প্রথম দেখলাম।
পাবনা মৎস্য ব্যবসায়ী রজব মিয়া জানালেন, এই মাছ মিঠা পানির মাছ। একই কথা বললেন , বৃহষ্পতিবার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান । তিনি জানান, মাছটি নদীর মিঠা পানির মাছ। নদীর গভীর তলদেশে পানির মাছ। ফলে এটি সহজে ধরা পড়ে না। স্রোতের তোড়ে মাছটি হয়তো ছোট নদীতে ঢুকে পড়তে পড়েছে। বিরল প্রজাতির এই ধরণের মাছ ধরা পড়লে এটিকে না মেরে নদীতে অবমুক্ত করার পরামর্শ দেন।
প্রসঙ্গত : প্রায় ১ কেজি ওজনের এই মাছটি কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার জিঞ্জিরাম নদীতে জেলের জালে ‘সাকার মাউথ ক্যাটফিস’ নামে এক বিরল প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে চলতি বছর

২৬ জুলাই, শুক্রবার ভোরে। বেলা উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী জিঞ্জিরাম নদীতে মাছ ধরার সময় মোস্তফা নামে এক জেলের জালে ধরা পরে বিরল প্রজাতির এই মাছ ।
স্থানীয়রা এটিকে ‘টাইগার মাছ’ বললে চেনেন। মাছটির আসল নাম ‘সাকার মাউথ ক্যাটফিস’।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে সাকার মাউথ ক্যাটফিসের বৈজ্ঞানিক নাম Hypostomus plecostomus। মাছটি Hypostomus plecostomusLoricariidae পরিবারভুক্ত। এই মাছগুলো মুখ দিয়ে চুষে খাবার খায়। মাছটি সাধারণত একুরিয়ামে শোভাবর্ধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে ।“এটি একিউরিয়ামে শোভাবর্ধক হিসেবে ব্যবহৃত হলেও আমাদের দেশের যশোর অঞ্চলে এটি চাষ হয় এবং ওই অঞ্চলের অনেক মানুষ এই মাছ খায়।”

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন